1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
এনসিপির প্রথম ধাপে ১০০ প্রার্থী ঘোষণা, দ্বিতীয় তালিকা ২০ মে ফেনীর ১২০ কিলোমিটার সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় ৪ বিজিবি জাতীয় বাজেট ২০২৬–২৭ সামনে রেখে কর কমানো ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের আহ্বান জেবিসিসিআই’র খাগড়াছড়িতে বসতবাড়ি ও বাগানের গাছ কাটার অভিযোগে মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভুয়া ওয়ারিশ সনদে নামজারির চেষ্টা একজনের কারাদণ্ড পদ্মের মালায়- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৬ তম জন্মোৎসব পালিত হলো। বসুন্ধরাকে সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার তোড়জোড়ে আপত্তি গোলাম মাওলা রনির *শিক্ষা ও জীবনের সহায়তায় সামিয়ার হাতে চেক তুলে দিল স্বপ্ন* সাগরে হারিয়ে যাওয়া জেলে ফিরলেন ৫৪ বছর পর 🏏 টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা: দলে নতুন মুখ তাজ নেহার, বাদ শারমিন সুলতানা

বিষধর হলেও তেড়ে কামড়ায় না রাসেলস ভাইপার

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ২১ জুন, ২০২৪
  • ১৬৬ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: রাসেলস ভাইপার। এ যেন এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম। এটা একটা প্রায় বিলুপ্ত বিষধর সাপ, যা হঠাৎই বংশবিস্তার শুরু করেছে বলে নিত্যদিনের খবরে জানা যাচ্ছে। কিন্তু প্রাণিবিজ্ঞানীরা বলছেন, আগে নিশ্চিত করে জানুন— আসলেই রাসেলস ভাইপার এভাবে ধেয়ে আসছে চারপাশে, নাকি কানে কানে শুনে শুনে ছড়িয়ে পড়ছে চারপাশে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একদিকে আতঙ্কে মাঠে যেতে ভয় পাচ্ছেন কৃষক, আরেকদিকে যেখানে সাপ দেখা যাচ্ছে, তার জাত না জেনেই মেরে ফেলা হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সবাইকে সতর্ক থেকে বিষয়টি পর্যবেক্ষণের সুযোগ করে দেওয়ার কথা বলছেন প্রাণিবিজ্ঞানীরা। তবে, ইতোমধ্যে কৃষকদের ভয় দূর করতে হাঁটু পর্যন্ত বুট পরার পরামর্শ দেওয়া থেকে শুরু করে বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।

পরিবেশবাদীরা বলছেন, সাপের অ্যান্টিভেনম যদি নিশ্চিত করা যায়, তাহলে মৃত্যু ঠেকানো যাবে। এই সাপ বিষধর কিন্তু তেড়ে এসে কাউকে কামড়ায় না। সতর্ক থাকলে সাপও বাঁচবে, মানুষও বাঁচবে। না বুঝে সব সাপ মেরে ফেললে বাস্তুসংস্থানের ওপর চাপ পড়বে। সেটা দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির কারণ হবে।

রাজশাহীর কাঁকন হাটের এক কৃষককে জিজ্ঞেস করা হয়— রাসেলস ভাইপার সাপ দেখেছেন নাকি? জবাবে তিনি বলেন, আমি দেখিনি, কিন্তু আমার ভায়রা ভাই দেখেছে। সেই ভায়রা ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সাপটা একটু অন্যরকম দেখতে। এই সাপকে আমরা ‘চন্দ্রবোড়া’ বলি। কিন্তু আমি শিওর না। এলাকার লোক মেরে ফেলার পরে আমি শুনেছি।

এই সাপ নিয়ে আতঙ্ক না ছড়িয়ে করণীয় কী জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক ড. মোহাম্মদ ফিরোজ জামান গণমাধ্যমকে বলেন, এটা বিষধর সাপ। এরা সাধারণত কৃষি জমিতে ইদুর, ব্যাঙ, কীট-পতঙ্গ অন্যান্য প্রাণী খেয়ে থাকে। না চিনে ভীতি থেকে যেনতেন সাপ মেরে ফেললে খাদ্য-শিকলে প্রভাব পড়বে। সাধারণত সব সাপ ইঁদুর খায় না, এরা খায়। ইঁদুর বেড়ে গেলে সেটা জীবনযাত্রাকে কী পরিমাণ ব্যাহত করবে, তার ধারণাও আমাদের নেই। ফলে গণমাধ্যমে আতঙ্ক না ছড়িয়ে, এই সময়ে সচেতনতামূলক কথাবার্তা যেন বলা হয়, সে ব্যবস্থা করতে হবে।

তিনি বলেন, সবার চেনানো দরকার সাপটা দেখতে কেমন। এটার সঙ্গে অজগর, স্যান্ডবোয়ারের মিল আছে। কিন্তু একটু খেয়াল করলেই গায়ের গোল গোল রিং এর ভিন্নতা চোখে পড়বে। রাসেলস ভাইপার বা চন্দ্রবোড়ার গায়ে চাকা গোল গোল চিহ্নগুলো আলাদা আলাদা। অজগরের চাকা গোল গোলগুলো নেটের মতো, একটার সঙ্গে আরেকটা লাগানো। চিনে রাখুন, ভয়ের কিছু নেই্। এই সাপ দৌড়ে তাড়া করে না, বাসায় এসে কামড়াবে না।

এই সাপ কি হঠাৎই বেড়ে গেলো প্রশ্নে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ নঈম গওহার ওয়ারা গণমাধ্যমকে বলেন, ২০০০ সালের আগে তেমন একটা দেখা যেতো না। এটা বন্যার মাধ্যমে ভারত থেকে এসে থাকতে পারে। এই মুহূর্তে সাপের পরিমাণ নির্ধারণ ও অ্যান্টিভেনম নিশ্চিত করার দিকে মনোযোগ দিতে হবে।

তিনি বলেন, এমনিতে সাপ দেখলেই আমাদের এখানে পিটিয়ে মেরে ফেলার চল আছে। সেটাতো বাস্তুসংস্থানকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। বেজি, গুইসাপ দেখলেই উল্লাসে মেরে ফেলেছি, সেই বেজি সাপ খেয়ে সহায়তা করতো। এসব আমাদের পাঠ্যসূচিতে আছে, কিন্তু দৈনন্দিন জীবনে এটাকে আমরা কেউ মনে রাখি না।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণা প্রবন্ধে বলা হয়, বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় স্বল্প সংখ্যক রাসেলস ভাইপার সবসময়ই ছিল। কিন্তু বংশবিস্তারের মতো পরিবেশ ও পর্যাপ্ত খাদ্য বেড়ে যাওয়া, পদ্মা অববাহিকার মাধ্যমে সেই বেল্ট ধরে এটি সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এরজন্য একই জমিতে বছরে তিন ফসল উৎপাদনও অন্যতম কারণ বলে উল্লেখ করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com