1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৩:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ডিজিটাল ভূমি সেবায় স্বস্তি: দালালমুক্ত হচ্ছে খতিয়ান, নামজারি ও খাজনা প্রক্রিয়া খাগড়াছড়িতে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের মানববন্ধন: মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবি ১৩১টি ফ্লাইটে সৌদি পৌঁছেছেন ৫১ হাজারের বেশি হজযাত্রী, শেষ ফ্লাইট ২১ মে ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ ও প্রকাশ বন্ধে হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায়, ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির নির্দেশ ঢাবির সহকারী প্রক্টর পদ ছাড়লেন শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি), একই দিনে পদত্যাগ প্রক্টর সাইফুদ্দীনের এনসিপির প্রথম ধাপে ১০০ প্রার্থী ঘোষণা, দ্বিতীয় তালিকা ২০ মে ফেনীর ১২০ কিলোমিটার সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় ৪ বিজিবি জাতীয় বাজেট ২০২৬–২৭ সামনে রেখে কর কমানো ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের আহ্বান জেবিসিসিআই’র খাগড়াছড়িতে বসতবাড়ি ও বাগানের গাছ কাটার অভিযোগে মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভুয়া ওয়ারিশ সনদে নামজারির চেষ্টা একজনের কারাদণ্ড

ডিজিটাল ভূমি সেবায় স্বস্তি: দালালমুক্ত হচ্ছে খতিয়ান, নামজারি ও খাজনা প্রক্রিয়া

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
  • ৩৮ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : ডিজিটাল প্রযুক্তির বিস্তারে দেশে ভূমি সেবায় এসেছে বড় পরিবর্তন। খতিয়ান তোলা, নামজারি (মিউটেশন) ও ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধ—যে প্রক্রিয়াগুলো একসময় ছিল জটিল, সময়সাপেক্ষ ও দালালনির্ভর, এখন তা সহজেই পাওয়া যাচ্ছে অনলাইনে। ফলে কমছে ভোগান্তি, বাড়ছে স্বচ্ছতা এবং হ্রাস পাচ্ছে দুর্নীতি।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, অটোমেশন চালুর ফলে নাগরিকরা এখন ঘরে বসেই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বেশিরভাগ ভূমি সেবা নিতে পারছেন। এতে সরাসরি ভূমি অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন অনেকাংশে কমেছে।
বর্তমানে অনলাইনে নামজারি আবেদন, ই-নামজারি নিষ্পত্তি, খাজনা পরিশোধ, খতিয়ান ও মৌজা ম্যাপ সংগ্রহসহ বিভিন্ন সেবা পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিটি ধাপে এসএমএস নোটিফিকেশন থাকায় আবেদনকারীরা সহজেই অগ্রগতি জানতে পারছেন।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে প্রায় ১ কোটির বেশি ই-নামজারি আবেদন নিষ্পত্তি হয়েছে এবং প্রতিবছর ৪০–৫০ লাখ মানুষ অনলাইনে খাজনা পরিশোধ করছেন। এতে প্রবাসীরাও বিদেশে বসে সহজেই নিজেদের জমির কর পরিশোধ করতে পারছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজিটাল সেবার কারণে নির্ধারিত ফি ও সময়সীমা স্পষ্ট হওয়ায় দালালচক্রের প্রভাব কমছে। পাশাপাশি ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থায় কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতাও বেড়েছে।
ভূমি মন্ত্রণালয় ভবিষ্যতে একটি সমন্বিত ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির কাজ করছে, যেখানে দেশের সব ভূমি রেকর্ড, খতিয়ান ও মৌজা ম্যাপ সংরক্ষণ করা হবে। এছাড়া জিআইএস প্রযুক্তির মাধ্যমে মানচিত্রভিত্তিক জমির তথ্য প্রদর্শন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে জাল কাগজপত্র শনাক্তের পরিকল্পনাও রয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের আশা, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও মামলা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে এবং ভূমি সেবায় পুরোপুরি স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com