1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ঢাকা ট্যাক্সেস বার নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের পূর্ণ জয় নোয়াখালীতে প্রকাশ্য জুয়ার আসরে ডিবির অভিযান, গ্রেপ্তার ৩ আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে,তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সায়ন্তিকা ব্যানার্জীর সমর্থনে বিশাল পথসভা। অবশেষে শিশু ধর্ষণকারী সাবেক বিজিবি সদস্য আব্দুল মান্নান র‍্যাব এর অভিযানে গ্রেফতার: যুক্তরাজ্যের RAF Fairford ঘাঁটিতে আগুন, হতাহতের ঘটনা নেই ওয়াশিংটন ডিসিতে নৈশভোজে গুলির শব্দ, নিরাপদে সরানো হলো ডোনাল্ড ট্রাম্প উলাশি খালের পুনঃখনন শুরু হচ্ছে কাল, জাগছে ৫০ বছরের পুরোনো ইতিহাস বালু নদের কেওঢালা সেতু নির্মাণ কাজের উদ্বোধন সংরক্ষিত নারী আসনে তরুণ নেতৃত্বের উত্থান: ছাত্ররাজনীতি থেকে সংসদে মানসুরা আক্তার মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা: ইরানের কূটনৈতিক তৎপরতা, মিশর-তুরস্কের সঙ্গে ফোনালাপ

Bangladesh Rifles mutiny স্মরণে প্রধানমন্ত্রীর শপথের আহ্বান ‘ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে’

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩৩ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ আজ জনগণের কাছে অনেকটাই বোধগম্য। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব ও সার্বভৌম মর্যাদার প্রতীক—এই শক্তিকে দুর্বল করার যেকোনো অপচেষ্টা জাতির অস্তিত্বের ওপর আঘাত।
আগামীকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় শহীদ সেনা দিবস। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারির সেই বিভীষিকাময় দিনকে, যখন বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় নারকীয় হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শহীদ হন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়নি; তবে ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সহমর্মিতা জানান। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া চলমান থাকায় বিচারাধীন বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করা সমীচীন নয়। তবে নাগরিক সচেতনতার প্রশ্নে তিনি ইঙ্গিত দেন—এই নৃশংস ঘটনার পেছনে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা সক্রিয় ছিল, যা ইতিহাসের নির্মোহ বিশ্লেষণে ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
বাণীতে তিনি আরও বলেন, পিলখানা ট্র্যাজেডির পর নানা মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচারের মাধ্যমে জনমত বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে সত্য উদঘাটন ও জাতীয় ঐক্য রক্ষা আজ সময়ের দাবি।
সম্পাদকীয় পর্যবেক্ষণে বলা যায়, জাতীয় নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার ভিত মজবুত রাখতে হলে সশস্ত্র বাহিনীর মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখা এবং ষড়যন্ত্র-অপতৎপরতার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তোলা অপরিহার্য। শহীদ সেনা দিবস কেবল শোকের নয়—এটি রাষ্ট্রীয় আত্মসমালোচনা, সতর্কতা ও নতুন অঙ্গীকারের দিন।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যের শেষাংশে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে। “এই হোক শহীদ সেনা দিবসের অঙ্গীকার”—এ আহ্বানের মধ্য দিয়েই তিনি জাতিকে নতুন করে শপথে বলীয়ান হওয়ার ডাক দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com