1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ১০:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বরিশালে জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে ‘মুক্ত গণমাধ্যম দিবস’ পালিত পশ্চিমবঙ্গে ‘পদ্মফুলের উত্থান’, বিজেপির সদর দপ্তরে মোদির বিজয়বার্তা ‎যশোরে অপহৃত নাবালিকা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার, প্রসংশায় ভাসছে প্রশাসন 🔥 ইন্টারন্যাশনাল ফায়ারফাইটার্স ডে উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন: দরবার গ্রহণ ও সম্মাননা প্রদান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর অবস্থানে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজেপি কর্মীরা জয় শ্রী রাম বলায়, তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ– ঘটনাস্থলে কেন্দ্র বাহিনী। হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা: মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ইরানের মিসাইল হামলার দাবি, অস্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পথে থালাপতি বিজয়, এগিয়ে ১৪৫ আসনে বিনিয়োগ বাড়াতে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর 🗳️ ভবানীপুরে এগিয়ে মমতা, ফলাফল নিয়ে তৃণমূলের আপত্তি

নিবন্ধনের জাল সনদে চাকরি করছেন ১০ বছর

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ২৫৪ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: নিবন্ধনের জাল সনদে ১০ বছর যাবত চাকরি করছেন শিক্ষক। হয়েছেন এমপিওভুক্তও। এমন অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইলের উপজেলা সদরের ঘাটাইল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শাখার ট্রেড ইনস্ট্রাক্টর পদে কর্মরত মো. ফজলুল করিমের বিরুদ্ধে। তবে দীর্ঘদিন ওই ট্রেডের শিক্ষক জাল নিবন্ধন সনদে কর্মরত থাকলেও ধরতে পারেনি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সনদ যাচাই-বাছাই করে অবশেষে ওই শিক্ষকের নিবন্ধন সনদটি জাল বলে প্রত্যয়ন দিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০০৯ সালের ১ জুলাই ওই বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শাখার ট্রেড ইনস্ট্রাক্টর পদে যোগদান করেন মো. ফজলুল করিম। ২০১০ সালের ১ মে এমপিওভুক্ত হন তিনি। যোগদানের সময় ২০০৫ সালের প্রথম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সনদ জমা দেন তিনি।

সম্প্রতি বিদ্যালয়টি সরকারিও হয়েছে। সরকারিকরণের পর শিক্ষকদের বিভিন্ন কাগজপত্র যাচাই করতে গিয়ে শিক্ষক ফজলুল করিমের শিক্ষক নিবন্ধন সনদটি নিয়ে সন্দেহ হয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। এ কারণে তার সনদের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য এনটিআরসিএ’র কাছে পাঠায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

যাচাই শেষে ৮ নভেম্বর এনটিআরসিএ’র সহকারী পরিচালক ফিরোজ আহম্মেদ স্বাক্ষরিত পত্রে জানিয়ে দেওয়া হয় ট্রেড ইনস্ট্রাকটর পদের শিক্ষক মো. ফজলুল করিমের নিবন্ধন সনদটি জাল ও ভুয়া। ওই রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বরের প্রকৃত সনদধারী ব্যক্তির নাম মো. মাজেদুর রহমান। পত্রে এনটিআরসিএ ভুয়া ও জাল সনদধারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করে তা কর্তৃপক্ষকে অবগতি করার জন্য নির্দেশ দেয়।

তবে অভিযুক্ত শিক্ষক ফজলুল করিম বলেন, আমার শিক্ষক নিবন্ধন সনদটি জাল নয়। এটি কর্তৃপক্ষের করণিকের ত্রুটি। সংশোধনের জন্য আবেদনও করেছি।

এ বিষয়ে ঘাটাইল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজহারুল ইসলাম বলেন, ফজলুল করিমের শিক্ষক নিবন্ধন সনদটি নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় তা যাচাই করতে এনটিআরসিএ’তে পাঠানো হয়। ৮ নভেম্বর এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ তার শিক্ষক নিবন্ধন জাল ও ভুয়া বলে পত্রের মাধ্যমে আমাদের জানিয়েছে। এছাড়া এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করতেও নির্দেশনা দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি বিদ্যালয়টি সরকারিকরণ হওয়ায় সনদ যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শুরু করে এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ। যাচাইয়ের শুরুতে শিক্ষক ফজলুল করিমের নিবন্ধন সনদ জাল ও ভুয়া বলে চিঠি পাঠায়। তবে ওই নামে শিক্ষক থাকলেও বাবার নাম ভুল ছিল। এরপর সঠিক তথ্য যাচাইয়ের আবেদন করা হয়। এরপর যাচাই-বাছাই করে ফজলুল করিম ও বাবা এবিএম শাহজাহান ঠিক আসলেও বাবার নামের বানানে প্রিন্টিং ত্রুটির ফলে এবিএম শাহজান এসেছে। এরপরও আবার আক্ষরিক ভুল সংশোধনের জন্য আবেদন করা হয়েছে। এ কারণে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে শোকজ করাসহ সনদ আনার জন্য বলা হয়েছে। তবে এখনো তিনি সনদ দিতে পারেননি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com