1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
দাউদকান্দিতে ছাত্রদল নেতার ব্যতিক্রমী ঈদ আয়োজন, হাজারো মানুষের অংশগ্রহণ ঈদি-সালামির ইতিহাস, ঐতিহ্য ও ভালোবাসার ভাষা উপহারের ছোট্ট খামে লুকিয়ে থাকে ঈদের বড় আনন্দ আবারও নাতানজে হামলা, ইরানের দাবি—যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ আঘাত ইসলামে ঈদের সূচনা: মদিনা থেকে বাংলার জনজীবনে, কীভাবে ঈদ হয়ে উঠল সবচেয়ে বড় উৎসব ঈদের সকালেও তেহরানে ভয়াবহ হামলা, পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান যমুনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন ড. ইউনূস দাউদকান্দির প্রধান ঈদ জামাতে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সম্প্রীতি-সংহতি ও জনসম্পৃক্ত রাজনীতির বার্তা জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর একসঙ্গে ঈদ জামাত, ৩৫ বছর পর পুরুষ প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ মিরপুরে ঈদের জামাতে ডা. শফিকুর রহমান, ঐক্যবদ্ধ হয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জাতীয় ঈদগাহে এক কাতারে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী: ঈদের জামাতে ধর্মীয় সম্প্রীতির সঙ্গে মিলল রাজনৈতিক বার্তা

শেষটা রাঙানো হল না জয়ে

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২৭৯ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক : সিরিজ জয় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল আগেই। সুযোগ ছিল শেষটাও জয়ে রাঙিয়ে উৎসব করার। সেটা আর হলো না। মিরপুরে পঞ্চম ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে টাইগারদের ২৮ রানে হারিয়ে ৩-২ ব্যবধানে সিরিজ শেষ করেছে নিউজিল্যান্ড।

১৬২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা অত খারাপ ছিল না বাংলাদেশের। নাইম শেখ আর লিটন দাস বল সমান উদ্বোধনী জুটিতে তোলেন ২৬ রান। ধীরগতির লিটন কিউই স্পিনার অ্যাজাজ প্যাটেলের শিকার হলে ভাঙে এই জুটি। তারপরই বেশ কয়েকটি উইকেট হারিয়ে ফেলে স্বাগতিকরা।

তামিম ইকবাল নেই, টপঅর্ডারে লিটন দাস আর সৌম্য সরকারের ওপর ভরসা করতে হবে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও। কিন্তু দুজন অফফর্ম থেকে বেরই হতে পারছেন না।

লিটন দাস টানা তৃতীয় ম্যাচে আউট হয়েছেন বিশের নিচে। আজ করেছেন ১২ বলে ১০। সৌম্য অবশ্য নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে আগের চার ম্যাচে সুযোগ পাননি। আজই একাদশে এসেছেন।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচে করেছিলেন মাত্র ২৮ রান। এবার সুযোগ পেয়ে ৯ বলে ৪ করে সাজঘরের পথ ধরেছেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। কোল ম্যাকঞ্চির বলে কাট করতে গিয়ে রবিন্দ্রর ক্যাচ হন সৌম্য।

এর পরের ওভারেই সাজঘরের পথ ধরেন মোটামুটি ধারাবাহিক নাইম শেখও (২১ বলে ২৩)। বেন সিয়ার্সের ১৪৭ কিলোমিটার গতির ডেলিভারিতে ব্যাট ছুঁইয়ে উইকেটরক্ষকের ক্যাচ হন বাঁহাতি এই ওপেনার।

‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’খ্যাত মুশফিকুর রহীম হাল ধরবেন কি, উল্টো দলের বিপদ বাড়ান উচ্চাভিলাষী এক শটে। রবিন্দ্রকে লংঅফে তুলে মারতে গিয়ে ক্যাচ তিনি (৮ বলে ৩)। ৪৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে টাইগাররা।

সেখান থেকে আশার আলো জ্বালেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আর আফিফ হোসেন ধ্রুব। পঞ্চম উইকেটে দারুণ ব্যাটিংয়ে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন তারা। জয়ের সম্ভাবনা ভালোভাবেই জেগেছিল এই জুটিতে।

২৫ বলে জয়ের জন্য দরকার তখন ৫৩ রান, এমন সময়ে আউট হয়ে যান মাহমুদউল্লাহ। কাগেলেইনকে ডিপ কভার দিয়ে ছক্কা হাঁকানোর চেষ্টায় বাউন্ডারিতে ক্যাচ হন টাইগার দলপতি, ২১ বলে একটি করে চার-ছক্কায় করেন ২৩ রান।

মাহমুদউল্লাহর আউটে ভাঙে ৪২ বলে ৬৫ রানের ঝড়ো জুটিটি, যে জুটিতে আসল অবদান ছিল আফিফেরই। একদম টি-টোয়েন্টি মেজাজেই খেলেছেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। কিন্তু সঙ্গী পাননি।

