1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:১০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
জনতার মাঠে ধানের শীষ: পাঁচগাছিয়ায় মোশাররফ–মারুফের বার্তায় ভোটের হাওয়া কৃষি, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি : তারেক রহমানের কুমিল্লা-১ এ ধানের শীষের গণজোয়ার, উন্নত বাংলাদেশের ডাক অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারের নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা- প্রশাসন নিরব খুলনায় ১১ দলীয় জোটের নিবাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত। স্থায়ী পুনর্বাসন ও সম্প্রীতির সমাজ গড়ার প্রতিশ্রুতি আমিনুল হকের সচিবের ইচ্ছায় এবার বিটিভির প্রধান প্রকৌশলী হচ্ছেন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতা ইঞ্জিনিয়ার মো: মনিরুল ইসলাম দাউদকান্দিতে ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার, মারুকা–বিটেশ্বরে ড. মোশাররফ হোসেনের জনসভায় জনসমর্থনের বিস্ফোরণ মানিকছড়িতে যুবককে গলা কেটে হত্যা চেষ্টা: পুলিশের বিশেষ অভিযানে প্রধান দুই আসামি গ্রেফতার ২২ বছর পর ময়মনসিংহে তারেক রহমান: জনসমুদ্রে রূপ নিল সার্কিট হাউজ মাঠ

কত টাকা বিদেশে গেছে আল্লাহ মাবুদ জানেন: রুমিন ফারহানা

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৭ জুন, ২০২১
  • ২৬৩ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক : দেশের টাকা পাচার হচ্ছে অভিযোগ করে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, বিদেশে ১ লাখ কোটি টাকার বেশি চলে যাচ্ছে। ওভার আর আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে যাচ্ছে। এর বাইরে হুন্ডির পরিমাণ ধরলে আল্লাহ মাবুদ জানেন কত টাকা বিদেশে গেছে!

সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনায় সোমবার তিনি সংসদে এ কথা বলেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, ২০১৯ সালে সরকারি হিসাব মতে মন্দ ঋণের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৫৫ হাজার কোটি টাকা। ২০২০ সালে সেটা কমে দাঁড়ায় ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা। ২০২১ সালে এসে শুনলাম ৮৮ হাজার কোটি টাকা মাত্র। আসলে ব্যাংকে মন্দ ঋণের পরিমাণ কত?

তিনি বলেন, যখনই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে তখনই শেয়ারবাজার শুয়ে পড়ে। এটা যে কি একটা অদ্ভুত সম্পর্ক এটা এখনও বুঝতে পারিনি।

বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, সাবেক অর্থমন্ত্রী (আবুল মাল আবদুল মুহিত) স্পষ্ট কথা বলতেন, দলের বিরুদ্ধে গেলেও বলতেন। তিনি বলেছিলেন, ব্যাংক দেওয়া হয় রাজনৈতিক বিবেচনায়। একটা দেশে যখন রাজনৈতিক বিবেচনায় ব্যাংক দেওয়া হয় তখন সেই দেশের অর্থনীতির কাজ সম্পর্কে বলতে নিশ্চয়ই চিন্তা করতে হয়। যারা ব্যাংকের টাকা লুট করে তাদেরকে সুবিধা দেওয়ার জন্য একটার পর একটা নতুন আইন হয়। ব্যাংক কোম্পানিতে আইন পরিবর্তন করে এক একটা ব্যাংক এক একটা পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন এক পরিবার থেকে তিনজন সদস্য থাকতে পারবেন ব্যাংকের পরিচালক পদে, একাধিকক্রমে তিন মেয়াদে থাকতে পারবেন তারা। এই পরিবর্তনগুলোর কারণে এক একটা পরিবার একটা ব্যাংকের মালিক হয়ে যাচ্ছে। জনগণের টাকার হরিলুট হচ্ছে।

রুমিন ফারহানা বলেন, একবার সংসদে ঋণ খেলাপির তালিকা প্রকাশ করা হলো। তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে সেটা এখনও জানতে পারলাম না। ব্যাংকে যে টাকা থাকে সেটা আমাদের মত আমজনতার টাকা। সেই টাকা এক ব্যাংকের পরিচালকের সঙ্গে আরেক ব্যাংকের পরিচালকদের ভালো সম্পর্ক থাকার কারণে এক ব্যাংক থেকে আরেক ব্যাংকে ঋণ নেয়। ঋণ নেওয়ার সময় তারা জানে এই ঋণ তারা আর পরিশোধ করবে না। এই টাকা চলে যায় বিদেশে।

পাচারের অভিযোগ করে তিনি বলেন, গ্লোবাল ফাইন্যান্স ইন্টিগ্রিটির তথ্যানুযায়ী প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে গড়ে প্রায় ১ লক্ষ কোটি বিদেশে চলে যাচ্ছে। গত ১০বছরে প্রায় সাড়ে ৮ থেকে ৯ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে চলে গেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com