মাটি মামুন রংপুর : ঘটনাটি ঘটে রংপুর নগরীর ১৯ নং ওয়ার্ড সাগর পাড়া এলাকায়। মামলার এজাহার কপি তথ্যমতে জানা যায়,নগরীর সাগর পাড়া এলাকার বাসা নং-০৯,রোড নং- ১০ এর মৃত্যু আবুল হোসেন এর মেয়ে হাসিনা বেগম জোছনা ( ৪৫ ) বিজ্ঞ আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-০১ রংপুরে মামলা দায়ের করেন যার সি আর নং-৫৭/২৫। উত্ত এজাহারে লিখিত থাকে ২৪/০৭/২০২৫ ইং তারিখে সকাল ৮ টা ৩০মিনিটের সময় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিতর সরদার রুমের সামনে
আসামী বাদীনির পথ আটক করে সেখান থেকে আসামী মামুন শিকদার পিছন হইতে বাদীনিকে জড়িয়ে ধরে গাড়িতে করে নিয়ে চলে যায়। এবিষয়ে হাসিনা বেগম জোছনা বিজ্ঞ আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-০১ রংপুরে মামলা করেন এবং আপন দুই ছেলে জাহিদ হাসান জনি, জিন্নাত হোসেন জয়,মা মোছাঃ রানী বেগম স্বামী-মৃত: আবুল হোসেন সহ ৭ জন সাক্ষী করেন যাদের কেউ এই ঘটনার ব্যপারে অবগত নয় এবং প্রথম শাক্ষী জাহিদ হাসান জনি দীর্ঘদিন ধরে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজত বাসে আছেন।
এ ধরনের অভিযোগ তুলে জাতীয় দৈনিক ঢাকা পত্রিকার রংপুরের বিশেষ প্রতিনিধি মাটি মামুনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন মহামান্য আদালতে যার ন্যূনতম কোন সত্যতা মেলেনি। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মামুন শিকদার ওরফে মাটি মামুন এর সাথে কথা হলে তিনি জানান পেশাগত দায়িত্ব পালন ও তথ্য সংগ্রহের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজহাসপাতালে ভিতরে এ্যাম্বুলেন্স স্ট্যান্ড বটতলায়
২০২৫ সালের (২৪ জুলাই) বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে গেলে সেখানে লুকিয়ে থাকা আওয়ামী যুবলীগ চিহ্নিত সন্ত্রাসী জাহিদ হাসান জনি ও জিন্নাত জয় সহ ১০ /১৫ জন সন্ত্রাসী হামলা চালায় গণমাধ্যম কর্মী মামুন শিকদার ওরফে মাটি মামুনের ওপর। এই ঘটনায় ঐ সাংবাদিক দীর্ঘদিন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সার্জারি বিভাগে ৬ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন। এবং এই ঘটনা দেশের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সংবাদ প্রচার হয়।
এই ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য অত্র আসামিদের মা হাসিনা বেগম জোছনা বিজ্ঞ আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-০১ রংপুরে মামলা দায়ের করেন।
আর এই মামলার শাক্ষী করেন তার আপন দুই ছেলে যুবলীগ চিহ্নিত সন্ত্রাসী জাহিদ হাসান জনি ও জিন্নাত জয়। ৫ ই আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও তার রেখে যাওয়া পেত্মারা এখনো সক্রিয় ভূমিকায় আছে। ইতিপূর্বে সন্ত্রাসী জনি ও জয়ের প্রদর্শনের ছবিসহ তাদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চাদাবাজি নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। এজন্য তারা আমাকে সন্দেহ করে এবং হত্যার পরিকল্পনা করে। এ বিষয়ে রংপুর মেট্রো কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করি,যার জি আর নং- ১৯৫/২৫ ধারা১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩০৭/৩২৬/৩৭৯/১১৪/৫০৬। এই মামলা থেকে নিজে বাঁচতে ও তার ছেলেদেরকে বাঁচাতেই গণমাধ্যম কর্মীর বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করেন বিজ্ঞ আদালতে। এ বিষয়ে হাসিনা বেগম জোছনার মুঠো ফোনে একাধিক বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এই মামলা তদন্তের জন্য মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর রংপুর এর তদন্তকারী কর্মকর্তা সেলোয়ারা বেগম কে তদন্তের ভার দিলে তিনি কোন প্রকার তদন্ত ছাড়াই প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন মহামান্য আদালতে।
এ বিষয়ে অত্র মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সেলোয়ারা বেগমের সঙ্গে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি বলেন। আমরা বাদীর মুখে শুনে প্রাথমিক ভাবে তদন্ত রিপোর্ট মহামান্য আদালতে দাখিল করেছি।
এতে কোন সমস্যা নেই আপনার যদি পছন্দ না হয় আপনি না রাজি করে অন্য কারো দ্বারাই তদন্ত করিয়েন।