1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৭:১০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আবারও নাতানজে হামলা, ইরানের দাবি—যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ আঘাত ইসলামে ঈদের সূচনা: মদিনা থেকে বাংলার জনজীবনে, কীভাবে ঈদ হয়ে উঠল সবচেয়ে বড় উৎসব ঈদের সকালেও তেহরানে ভয়াবহ হামলা, পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান যমুনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন ড. ইউনূস দাউদকান্দির প্রধান ঈদ জামাতে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সম্প্রীতি-সংহতি ও জনসম্পৃক্ত রাজনীতির বার্তা জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর একসঙ্গে ঈদ জামাত, ৩৫ বছর পর পুরুষ প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ মিরপুরে ঈদের জামাতে ডা. শফিকুর রহমান, ঐক্যবদ্ধ হয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জাতীয় ঈদগাহে এক কাতারে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী: ঈদের জামাতে ধর্মীয় সম্প্রীতির সঙ্গে মিলল রাজনৈতিক বার্তা দেশের আকাশে শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেছে, আজ শনিবার দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন টুঙ্গিপাড়ায় ভূয়া সাংবাদিকের চাঁদাবাজির অভিযোগ, অসহায় পরিবারে আতঙ্ক

হলে একটা সিটের জন্য কেন দাসত্বের জিন্দেগি বেছে নিতে হবে: সমন্বয়ক আব্দুল কাদেরের প্রশ্ন

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৬৮ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর হলে সিটের জন্য কেন ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের কাছে শিক্ষার্থীদের জিম্মি হয়ে থাকতে হবে সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল কাদের।

শুক্রবার দিনগত রাতে নিজের ফেসবুকে আইডিতে এ সংক্রান্ত একটি স্ট্যাটাস দেন তিনি। সেখানে আব্দুল কাদের লেখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিভাগ শিক্ষার্থীই আমার মতো নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসে। অনেক স্বপ্ন নিয়ে ঢাবিতে আসে, সেই স্বপ্নগুলো গণরুমে পচতে থাকে। একটা সিটের জন্য ক্ষমতাসীন দলের কাছে জিম্মি হয়ে থাকা লাগে, তাদের হুকুমের গোলাম হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় জীবন পার করে দিতে হয়।

ঢাবির হল জীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তিনি বলেন, আমার অপরাধটা কোথায়? আমি গরিব ঘরের সন্তান, সেটা আমার অপরাধ নাকি ঢাবিতে চান্স পাওয়া আমার অপরাধ? আমাকে কেন একটা সিটের জন্য দাসত্বের জিন্দেগি বেছে নিতে হবে!

হল প্রশাসনের উদ্দেশে তিনি লেখেন, আমাদের দেখভালের দায়িত্বে থাকা শিক্ষকরা দায়-দায়িত্বের তোয়াক্কা না করে ক্ষমতাসীন দলের পাহারাদার হিসেবে কাজ করতেন, যেটা খুবই লজ্জাজনক ও বেদনাদায়ক।

এই সমন্বয়ক আরও বলেন, চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে যে প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠিত হয়েছে, যারা দায়িত্ব পেয়েছেন, তারা যেন শহিদ-আহতদের ত্যাগের কথা স্মরণ করে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন, শহিদদের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করেন, নিপীড়ন-নির্যাতন, দখলদারমুক্ত পরিবেশ তৈরি করেন।

‘এত এত শহিদের আত্মত্যাগের পরও আগামীতে কোনো শিক্ষার্থীর যেন আফসোস করে বলতে না হয়, “আমার ঢাবিতে চান্স পাওয়া অপরাধ নাকি গরিব ঘরের সন্তান হওয়া!” আজকে আমার হলের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের কাছে এই দাবিটা জানিয়ে আসলাম’।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com