1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বরিশাল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক ইসমাঈল হোসেন নেগাবান মন্টু ও সাংবাদিক অভির চাচার মৃত্যুতে শোক সভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত  সিটি করপোরেশন ও প্রাসঙ্গিক একটি গল্প চাঁপাইনবাবগঞ্জে ব্র্যাকের উদ্যোগে হতদরিদ্রদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা বিতরণ দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ও ‘চেইন অভ কমান্ড’-এর ক্ষেত্রে কোনো আপস নয়- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেগা প্রকল্পের আড়ালে ৩০ লাখ কোটি টাকা পাচার: সেতুমন্ত্রী বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার: ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফকে জমি দেবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার লাইফ সাপোর্টে কারিনা কায়সার, অবস্থার অবনতি—ভারতে নিতে প্রস্তুতি, বাবার আকুতি “মেয়েটা বাঁচুক” রূপপুর, টানেল ও পদ্মা সেতুতে অপ্রয়োজনীয় খরচ হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডিজিটাল ভূমি সেবায় স্বস্তি: দালালমুক্ত হচ্ছে খতিয়ান, নামজারি ও খাজনা প্রক্রিয়া খাগড়াছড়িতে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের মানববন্ধন: মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবি

ইউনিয়ন ব্যাংকের গরমিলের সেই টাকা ‘ভিভিআইপি’ গ্রাহকের কাছে

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩৬৯ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক:বেসরকারি ইউনিয়ন ব্যাংকের গুলশান শাখার ভল্টের হিসাব না মেলা ১৯ কোটি টাকা এক ভিআইপি গ্রাহককে দেওয়া হ‌য়ে‌ছে বলে দাবি করেছে ব্যাংক‌টি।

বৃহস্প‌তিবার ব্যাংক‌টির অতি‌রিক্ত ব্যবস্থাপনা প‌রিচালক (ডিএম‌ডি) হাসান ইকবাল সাংবা‌দিক‌দের এ তথ্য জানান।

তি‌নি বলেন, ব্যাংকিং আওয়ারের পর একজন ভিআইপি গ্রাহককে ওই টাকা দেওয়া হয়েছিল। ব্যাংকিং রুলস ভায়োলেট হলেও এমন ঘটনা নতুন নয়। গ্রাহক-ব্যাংক সম্পর্কের খাতিরে এমন লেনদেন হয়।

ব্যাংকের এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, এ ঘটনায় ইউনিয়ন ব্যাংকের গুলশান শাখার তিনজনকে প্রত্যাহার ও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শক দলের উপস্থিতিতেই ১৯ কোটি টাকার হিসাব সমন্বয় করা হয়।

ইউনিয়ন ব্যাংকের গুলশান শাখার ভল্ট থেকে ১৯ কোটি টাকা উধাও হয়েছে বলে গত সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শক দল জানতে পারে। তবে বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে এসেছে বৃহস্পতিবার।

গত সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি পরিদর্শক দল ইউনিয়ন ব্যাংকের গুলশান শাখা পরিদর্শনে যায়। কাগজে-কলমে শাখার ভল্টে ৩১ কোটি টাকা দেখানো হলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা গুনে পান ১২ কোটি টাকা। বাকি টাকার বিষয়ে ব্যাংকের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শক দলকে কোনো জবাব দিতে পারেননি।

এ ঘটনায় ব্যাংকটির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, ইউনিয়ন ব্যাংকের ভল্টের টাকায় গরমিল হতে পারে। কোনো ব্যাংকের বিরুদ্ধে ভল্টের টাকায় গরমিলের মতো প্রমাণ যদি বাংলাদেশ ব্যাংক পায়, তবে অবশ্যই যথাযথ নিয়ম মেনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com