1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৫, ০২:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া রুটে বাস চলাচল শুরু ৪১ ঘন্টা পারে। শুক্রবারের মধ্যে পাওয়া যাবে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট: ডা. জাহিদ লক্ষ্মীপুরে আন্তঃজেলা ডাকাতদলের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার কালিহাতীতে প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন মনোহরদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ট্রলি ও ভেকুর ব্যাটারী জব্দ ধ্বংস হওয়া রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো পুনর্গঠনের জন্যই ৩১ দফা কার্যকর প্রয়োজন: আমিনুল হক চিঠি আর ডাকপিয়ন আজ জাদুঘরের পথে… কয়রায় ক্ষুদ্র নৃ -গোষ্ঠীদের মাঝে হাঁস-মুরগীর খাদ্য বিতরণ মানবাধিকার সংলাপ তরুনদের ভাবনায় নতুন বাংলাদেশ গৌরনদীতে বালক-বালিকা অনুর্ধ ১৭ জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

গণতন্ত্রের লাশ পড়ে আছে, সৎকারের দায়িত্ব কে নেবে?: মাহবুব তালুকদার

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ১৬৯ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিজের শেষ সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন বহুল আলোচিত নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। আলোচনায় থাকা মাহবুব তালুকদার বলেন, একজন সাংবাদিক মানবাধিকার সম্পর্কে অভিমত জানতে চেয়েছেন। বাংলাদেশের মানবাধিকার সম্পর্কে কথা বলা অমূলক। মানবাধিকার নেই, মানবিক মর্যাদা নেই, গণতন্ত্র না থাকলে এসব থাকে না। বিশ্বে সম্মানজনক রাষ্ট্র হিসেবে আসীন হতে হলে গণতন্ত্রের শর্তসমূহ অবশ্যই পূরণ করতে হবে। ভোটাধিকার ও মানবাধিকার একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষা থেকে এর উৎপত্তি। বর্তমান অবস্থায় উন্নয়নকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। আইন প্রণেতাগণ আইন প্রণয়নের চেয়ে উন্নয়নেই বেশি আগ্রহী। কিন্তু উন্নয়ন কখনও গণতন্ত্রের বিকল্প ব্যবস্থা নয়।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়েছে ওই নির্বাচনে গণতন্ত্র নেই, গণতন্ত্রের লাশ পড়ে আছে। এই লাশ সৎকারের দায়িত্ব কে নেবে? কথাটা রূপকার্থে বলা হলেও এটাই সত্য। নির্বাচনের নামে সারা দেশে এমন অরাজকতা কখনো কাঙ্ক্ষিত ছিল না। তৃণমূল পর্যায়ে এই নির্বাচন দ্বন্দ্ব-সংঘাতের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করে দিয়েছে। অন্যদিকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পদে আসীন হওয়া নির্বাচন বলা যায় কি-না, তা নিয়ে প্রশ্ন আছে।

নির্বাচন নিয়ে গত পাঁচ বছরে যা কিছু বলেছি, তাতে কোনো ফলোদয় হয়েছে বলে মনে হয় না। আগেও বলেছি, নির্বাচন কমিশন গঠন আইন বাধ্যতামূলক। তবে আইনটি সব রাজনৈতিক দলের কাছে গ্রহণযোগ্য না হলে, সংকটের সমাধান হবে না। এখন পর্যন্ত আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিরোধী দলগুলোর অংশগ্রহণের কোনো পূর্বাভাস দেখা যাচ্ছে না। এতে সংকট আরও ঘনীভূত হবে। আশাবাদী মানুষ হিসেবে আমি সকল সংকটের সমাধান দেখতে চাই।

নির্বাচনে জনমানসের প্রতিফলন একান্ত অপরিহার্য। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত সর্বত্র জনমানসের প্রতিফলন একান্ত অনুপস্থিত। এতে বিশেষভাবে টাকার খেলাই প্রতিভাত হয়। রাজনীতি ধীরে ধীরে ব্যবসায়ীদের করতলগত হয়ে যাচ্ছে। আমার প্রশ্ন, আইন প্রণেতারা ভবিষ্যতে আইন-ব্যবসায়ী হয়ে যাবেন না তো? অবাধ সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের বাধাবিঘ্নগুলো দূর করতে নির্বাচন প্রক্রিয়ার সংস্কার প্রয়োজন। এজন্য সংবিধান ও বিধিবিধানের পরিবর্তন প্রয়োজন হতে পারে। বসন্তের প্রথম দিনে ও ভালোবাসা দিবসে আপনাদের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com