স্টাফ রিপোর্টার | ঢাকা | ২ জুন ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মামলার বাদী ও নিহত শিশুর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের সর্বোচ্চ শাস্তি তথা মৃত্যুদণ্ড এবং দ্রুত ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ৯টার দিকে ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে মামলার প্রথম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ দাবি জানান। মামলাটির বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, আজকের কার্যক্রমে ম্যাজিস্ট্রেট, চিকিৎসক, আলামত সংগ্রহকারী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রতিবেশীসহ গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীরা সাক্ষ্য দেবেন। এ লক্ষ্যে ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়েছে।
এরই মধ্যে সকাল পৌনে ৯টার দিকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। পরে তাদের ঢাকা মহানগর আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সকাল পৌনে ১০টার দিকে তাদের আদালতের এজলাসে তোলা হয়।
জানা গেছে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ ও বিচারিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে গত ১ জুন আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন এবং ২ জুন সাক্ষ্যগ্রহণের দিন নির্ধারণ করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান গত ২৪ মে সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে চার্জশিট উপস্থাপন করা হলে তা গ্রহণ করে বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।
পরবর্তীতে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ১ জুন দিন ধার্য করেন। অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলাটির আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়।
মামলার অগ্রগতি ও সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম নিয়ে আদালতপাড়ায় ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে।