নিজস্ব প্রতিবেদক : আরাফাত পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক (ইউকে), আল আরাফাত টিভি ইউকের চেয়ারম্যান, সাবেক ইসি সদস্য ইউকে বিএনপি, লেবার পার্টির সিএলপি সদস্য, লেখক, সাহিত্যিক ও গবেষক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেইন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধা ও বিনম্র সম্মান জ্ঞাপন করেছেন।
তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন বীর সেক্টর কমান্ডার, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক। তাঁর সাহসী নেতৃত্ব ও উন্নয়ন দর্শন আজও দেশপ্রেমিক মানুষের অনুপ্রেরণার উৎস।
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার শ্রদ্ধাভাজন ভাই ইপিআর হাবিলদার আছদ্দর আলী সেক্টর কমান্ডার জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সিলেট অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং বিয়ানীবাজার উপজেলার সারপার যুদ্ধে গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে চিকিৎসা গ্রহণ করে তিনি পুনরায় বিডিআরে যোগদান করেন। আমার চাচা ইপিআর হাবিলদার মোহাম্মদ আলী ও ইপিআর হাবিলদার এম. এ. মালিকও মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে স্বাধীনতা অর্জনে বীরত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
১৯৭১ সালে আমার পিতা মরহুম হাজী গণী মিয়া আলীনগর ইউনিয়নের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি ১৯৭৮ সালে গ্রাম সরকার নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন। তাঁর নেতৃত্বেই আলীনগর ইউনিয়নে বিএনপির গোড়াপত্তন হয় এবং তিনি বারবার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন।
তাঁর প্রচেষ্টায় ১৯৭৮-৮০ সালের মধ্যে খরতি খাল ও নাগরকোনা খাল খনন করা হয়, যা এলাকার কৃষি ও জনজীবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, বর্তমানে খাল দুটি পলি মাটিতে ভরাট হয়ে গেছে। আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট খাল দুটি পুনঃখননের জোর দাবি জানাচ্ছি।
আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর সৈনিকগণ এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগকারী সকল ব্যক্তির স্মৃতি স্মরণ করছি। নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁদের আত্মত্যাগ, দেশপ্রেম, নেতৃত্ব ও জনসেবার আদর্শ তুলে ধরা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
আল্লাহ তাআলা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানসহ সকল শহীদকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন। আমিন।