শেরপুর(বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার শেরপুর উপজেলার অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উপাসনালয় ছোনকা হাইস্কুল ও বাজার জামে মসজিদে পবিত্র রমজান মাসের শেষ জুম্মার নামাজে মুসল্লিদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। শুক্রবার (২০ মার্চ) জুম্মার নামাজকে কেন্দ্র করে মসজিদ প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকা পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত ঈমানি মিলনমেলায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রমজানের শেষ জুম্মা হওয়ায় সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা দলে দলে মসজিদে আসতে শুরু করেন। নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই মসজিদের ভেতরের স্থান পূর্ণ হয়ে যায়। পরে মুসল্লিরা মসজিদের বারান্দা, সিঁড়ি এবং আশপাশের খোলা জায়গায় কাতারবদ্ধ হয়ে নামাজ আদায় করেন।
জুম্মার নামাজে বয়স্ক, যুবক, কিশোর ও শিশু—সব বয়সী মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে তরুণ ও কিশোরদের উপস্থিতি ধর্মীয় চেতনার ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল।
নামাজ শেষে কয়েকজন মুসল্লি জানান, রমজানের শেষ জুম্মা মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ দিনে নামাজ আদায়ের ফজিলত ও গুরুত্ব বিবেচনায় তারা পরিবার-পরিজনসহ মসজিদে উপস্থিত হয়েছেন। তারা বলেন, “রমজান আমাদের আত্মশুদ্ধির মাস। শেষ জুম্মায় একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পেরে আল্লাহর কাছে বিশেষ দোয়া করার সুযোগ পাওয়া যায়।”
আরেক মুসল্লি বলেন, “ছোনকা জামে মসজিদ আমাদের এলাকার সবচেয়ে বড় মসজিদ। এখানে একসঙ্গে এত মানুষের নামাজ আদায় করা সত্যিই এক অনন্য দৃশ্য। এটি আমাদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্যকে আরও দৃঢ় করে।”
মসজিদ কর্তৃপক্ষ জানান, প্রতি বছরই রমজানের শেষ জুম্মায় এখানে মুসল্লিদের উপস্থিতি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। মুসল্লিদের সুবিধার্থে অজুখানা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তার বিষয়ে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
রমজানের শেষ জুম্মাকে কেন্দ্র করে ছোনকা এলাকার এই ধর্মীয় আবহ স্থানীয়দের মাঝে আধ্যাত্মিক অনুভূতি জাগিয়ে তোলে এবং সামগ্রিকভাবে এক শান্তিপূর্ণ পরিবেশের সৃষ্টি করে।