1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০৮:২০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ফেরিতে উঠতে গিয়ে নদীতে তলিয়ে গেল যাত্রীবাহী বাস, উদ্ধার অভিযান অব্যাহত জুলাই অভ্যুত্থানের যোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিতে সংসদে আইন আসছে: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে নিরাপত্তা জোরদার ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল নিয়োগ বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা জোরদার: শিশু, শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে গুরুত্ব দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান ১১ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট, প্রথমবার উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু স্বাধীনতা দিবসে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন, আজই মন্ত্রিসভার বৈঠক এগিয়ে আনলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এআইয়ের দায়িত্বশীল ব্যবহারে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন সম্ভব: জুবাইদা রহমান বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ২৬৪ কর্মকর্তা সিনিয়র সহকারী সচিব পদে পদোন্নতি মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিরসনে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ দফা প্রস্তাব, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার

এক জালেই ধরা পড়ল ১০২ মণ ইলিশ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১১১ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: সমুদ্র থেকে এক জালেই ১০২ মণ ইলিশ নিয়ে আলীপুর মৎস অবতরণ কেন্দ্রে এসেছে একটি মাছ ধরার ট্রলার। এ পরিমাণ ইলিশ দেখতে ট্রলারের কাছে ভিড় জমান বন্দরের লোকজন। এতে খুশি জেলে ও ট্রলার মালিক কর্তৃপক্ষরা।

শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে এসব মাছ আলীপুরে মেসার্স কামাল ফিস নামের একটি মৎস্য আড়তে বিক্রির জন্য নেওয়া হয়। মাছগুলো ডাকের মাধ্যমে বিক্রি হয় ১৯ লাখ ২০ হাজার ৩০০ টাকায়। মাছগুলো মূলত বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কুয়াকাটা থেকে পূর্ব-দক্ষিণ দিকে ৯৫ কিলোমিটার গভীর সমুদ্রে ধরা পড়ে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এফ.বি. নাহিদা আক্তার নামের ট্রলারটি গত ১৬ সেপ্টেম্বর আলীপুর ঘাট থেকে সমুদ্রে যায়। তিন দিন সমুদ্রের বিভিন্ন এলাকায় জাল ফেলে কাঙ্ক্ষিত মাছ পাননি জেলেরা। বৃহস্পতিবার জাল ফেলে ১০২ মণ মাছ পান তারা। মাছগুলো আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে এসে তিনটি সাইজে আলাদা করা হয়। তবে, মাছের সাইজ তুলনা ছোট হওয়ায় দাম কম পাওয়া গেছে।

মেসার্স কামাল ফিসের স্বত্বাধিকারী মো. কামাল হোসেন বলেন, বিক্রির জন্য আনা মাছগুলো তিন ভাগে ভাগ করা হয়। ৬০০ গ্রাম থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছ প্রতি মণ ২৫ হাজার টাকা, ৪০০ গ্রাম থেকে ৫০০ গ্রাম ওজনের প্রতি মণ মাছ ২০ হাজার টাকা এবং ছোট সাইজের প্রতি মণ মাছ ১৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। অন্যান্য বিভিন্ন প্রজাতির মাছ তিন লাখ টাকা বিক্রি হয়েছে। সবমিলিয়ে ১৯ লাখ ২০ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

ট্রলারটির মালিক আব্দুল মন্নান ব্যাপারী বলেন, অনেক দিন ধরে সাগরে খুব কম মাছ ধরা পড়ছে। একদিকে যেমন সাগরে মাছ কম, অন্যদিকে আবহাওয়া খারাপ থাকায় ঠিকমতো সমুদ্রে নামতে পারছিল না জেলেরা। সে জন্য অনেক দিন ধরে আমাদের লোকসান গুণতে হচ্ছিল। এই মাছ বিক্রি করে আগের লোকসান কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারব।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com