1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সাধারণ মানুষের সরব উপস্থিতিই বিএনপির শক্তির প্রমাণ: আমিনুল হক *কুমিল্লায় সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল পার্টনারস সামিট অনুষ্ঠিত* আমরা চাই আমাদের মা-বোনরা বিবি খাদিজার মত কর্মঠ হবে, কর্মজীবী হবে, ব্যবসা করবে ………..এম. জহির উদ্দিন স্বপন দীর্ঘ বিরতির অবসান: চট্টগ্রামে তারেক রহমান, বিএনপিতে নবউদ্দীপনা কুমিল্লায় তারেক রহমানের জনসভা: নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন গতি কুমিল্লা–২ (হোমনা–তিতাস) আসনে উন্নয়নমুখী প্রত্যাশা দেশ-বিদেশের ভোটারদের তালা মার্কায় ভোট চাইলেন আঃ মতিন খান আরাফাত রহমান কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বনানী কবরস্থানে তারেক রহমানসহ পরিবারের দোয়া আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ৩য় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত সাবেক আওয়ামী লীগ এমপি সুবেদ আলী ভূঁইয়ার পরিবার বিএনপিতে যোগদান ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির নির্বাচনী জনসভা: ভাষানটেকে শক্তি প্রদর্শন

দ্রব্যমূল্য ও সিন্ডিকেট নিয়ে সংসদে ক্ষোভ

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২ জুলাই, ২০২৪
  • ১৭৩ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: জাতীয় সংসদে ট্যারিফ কমিশনের এক বিল পাসের আলোচনায় বিরোধী দল ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও সিন্ডিকেট নিয়ে সমালোচনা করেছেন। সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যকে সহজলভ্য করা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব হলেও তা করার ক্ষমতা তাদের নেই বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) জাতীয় সংসদে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্বে আয়োজিত সংসদ অধিবেশনে অংশ নিয়ে ‘বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (সংশোধন) বিল-২০২৪’ পাসের আলোচনায় সংসদ সদস্যরা এসব কথা বলেন।

এ বিলে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের সচিব পদের নাম পরিবর্তন করে আইন সংশোধন করা হয়েছে। বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম বিলটি পাসের জন্য সংসদে উপস্থাপন করেন। এরপর বিলের ওপর আনা জনমত যাচাই, বাছাই ও সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি করে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। নতুন এ আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের সচিব পদের নাম হবে ‘পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ)’।

বিলের ওপর সংশোধন আলোচনায় বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ হচ্ছে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা। টিসিবি নামে একটা সংস্থা আছে যারা বাজারে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি করে। উপজেলা পর্যায়ে দেখেছি, একটা কার্ড দেওয়া হয়েছে, যার জন্য পাঁচ-ছয়টা পণ্য কিনতে হবে। অনেক মানুষ এটা নিতে পারে না। যার যেটা প্রয়োজন নেই সেটাও টিসিবির কাছ থেকে নিতে হবে। এই হচ্ছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ। এ আইনটি না এনে বাজার নিয়ন্ত্রণ করার কোনো আইন আনতেন, সিন্ডিকেট ভাঙার মতো কোনো আইন নিয়ে আসতেন, তাহলে মনে করতাম বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ভালো কোনো কাজ করছে। বিভিন্ন সময় তারা বাজার নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে। যখন তারা বাজারে যান তখন বাজারটা ঠিক থাকে। কিন্তু তারা চলে এলে আবার যে অবস্থায় ছিল সেই অবস্থায় চলে যায়। সিন্ডিকেট ভাঙা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের মতো ক্ষমতা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আছে বলে আমার মনে হয় না।

তিনি বলেন, ওষুধের দাম লাগামহীনভাবে বাড়ছে। কোম্পানিগুলো কোটি কোটি টাকা লাভ করে কোথায় নিয়ে যাবে জানি না। ওষুধ কোম্পানিগুলো শুল্ক ফাঁকি দিয়ে, কম শুল্ক দিয়ে কাঁচামাল নিয়ে আসে। কিন্তু আমাদের দেশে ওষুধের দাম বেশি। ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণ করা গেলে মানুষ সুচিকিৎসা পেত। আইন করে ক্যানসারের ওষুধের দাম, কিডনি চিকিৎসা কমাবার কথা বলা হচ্ছে; এ কোম্পানিগুলো কি বাইরের? এরা কি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি? এরা আমাদের দেশি মালিক, এদের কি বিবেক নেই? কত শতাংশ লাভ করছে? এরা ১০০ শতাংশ লাভ করে! যারা দোকানে বিক্রি করে ৩০-৪০ শতাংশ কর দেয়। অনেক ওষুধের মধ্যে দাম লেখা থাকে না। সেজন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করবো বাজার নিয়ন্ত্রণ করুন।

এ সংসদ সদস্য আরও বলেন, মানুষের যে হাহাকার অবস্থা, আওয়ামী লীগের এত উন্নয়ন ও অর্জনের পরেও বাজার নিয়ন্ত্রণ না করায় সরকার বিপদের মধ্যে আছে।

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পঙ্কজ নাথ বলেন, বিলটিতে জনগণের স্বার্থ নেই। এখানে শুধু শব্দের পরিবর্তন। জনগণের স্বার্থ তখনই থাকতো, যখন ট্যারিফ কমিশনের মাধ্যমে ভোগ্যপণ্য, নিত্যপণ্যের দাম নির্ধারণ, বাজারে পণ্যের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা, আমদানি ও উৎপাদন সমন্বয় করে মানুষের কাছে সহজে পৌঁছানো এবং সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে গরিব মানুষের কাছে নিত্যপণ্যকে সহজলভ্য করা যেতো।

তিনি বলেন, এখানে সরকারকে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে ট্যারিফ কমিশনের সচিবের পদের নাম পরিবর্তনের, গতকালও আমরা ইউনিয়ন পরিষদে ‘সচিব’ শব্দ বাদ দিয়ে কর্মকর্তা লিখলাম। একটা কাজ করা যায়, সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পয়সা খরচ না করে একটি প্রশাসনিক আদেশ বলে এই কাজ শেষ করা যায়।

মন্ত্রীর উদ্দেশে পঙ্কজ নাথ বলেন, যেখানে জনগণের স্বার্থ নেই, একটা মাত্র সচিবের পদ থেকে ‘কর্মকর্তা’ শব্দের পরিবর্তন করার জন্য সংসদের সাড়ে তিনশ এমপিকে ডেকে এনে, প্রধানমন্ত্রীকে সামনে রেখে শব্দ পরিবর্তন করা অর্থের অপচয়।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com