1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মধ্যপ্রাচ্য সংকট: যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, ‘পরাজয় স্বীকার না করলে আলোচনা নয়’—ইরান কৃষকের মুখে হাসি ছাড়া উন্নয়ন অসম্ভব: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে পারবামরামপুর ইউনিয়নবাসীকে সামাদ আকন্দের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘ভালো শ্রোতা’ ও ফলাফলমুখী—বললেন বিডা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী নামাজে উৎসাহিত করতে ৩১৭ শিশুকে সাইকেল উপহার ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর রংপুরে জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া ও ইফতার মাহফিল স্বচ্ছতার বার্তা না দায় এড়ানো? ‘স্বপ্ন’-এ তদন্ত কমিটি গঠন নিয়ে প্রশ্ন ঈদ সামনে রেখে ঢাকায় জোরদার নিরাপত্তা, সন্দেহজনক চলাফেরায় সতর্ক থাকার আহ্বান ডিএমপি’র চাঁদ দেখা নির্ভরতায় ঈদের দিন: প্রস্তুতিতে ব্যস্ত দেশ, সিদ্ধান্তে দৃষ্টি জাতীয় কমিটির দিকে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১১৫ বার দেখা হয়েছে

শোকের দিনে বহিষ্কার: দলীয় শৃঙ্খলা না কি ত্যাগীদের প্রতি অবিচার?
এস এম শাহ্ জালাল সাইফুল : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ইতিহাসে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন নেত্রী নন—তিনি একটি আদর্শ, একটি সংগ্রামের নাম। সেই নেত্রীর মৃত্যুদিনে দলের ভেতর থেকে নয়জন ত্যাগী নেতাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর প্রশ্ন ও বেদনার জন্ম দিয়েছে। বিষয়টি শুধু দুঃখজনক নয়, বরং দলীয় রাজনীতির নৈতিকতার জায়গা থেকে অত্যন্ত বিব্রতকর।
যেসব নেতারা গত ১৭ বছর রাজপথে থেকে মামলা-হামলা, নির্যাতন ও ত্যাগ স্বীকার করে দলের পতাকা আগলে রেখেছেন—তাঁদের বিরুদ্ধে এমন সিদ্ধান্ত কি এই শোকাবহ দিনে গ্রহণ করা প্রয়োজন ছিল? রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শৃঙ্খলার প্রশ্নে দল কঠোর হতেই পারে, তবে সময় ও প্রক্রিয়া বিবেচনায় সংবেদনশীলতা থাকা জরুরি ছিল।
একজন ত্যাগী নেতা তৈরি হতে যুগ লাগে, কিন্তু তাঁকে ভেঙে দিতে সময় লাগে মাত্র একটি সিদ্ধান্ত। ম্যাডামের দাফনের পর তাঁদের ডেকে এনে বোঝানো, সতর্ক করা কিংবা রাজনৈতিকভাবে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া যেত। এতে দল যেমন মর্যাদা রক্ষা করতে পারত, তেমনি ত্যাগীদের মনোবলও অটুট থাকত।
আজ বাস্তবতা হলো—এই ধরনের সিদ্ধান্ত তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি করছে। ত্যাগীরা যদি মনে করেন তাঁদের মূল্যায়ন নেই, তাহলে দলের কমান্ড মানতে অনীহা সৃষ্টি হওয়াই স্বাভাবিক। কারণ রাজনীতি কোনো আখেরাতের টিকিট নয়—দল না করলেও কেউ বেহেশতে যেতে পারবে না, এই বাস্তবতা এখন অনেকেই নতুন করে ভাবতে শুরু করেছেন।
এই বহিষ্কার শুধু নয়জন নেতাকে নয়, বরং দলের দীর্ঘদিনের ত্যাগের সংস্কৃতিকেই প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। যদি এই প্রবণতা চলতে থাকে, তবে এক সময় দল হারাবে তার সবচেয়ে বড় শক্তি—নিবেদিত ও পরীক্ষিত ত্যাগী নেতাকর্মীদের।
সম্পাদকীয় মতামত হলো—দলীয় শৃঙ্খলা অবশ্যই প্রয়োজন, কিন্তু তা প্রয়োগের ক্ষেত্রেও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, মানবিকতা ও সময়জ্ঞান অপরিহার্য। নতুবা ইতিহাস ক্ষমা করে না, আর ত্যাগীর অভিমান কখনোই ছোট করে দেখার সুযোগ নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com