1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৩:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ জনগণের বিশ্বাস: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান **“বিএনপির ভেতরে সুবিধাবাদীদের দৌরাত্ম্য: হাই কমান্ড না জাগলে অপেক্ষা করছে ভয়াবহ রাজনৈতিক পরিণতি”** অপরাধ চক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ব্যারিস্টার এম. সারোয়ার হোসেন রাত ১১টা পর্যন্ত চলতে পারে মেট্রোরেল, কমছে ট্রেনের ব্যবধান মির্জা আব্বাস শঙ্কামুক্ত, ঈদুল আজহার আগেই দেশে ফেরার সম্ভাবনা যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংঘাত থামাতে ১৪ দফা সমঝোতার পথে, চূড়ান্ত পর্যায়ে আলোচনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ চেক প্রতারণা মামলায় কারাগারে সেই শাহেদের বাবা সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণে যেতে চাননা বসুন্ধরার বাসিন্দারা বুড়িমারী সীমান্তে বিএসএফের ড্রোন বিধ্বস্ত, স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক

নীরবতা ভেঙে আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছে সোনারং জোড়া মঠ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৬৭ বার দেখা হয়েছে

মোহাম্মদ তিতুমীর বেপারী,(মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি ) :  দীর্ঘদিনের নীরবতা ভেঙে আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছে মুন্সিগঞ্জের টংগিবাড়ীর ঐতিহাসিক প্রত্ননিদর্শন সোনারং জোড়া মঠ।
এক সময়ের জরাজীর্ণ, ভগ্নপ্রায় অষ্টাদশ শতাব্দীর এই স্থাপনাটি এখন নতুন রূপে দর্শনার্থীদের স্বাগত জানাচ্ছে। সংস্কারের পর সোনারং মঠ যেন অতীতের গৌরবকে নতুনভাবে ধারণ করেছে আপন মহিমায়।
মঠ দু’টির গায়ে এখন সাদা ও পোড়ামাটির রঙের অনন্য সংমিশ্রণ। দেয়ালে ফুটে উঠেছে নানান নকশা ও কারুকার্য, যা মঠের স্থাপত্যে নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছে। চারপাশের সবুজ গাছপালার ছায়ায় এই স্থাপনাটি এখন আরও নান্দনিক হয়ে উঠেছে। ফলে প্রতিদিনই ভিড় জমাচ্ছেন দর্শনার্থীরা- কেউ ইতিহাস জানতে, কেউবা শুধুই সৌন্দর্য উপভোগে।
ইতিহাসে জোড়া মঠ হিসাবে পরিচিত লাভ করলেও মুলত এটি জোড়া মন্দির। মন্দিরের একটি প্রস্তর লিপি থেকে জানা যায় এলাকার রূপচন্দ্র নামে হিন্দু লোক বড় কালীমন্দিরটি ১৮৪৩ সালে ও ছোট মন্দিরটি ১৮৮৬ সালে নির্মাণ করেন। ছোট মন্দিরটি মূলত শিবমন্দির। বড় মন্দিরটির উচ্চতা প্রায় ১৫ মিটার।
উপাসনালয়ের সামনে বারান্দার দৈর্ঘ্য বড় মঠে ১.৯৪ মিটার, আর ছোট মঠে ১.৫ মিটার।
মঠের সামনে রয়েছে একটি বড় পুকুর, যা বড় মঠ নির্মাণের সময়ই খনন করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। এই পুকুর ও আশপাশের সবুজ পরিবেশ মঠের সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে তুলেছে। সংস্কারের পরও সংরক্ষিত রয়েছে মঠের প্রাচীন গঠন ও নকশা, যাতে স্পষ্ট ফুটে ওঠে সে সময়ের শিল্প ও স্থাপত্যরীতি।
প্রকৃতির সঙ্গে ইতিহাসের এক চমৎকার মিলন ঘটেছে এখানে। মঠের দেয়াল ও ছাদের বিভিন্ন অংশে টিয়া পাখির বাসা এবং তাদের কলরব যেন জীবন্ত করে তুলেছে নিস্তব্ধ অতীতকে।
মুন্সিগঞ্জ জেলার টংগিবাড়ী উপজেলার সোনারং গ্রামে অবস্থিত এই প্রত্ননিদর্শন শুধু ধর্মীয় স্থাপনা নয়, এটি বাংলার স্থাপত্য ঐতিহ্যের এক উজ্জ্বল নিদর্শন। সংস্কারের পর এখন সোনারং জোড়া মঠ হয়ে উঠেছে নতুন প্রজন্মের জন্য ইতিহাস জানার এক অনন্য ঠিকানা।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com