1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৬:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য ‘শিশু স্বর্গ’ পাইলট প্রকল্প চালু, ১০ জেলায় শুরু জাতীয় প্রেসক্লাবে আগামী কাল এসএসপি কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন আন্তর্জাতিক থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে শাহ্ নেয়ামতুল্লাহ কলেজে সেমিনার অনুষ্ঠিত ​চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির সাঁড়াশি অভিযান ৪টি ভারতীয় গরু জব্দ সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন আর নেই আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে দেশব্যাপী কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিলহজ্জ মাসের ফজিলত ও ইবাদত! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী। খুলনার শিরোমণি বাজার বনিক সমিতির সভাপতির নামে ভুয়া, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত। ইউনূস সরকারের ব্যর্থতায় শিশু মৃত্যু বেড়েছে, অভিযোগ সিপিবির *ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসি’র ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা*

সোনা ও হীরা চোরাচালানে বছরে ৯১ হাজার কোটি টাকা পাচার: বাজুস

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৩ জুন, ২০২৪
  • ১৮১ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: সােনা ও হীরা চোরাচালানের মাধ্যমে বছরে ৯১ হাজার ২৫০ কোটি টাকার বেশি বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি (বাজুস)। চোরাকারবারিরা হুন্ডির মাধ্যমে এ টাকা বিদেশে পাচার করে থাকে।

সোমবার বাজুস কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় সংগঠনটি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাজুসের উপদেষ্টা রুহুল আমিন রাসেল, বাজুস কার্যনির্বাহী কামিটির সহ-সভাপতি ও বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন অ্যান-স্মাগলিং অ্যান্ড ল এনফোর্সমেন্টের চেয়ারম্যান মাে. রিপনুল হাসান, সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমান, কার্যানির্বাহী কমিটির সদস্য ও বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

মো. রিপনুল হাসান বলেন, প্রতিদিন দেশের জল, স্থল ও আকাশপথে কমপক্ষে প্রায় ২৫০ কোটি টাকার অবৈধ সোনার অলংকার, সোনার বার, ব্যবহৃত পুরোনাে জুয়েলারি (যা ভাঙারি হিসাবে বিবেচিত হয়) ও হীরার অলংকার (ডায়মন্ড জুয়েলারি) চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশে আসছে। ৩৬৫ দিন বা একবছর শেষে যার পরিমাণ প্রায় ৯১ হাজার ২৫০ কোাটি টাকার বেশি। প্রতিবেশি দেশ ভারতর সঙ্গে বাংলাদেশের ৩০টি জেলার সীমান্ত অবস্থিত। এর মধ্যে খুলনা বিভাগের ৬ জেলা মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াড়াঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর ও সাতক্ষীরা জেলা সোনা চোরাচালানের নিরাপদ রুট হয়ে উঠেছে। ভারতে পাচার হওয়া সােনার বড় একটি অংশ এসব জেলার সীমান্ত দিয়ে হয়ে থাকে।

বাজুসের প্রাথমিক ধারণা, প্রবাসী শ্রমিকদের রক্ত-ঘামে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার অপব্যবহার করে প্রতিদিন সারাদেশের জল, স্থল ও আকাশপথে কমপক্ষে প্রায় ২৫০ কোটি টাকার অবৈধ সোনার অলংকার, সোনার বার, ব্যবহৃত পুরোনা জুয়েলারি ও হীরার অলংকার চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশে আসছে। যা একবছর শেষে দাঁড়ায় প্রায় ৯১ হাজার ২৫০ কোাটি টাকা বা তার চেয়ে বেশি।

এর মধ্যে প্রতিদিন গড়ে ২২০ কোটি টাকার সোনা ও সোনার অলংকার এবং ৩০ কোটি টাকার হিরা ও হিরার অলংকার আসে। সে হিসাবে এক বছরে ৮০ হাজার ৩০০ কোটি টাকার সোনা ও ১০ হাজার ৯৫০ কোটি টাকার হীরা অবৈধভাবে আসছে। পুরো এই টাকা হুন্ডির মাধ্যমে সোনা ও হীরা চোরাকারবারিরা বিদেশে পাচার করে থাকে।

যার ফলে সরকার রেমিট্যান্স হারাচ্ছে এবং সোনা ও হীরা চোরাকারবারিরা বিদেশে পাচার করেন। চলমান ডলার সংকটে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার ও চোরাচালান বন্ধে সরকারকে উদ্যোগ নেয়ার দাবি জানায় বাজুস।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com