নুরুল হাসান সোহান (৪), শামীম হোসেন পাটোয়ারীরা (২) উইকেটে এসেছেন আর দেখে চলে গেছেন। ফলে আশা জাগিয়েও আর জয় ছোঁয়া হয়নি টাইগারদের।

আফিফ শেষ পর্যন্ত অপরাজিতই থেকে যান। মাত্র এক রানের জন্য হাফসেঞ্চুরিটা করতে পারেননি। ৩৩ বলে ২ চার আর ৩ ছক্কায় আফিফ অপরাজিত থাকেন ৪৯ রানে।

এর আগে টম ল্যাথামের হাফসেঞ্চুরি আর ফিন অ্যালেনের ৪১ রানের ঝড়ো ইনিংসে ভর করে ৫ উইকেটে ১৬১ রানের লড়াকু সংগ্রহ পায় নিউজিল্যান্ড।

শেরে বাংলায় আবারও টসভাগ্য ছিল সফরকারিদের পক্ষে। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথাম। উদ্বোধনী জুটিতে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন রাচিন রবিন্দ্র আর ফিন অ্যালেন।

মূল ভূমিকাটা অ্যালেনেরই। চার-ছক্কায় মাঠ গরম করে রাখছিলেন তিনি, রবিন্দ্র শুধু সঙ্গ দিয়ে যাচ্ছিলেন। শেষ পর্যন্ত তাদের ৩৪ বলে ৫৮ রানের ঝড়ো জুটিটি ভাঙেন শরিফুল ইসলাম, ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে।

শরিফুলকে তুলে মারতে গিয়ে বল আকাশে ভাসিয়ে দেন রবিন্দ্র (১২ বলে ১৭)। মিডঅফ থেকে দৌড়ে এসে দারুণ এক ক্যাচ নেন মুশফিকুর রহীম। ওই ওভারেই এক বল বিরতি দিয়ে ভয়ংকর অ্যালেনকেও তুলে নেন শরিফুল।

বাঁহাতি এই পেসারের দারুণ এক ডেলিভারিতে পেছনের স্ট্যাম্প উম্মুক্ত করে বোল্ড হন অ্যালেন। ২৪ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ৩ ছক্কায় কিউই ওপেনার করেন ৪১ রান। সেই ধাক্কাটাই কাজে দিয়েছে।

এরপর দ্রুত আরও দুটি উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। আফিফ হোসেনের ঘূর্ণিতে উইকেটরক্ষকের ক্যাচ হন উইল ইয়ং (৬)। আরও একবার ব্যর্থ কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম।

সিরিজে চতুর্থবারের মতো নাসুম আহমেদের শিকার হন গ্র্যান্ডহোম (৯)। এবারও বল আকাশে ভাসিয়ে মারতে চেয়েছিলেন। মিডঅফে দৌড়ে এসে ক্যাচ নেন শামীম হোসেন পাটোয়ারী। ৮৩ রানে ৪ উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড।

তাতে কিউইদের রানের গতি স্লথ হয়ে পড়ে। ১১ থেকে ১৪-চার ওভারে সফরকারিরা তুলতে পারে মাত্র ১৫ রান। টম ল্যাথাম আর হেনির নিকোলস চালিয়ে খেলার বদলে ধরে খেলায় মনোযোগ দেন।

তাদের ৩৪ বলে ৩৫ রানের জুটিটি ইনিংসের ১৭তম ওভারে ভাঙেন তাসকিন। এই উইকেট শিকারে অবশ্য কিপার নুরুল হাসান সোহানেরও অবদান কম নয়। তাসকিনের ওয়াইড ইয়র্কারে ব্যাট চালিয়েছিলেন নিকোলস (২১ বলে ২১), ঝাঁপিয়ে পড়ে দুর্দান্ত এক ক্যাচ নেন সোহান।

তবে শেষদিকে ২১ বলে ৪৩ রানের ঝড়ো জুটিতে দলকে চ্যালেঞ্জিং পুঁজি এনে দিয়েছেন কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথাম আর কোল ম্যাকঞ্চি। ল্যাথাম ৩৭ বলে দুটি করে চার-ছক্কায় ৫০ আর ম্যাকঞ্চি ১০ বলে ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন।

বাংলাদেশের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন শরিফুল। তবে ২ উইকেট নিলেও ৪ ওভারে ৪৮ রান খরচ করেন বাঁহাতি এই পেসার।

তাসকিন ৪ ওভারে ৩৪, নাসুম ৩ ওভারে ২৫ আর আফিফ ৩ ওভারে ১৮ রান দিয়ে নেন একটি করে উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

নিউজিল্যান্ড: ২০ ওভারে ১৬১/৫ (টম ল্যাথাম ৫০*, ফিন অ্যালান ৪১, হ্যানরি নিকোলস ২০, ম্যাককলিন ১৭*, রাচিন রবীন্দ্র ১৭; শরিফুল ২/৪৮)।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com