নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা-১৬ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল হক বলেছেন, ভোটের দিন যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকলেও বয়োবৃদ্ধ ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনা–নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত রিকশার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যাতে তারা নিরাপদে ভোট দিয়ে আবার বাড়ি ফিরতে পারেন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।
শুক্রবার নির্বাচনী প্রচারণার নবম দিনে মিরপুর ১১ নম্বর বাজার রোডে নাভানা ও তালতলা বস্তির সামনের এলাকায় গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আমিনুল হক বলেন, তাঁর নির্বাচনী এলাকায় প্রায় ১৩৭টি ভোটকেন্দ্র ও ৬৩টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্তদের স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সবার দায়িত্বশীল ভূমিকার মাধ্যমে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, ঢাকা-১৬ আসনে উর্দুভাষী জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ বসবাস করে, যাদের ভোটার সংখ্যা প্রায় ৭০ হাজার। ১৯৯১ সালে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া উর্দুভাষী জনগোষ্ঠীকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দিয়েছিলেন উল্লেখ করে আমিনুল হক বলেন, সে কারণেই এই জনগোষ্ঠীর সঙ্গে বিএনপির একটি ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে।
আমিনুল হক আরও বলেন, নির্বাচিত হলে উর্দুভাষী জনগোষ্ঠীর স্থায়ী পুনর্বাসন তাঁর অন্যতম অগ্রাধিকার হবে। ইতোমধ্যে তিনি তাদের এলাকায় গিয়ে কথা বলেছেন এবং সামর্থ্য অনুযায় সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করেছেন।
নির্বাচনী পরিবেশ সম্পর্কে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত এলাকায় পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তাঁরা ধৈর্য ও সহনশীলতার সঙ্গে প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গেও সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াতের একটি চক্র ঘরে ঘরে গিয়ে বিকাশ নম্বর ও এনআইডি নম্বর সংগ্রহ করে অর্থের বিনিময়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, আগাম ভোটে এনআইডির কোনো প্রয়োজন না থাকলেও কী উদ্দেশ্যে এসব তথ্য নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
আমিনুল হক জানান, বিষয়টি ইতোমধ্যে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে জানানো হয়েছে এবং রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হবে।