1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য ‘শিশু স্বর্গ’ পাইলট প্রকল্প চালু, ১০ জেলায় শুরু জাতীয় প্রেসক্লাবে আগামী কাল এসএসপি কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন আন্তর্জাতিক থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে শাহ্ নেয়ামতুল্লাহ কলেজে সেমিনার অনুষ্ঠিত ​চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির সাঁড়াশি অভিযান ৪টি ভারতীয় গরু জব্দ সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন আর নেই আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে দেশব্যাপী কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিলহজ্জ মাসের ফজিলত ও ইবাদত! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী। খুলনার শিরোমণি বাজার বনিক সমিতির সভাপতির নামে ভুয়া, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত। ইউনূস সরকারের ব্যর্থতায় শিশু মৃত্যু বেড়েছে, অভিযোগ সিপিবির *ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসি’র ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা*

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৫১ বার দেখা হয়েছে

শোকের দিনে বহিষ্কার: দলীয় শৃঙ্খলা না কি ত্যাগীদের প্রতি অবিচার?
এস এম শাহ্ জালাল সাইফুল : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ইতিহাসে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন নেত্রী নন—তিনি একটি আদর্শ, একটি সংগ্রামের নাম। সেই নেত্রীর মৃত্যুদিনে দলের ভেতর থেকে নয়জন ত্যাগী নেতাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর প্রশ্ন ও বেদনার জন্ম দিয়েছে। বিষয়টি শুধু দুঃখজনক নয়, বরং দলীয় রাজনীতির নৈতিকতার জায়গা থেকে অত্যন্ত বিব্রতকর।
যেসব নেতারা গত ১৭ বছর রাজপথে থেকে মামলা-হামলা, নির্যাতন ও ত্যাগ স্বীকার করে দলের পতাকা আগলে রেখেছেন—তাঁদের বিরুদ্ধে এমন সিদ্ধান্ত কি এই শোকাবহ দিনে গ্রহণ করা প্রয়োজন ছিল? রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শৃঙ্খলার প্রশ্নে দল কঠোর হতেই পারে, তবে সময় ও প্রক্রিয়া বিবেচনায় সংবেদনশীলতা থাকা জরুরি ছিল।
একজন ত্যাগী নেতা তৈরি হতে যুগ লাগে, কিন্তু তাঁকে ভেঙে দিতে সময় লাগে মাত্র একটি সিদ্ধান্ত। ম্যাডামের দাফনের পর তাঁদের ডেকে এনে বোঝানো, সতর্ক করা কিংবা রাজনৈতিকভাবে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া যেত। এতে দল যেমন মর্যাদা রক্ষা করতে পারত, তেমনি ত্যাগীদের মনোবলও অটুট থাকত।
আজ বাস্তবতা হলো—এই ধরনের সিদ্ধান্ত তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি করছে। ত্যাগীরা যদি মনে করেন তাঁদের মূল্যায়ন নেই, তাহলে দলের কমান্ড মানতে অনীহা সৃষ্টি হওয়াই স্বাভাবিক। কারণ রাজনীতি কোনো আখেরাতের টিকিট নয়—দল না করলেও কেউ বেহেশতে যেতে পারবে না, এই বাস্তবতা এখন অনেকেই নতুন করে ভাবতে শুরু করেছেন।
এই বহিষ্কার শুধু নয়জন নেতাকে নয়, বরং দলের দীর্ঘদিনের ত্যাগের সংস্কৃতিকেই প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। যদি এই প্রবণতা চলতে থাকে, তবে এক সময় দল হারাবে তার সবচেয়ে বড় শক্তি—নিবেদিত ও পরীক্ষিত ত্যাগী নেতাকর্মীদের।
সম্পাদকীয় মতামত হলো—দলীয় শৃঙ্খলা অবশ্যই প্রয়োজন, কিন্তু তা প্রয়োগের ক্ষেত্রেও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, মানবিকতা ও সময়জ্ঞান অপরিহার্য। নতুবা ইতিহাস ক্ষমা করে না, আর ত্যাগীর অভিমান কখনোই ছোট করে দেখার সুযোগ নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com