নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা, শুক্রবার (১ মে ২০২৬) : বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্স আজ প্রাণশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলেও এর ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি Ziaur Rahman—এমন মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি Mohammed Shahabuddin।
রাজধানীর Bangladesh-China Friendship Conference Center-এ আন্তর্জাতিক শ্রম দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি জানান, ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমান জনশক্তি রপ্তানির জন্য প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ নেন এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ ৩৩টি দেশে বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর পথ সুগম করেন। এর ফলে দেশে বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহের নতুন যুগের সূচনা হয়, যা আজকের শক্তিশালী রেমিট্যান্স খাতের ভিত্তি তৈরি করে।
তিনি আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী Khaleda Zia এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে শ্রমিক কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তার সরকার ‘শ্রম আইন ২০০৬’ প্রণয়ন এবং শ্রম কল্যাণ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শ্রমিকদের অধিকার ও কল্যাণ ব্যবস্থাকে আরও সুদৃঢ় করে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান সরকারও শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য অধিকার, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
তিনি উল্লেখ করেন, দেশের শিল্প, কৃষি, পরিবহন, নির্মাণ ও গৃহকর্মসহ প্রতিটি খাতে শ্রমিকদের অবদান অপরিসীম। বিশেষ করে প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্স এবং তৈরি পোশাক খাতের আয় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করছে।
এছাড়া সরকার বন্ধ হয়ে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান রাষ্ট্রপতি। ইতোমধ্যে চিনিকল, পাটকল ও অন্যান্য শিল্প কারখানা পুনরায় চালু করে কর্মসংস্থান বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে আরও কারখানা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, টেকসই শিল্পায়ন এবং নিরাপদ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে ট্রেড ইউনিয়ন কার্যক্রমকে উৎসাহিত করতেও সরকার কাজ করছে।