1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান *এই ঈদে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য রিয়েলমির বিশেষ আয়োজন ‘ঈদের হাসি’* আজ পবিত্র শবেকদর: হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ এই রাতে ইবাদতে মশগুল হবেন মুসল্লিরা বৈশ্বিক হালাল অর্থনীতিতে বাংলাদেশের সম্ভাবনা বাড়াতে কৌশল নির্ধারণ জরুরি 🏏 পাকিস্তানকে ১১ রানে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ, তানজিদের সেঞ্চুরি ও তাসকিনের আগুনে বোলিং ঈদের আগে সংসদ মুলতবি, ২৯ মার্চ আবার বসবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আলোচনা সভা,দোয়া, মিলাদ, ইফতার ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল, আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক চেয়ারম্যান আলতাফুর রহমান আতার ইন্তেকাল সংসদে নির্ধারিত কার্যসূচির বাইরে বক্তব্য, বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে থামালেন স্পিকার

আজ পাহাড়ে মুল বিজু

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৩২ বার দেখা হয়েছে

বিজয় ধর, রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি : পাহাড়ে আজ পালিত হচ্ছে বৈসাবি উৎসবের মূল দিন—বিজু। আর এই দিনে পাহাড়িদের ঘরে ঘরে তৈরি হয় এক বিশেষ ঐতিহ্যবাহী খাবার—‘পাঁচন’।

বৈসাবিতে পাহাড়িদের ঘরে ঘরে রান্না করা হয় এই ব্যতিক্রমী খাদ্য। প্রায় ৪০ রকমের সবজি দিয়ে তৈরি এই খাবারকে চাকমারা বলেন ‘পাজঁন’ এবং ত্রিপুরারা বলেন ‘মৈদালজাক’। তবে কখনো কখনো এই পাঁচনে সবজির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১০৫-এও!

এই পাঁচনকে ঘিরে রয়েছে নানা বিশ্বাস। পাহাড়িদের ধারণা, পাঁচন খেলে শরীর থেকে রোগ-ব্যাধি দূর হয়। এমনকি, একদিনে যদি সাতটি পরিবারের পাঁচন খাওয়া যায়, তবে সকল রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব বলেও মনে করেন তারা।

ত্রিপুরা তরুণী খেয়াই ত্রিপুরা পূজা বলেন,
“বৈসাবিতে অতিথিদের আপ্যায়ন করতে আমরা নিজ হাতে মৈদালজাক তৈরি করি। এটা শুধু খাবার নয়, আমাদের ঐতিহ্য।” তিনি বলেন, এ পাচন রান্নায় বিভিন্ন ধরনের শাক সবজি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আমাদের মধ্যে প্রথা আছে এই পাচন যদি ৫-৭ বাড়ি ঘুরে খেতে পারি তাহলে রোগ- ব্যাধি থেকে মুক্তি পাবো।

রাঙামাটি ত্রিপুরা কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর সভাপতি বিদ্যুৎ শংকর ত্রিপুরা বলেন,
“এই উৎসব শুধু খাবারের নয়, বরং সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির মিলনমেলা। বিজুর দিনে পাহাড়ি-বাঙালি সবাই একত্র হয়, যা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।”

এই উৎসবকে কেন্দ্র করে পাহাড়ের প্রতিটি ঘরে ঘরে তৈরি হচ্ছে পাঁচন, অতিথিদের আপ্যায়ন আর আত্মীয়-পরিজনের মধ্যে যাওয়া-আসার মাধ্যমে বৈসাবি উৎসব পেয়েছে তার চিরায়ত রূপ।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com