1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ভোটের রাজনীতি বনাম আদর্শের রাজনীতি: জামায়াতের দ্বিচারিতা প্রশ্নের মুখে দেশনেত্রীর প্রয়াণ, রাষ্ট্রের ব্যর্থতা ও ইতিহাসের কাঠগড়া কাশীপুর বেলগাছিয়া কেন্দ্র তৃণমূল কংগ্রেস আয়োজিত– ফুড ফেস্টিভ্যালের শুভ সূচনা হলো। নাগরিক শোকসভায় নেতৃত্বের সৌজন্য ও রাজনৈতিক শিষ্টাচার অপরাজেয়তার উত্তরাধিকার: বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক মহিমা রংপুরে অজ্ঞান অবস্থায় স্বতন্ত্র প্রার্থী উদ্ধার রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর। খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দাউদকান্দিতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল রাজনীতির ঊর্ধ্বে নাগরিক শোক: খালেদা জিয়ার স্মরণে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ব্যতিক্রমী শোকসভা সত্য, আদর্শ ও মেধার শতবর্ষী অভিযাত্রা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্রের ভাই ওমর বিন হাদির কূটনৈতিক নিয়োগ

ভারতের উচিত এই দেশের মানুষের পালস বোঝা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১১৫ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক : ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, গত নির্বাচনের পর থেকেই বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এবার সেই সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে বৈঠকের পর ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএনআই। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে বলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিশ্বাস করে।

সম্প্রতি ঢাকায় দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।

এ বিষয়ে এএনআইএর সঙ্গে কথা বলার সময় মির্জা ফখরুল বলেন, প্রণয় ভার্মার সঙ্গে হওয়া এই বