নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায়ের নাম Khaleda Zia। গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে মরণোত্তর ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছে।
রোববার (৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর Osmani Memorial Auditorium-এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৬’ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি Mohammed Shahabuddin পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।
বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে এই সম্মাননা গ্রহণ করেন তার নাতনি ও Tarique Rahman-এর কন্যা ব্যারিস্টার Zaima Rahman।
অন্যান্য বছরের মতো এবারও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পাঁচটি ক্যাটাগরিতে নারীদের সম্মাননা দেওয়া হয়। এর মধ্যে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ হিসেবে সম্মাননা পান বেগম খালেদা জিয়া। এছাড়া অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নুরুন নাহার আক্তার, শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে মোছা. ববিতা খাতুন, সফল জননী হিসেবে নুরবানু কবীর, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন পেরিয়ে জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী হিসেবে মোছা. শমলা বেগম এবং সমাজ উন্নয়নে অবদানের জন্য মোছা. আফরোজা ইয়াসমিন সম্মাননা লাভ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “শত প্রতিকূলতা, নিপীড়ন ও অন্যায়ের মুখেও বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন অদম্য ও অবিচল। গণতন্ত্রের প্রশ্নে তিনি কখনো আপস করেননি।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের দীর্ঘ পথচলায় বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা ছিল দৃঢ় ও সাহসী। রাষ্ট্রক্ষমতার বাইরে থেকেও তিনি গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নিজেকে নিবেদিত রেখেছিলেন।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই পুরস্কার শুধু ব্যক্তিগত সম্মাননার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি দেশের নারীদের সংগ্রাম, নেতৃত্ব ও সামাজিক অবদানের গল্পকে সামনে আনার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে নারীর অবদানকে মর্যাদা দেওয়ার এই স্বীকৃতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।