1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নির্বাচনী প্রচার ও পোস্টার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে- তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে ঝামেলা ঈদের দিনে কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশের জুডোকারদের দারুণ সাফল্য, জোড়া স্বর্ণসহ ৩ পদক জুলাই সনদ বাস্তবায়নে রাজনৈতিক সদিচ্ছার তাগিদ, সরকারের কর্মকাণ্ডে ‘আরও পর্যবেক্ষণ’ চায় এনসিপি কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে বাস-ট্রেন সংঘর্ষ: ১২ মৃত্যু, তিন তদন্ত কমিটি গঠন, দুই গেটম্যান বরখাস্ত ঈদে সাংবাদিকদের সঙ্গে ফোনে শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী নিয়ে তৃণমূলে তুমুল আলোচনা, এগিয়ে কারা? দাউদকান্দিতে ছাত্রদল নেতার ব্যতিক্রমী ঈদ আয়োজন, হাজারো মানুষের অংশগ্রহণ ঈদি-সালামির ইতিহাস, ঐতিহ্য ও ভালোবাসার ভাষা উপহারের ছোট্ট খামে লুকিয়ে থাকে ঈদের বড় আনন্দ আবারও নাতানজে হামলা, ইরানের দাবি—যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ আঘাত ইসলামে ঈদের সূচনা: মদিনা থেকে বাংলার জনজীবনে, কীভাবে ঈদ হয়ে উঠল সবচেয়ে বড় উৎসব

‘আব্বা আমাগো গরু কিনবা কবে’?

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৯ জুলাই, ২০২২
  • ৫৪৬ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক : ‘আব্বা আমাগো গরু কিনবা কবে! কতদিন গোশত খাই না। এবার পেট ভরে গোশত দিয়া ভাত খামু।’ বাবা মায়ের কাছে এমন বায়না ৫ বছর বয়সের রিতু মনির। চা বিক্রেতা মিনহাজ উদ্দিনের মেয়ে সে।

বাবা-মায়ের সঙ্গে ঠাঁই হয়েছে সাগরদীঘি আশ্রয়ণ প্রকল্পে।

মিনহাজ উদ্দিন দিনমজুরি করেন। পাশাপাশি ফুটপাতে চা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। পূর্বে তাদের থাকার ঘর ছিল না। এখন প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহারের ঘরে মাথাগোঁজার ঠাঁই হয়েছে।

কেমন কাটবে কুরবানির ঈদ আনন্দ? এমন প্রশ্নে মিনহাজ উদ্দিনের স্ত্রী হাজেরা জানান, আগে আমাদের থাকার জায়গা ছিল না, প্রধানমন্ত্রী এখন ঘর করে দিয়েছেন। এতে আমরা খুশি।

আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, ‘আগে এলাকায় সমাজ থেইকা গোশত দিত। এইবার এইহানে (আশ্রয়ণের ঘরে) আইছি বইলা সমাজের লোক আমাগো বাদ দিছে। এইবার গোশত পামু না।’

আশ্রয়ণ প্রকল্পে এমন হাজারও রিতু মনি রয়েছে। তাদের মাঝে নেই কুরবানির আনন্দ। হতাশা আর দুশ্চিন্তায় তাদের দিন কাটছে। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় এবার মাংস পাচ্ছে না কোনো পরিবারই।

ঘাটাইল উপজেলার সাগরদীঘি জালালপুর এলাকার আশ্রয়ণে আকবর, সুজন, হেলেনা, মমতা ও কহিনূরসহ থাকেন ২২টি পরিবার। তাদের মাঝে কুরবানির ঈদকে ঘিরে কোনো আমেজ নেই। বরং একবুক কষ্ট নিয়েই দিনটি পার করবেন বলে জানান তারা।

বৃদ্ধ আকবর আলীর দাবি, কোনো বিত্তশালী যদি আশ্রয়ণে তাদের জন্য কুরবানির পশুর ব্যবস্থা করতেন। ছেলেমেয়ে নিয়ে শান্তিতে একবেলা দুমুঠো খেয়ে দোয়া করতেন। ঈদ তাদের শান্তির নিঃশ্বাস বয়ে আনত।

এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান হেকমত সিকদার বলেন, কুরবানির ঈদে যারা আশপাশের সমাজে আছেন তারা মাংস পাবেন। তাছাড়া আমি বাড়ির কাছের লোকজনকে ব্যক্তিগতভাবে দেব।

এ বিষয়ে ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনিয়া চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সূ্ত্র : যুগান্তর

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com