1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০১:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
দায়িত্বশীল নাগরিক হলে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়া সম্ভব— প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মির্জা আব্বাসের জন্য দোয়া চাইলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় নেতাদের রাষ্ট্রীয় ভাতা শুরু মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে দ্বিতীয় দফা অস্ত্রোপচার সফল, নিবিড় পর্যবেক্ষণে মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের জন্য অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হলো Mirza Abbasকে অসুস্থ মির্জা আব্বাস, উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেওয়ার প্রস্তুতি নোয়াখালীতে দোকানের মালিকানা নিয়ে বিরোধ, পুলিশের উপস্থিতিতে উদ্ধার। ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবীর অভিযোগ ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির প্রথম ভাষণ: মার্কিন ঘাঁটি বন্ধের দাবি, ঐক্যের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ভাষণ বর্জন: ‘তিন অপরাধের’ অভিযোগ তুলে সংসদ থেকে ওয়াকআউট জামায়াতের রাষ্ট্রপতির ভাষণে বিরোধী দলের ওয়াকআউট নিয়ে প্রশ্ন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় নেতাদের রাষ্ট্রীয় ভাতা শুরু

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৩২ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি জোরদার এবং সমাজে ধর্মীয় নেতাদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার এক নতুন উদ্যোগের সূচনা করেছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের সরকারি সম্মানি প্রদানের কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। সরকারের দাবি, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হবে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, পাইলট পর্যায়ে দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের পাশাপাশি ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত ও সেবাইত, ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি গির্জার যাজক ও পালকসহ বিভিন্ন উপাসনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা প্রথমবারের মতো সরাসরি রাষ্ট্রীয় ভাতার আওতায় আসছেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি মসজিদের জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকবে। এর মধ্যে ইমাম পাবেন ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম ২ হাজার টাকা করে সম্মানি পাবেন। অন্যদিকে মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও গির্জার জন্য মাসিক ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এতে প্রধান দায়িত্বশীল ব্যক্তি—পুরোহিত, অধ্যক্ষ বা যাজক—পাবেন ৫ হাজার টাকা এবং সহকারী দায়িত্বশীল ব্যক্তি—সেবাইত, উপাধ্যক্ষ বা সহকারী পালক—পাবেন ৩ হাজার টাকা।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জাবিউল্লাহ জানান, সম্মানির পাশাপাশি উৎসব বোনাসও দেওয়া হবে। মসজিদের কর্মরতদের জন্য ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে বছরে দুইবার ১ হাজার টাকা করে বোনাস দেওয়া হবে।
অন্যদিকে দুর্গাপূজা, বৌদ্ধ পূর্ণিমা অথবা বড়দিন উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় নেতাদের জন্য ২ হাজার টাকা করে উৎসব বোনাস বরাদ্দ থাকবে। তবে যেসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে সরকারি বা বিদেশি সংস্থার নিয়মিত অনুদান পায়, তারা আপাতত এই প্রকল্পের আওতার বাইরে থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
সরকার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই কর্মসূচি শুধু আর্থিক সহায়তা নয়—বরং এটি রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ধর্মীয় নেতাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং দেশে ধর্মীয় সহাবস্থান ও সামাজিক স্থিতিশীলতা আরও জোরদারের একটি রাজনৈতিক ও নীতিগত বার্তা বহন করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com