অশ্লীল অঙ্গ-ভঙ্গি দেখিয়ে কিউ লাইভ হাতিয়েছে ১০৮ লাখ টাকা, সিআইডির মামলা, কিউ বাংলার শেয়ারিং অ্যাপ কিউ লাইভের লাইভ চ্যাট ও লাইভ ভিডিওর মাধ্যমে যৌন উত্তেজনা সৃষ্টি ও অশ্লীল অঙ্গ-ভঙ্গি দেখিয়ে গ্রাহকদের ফাঁদে ফেলে ভাগিয়ে নিয়েছে ১ কোটি টাকা। তবে এই টাকার এর মধ্যে ২৯ লাখ টাকা আদালতের আদেশে অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করা হয়েছে। বাকি ৭৯ হাজার টাকা ইতোমধ্যে বিদেশে পাচার করা হয়েছে।
টানা ২দিন তদন্ত শেষে সম্প্রতি অর্থ পাচার ও প্রতিরোধ আইনে কিউ বিরুদ্ধে মামলাটি করেছেন সিআইডির উপ-পরিদর্শক (এসআই) রিপন খন্দকার( পাওয়ার ) ।
কিউ লাইফ https://play.google.com/store/apps/details?id=com.kiyo.mobile,
ID: নাম :OGR RÄGİNİ
ID :55503 এডমিন
এজেন্সি code 7875/
ID :71124
ID :4064902
মেয়েদেরকে এই অ্যাপ্লিকেশনে যুক্ত করে যৌনতার ফাঁদে ফেলতেছে হোয়াটসঅ্যাপে
এবং কি বিকাশে লক্ষ লক্ষ টাকা পাচার করে নিয়ে যাচ্ছে বিকাশ নামবার 01922213682
তিনি জানান, অর্থ পাচারের কাগজপত্র জোগাড় সাপেক্ষে গত এপ্রিল ১৪ তিনি বাদি হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় কিউ বাংলা ব্যবস্থাপনা পরিচালক , কিউ বাংলার কর্মী , এডমিন ও কিউ এজেন্সি ID:7875 নামের আসামি করা হয়েছে।
ID:15020GR Admin””
ID 55503O GR RÄGİNİ
ID 79077
ID: 71124O, RLD BOSS
ID:7507326,GRAdmin promi
ID: 4064902
বাংলাদেশে কিউ অ্যাপের ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী অশ্লীল সংলাপ হোয়াটসঅ্যাপে অনেক হোস্ট টাকা মেরে দিয়েছে বলে অভিযোগ, অশ্লীলতা কাজ না করিলে , অভিনয়, অঙ্গভঙ্গি ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। কিউ অ্যাপের ব্যবহারকারীদের বড় অংশ তরুণ-তরুণী এবং প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক। এই অ্যাপে দুই ধরনের আইডি রয়েছে। একটি আইডির নাম ব্রডকাস্টার। ব্রডকাস্টার আইডি ব্যবহার করেন তরুণ-তরুণীরা।
সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, কিউ অ্যাপের লাইভ ভিডিওর মাধ্যমে অশ্লীলতা ছড়ানোর অভিযোগে গত –সহ পাঁচজনকে সিআইডি। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে পল্টন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা ও পর্নোগ্রাফিৃঅ ক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়। মামলার অপর চার আসামি হলেন কিউ বাংলার , , এস এম,, । তারা সবাই এখনও এপ্লিকেশনে আছে তবে পাচার হওয়া টাকা বিকাশ তাদেরকে আগেই পাচার হয়েছে বলে জানিয়েছে সিআইডি রিপন।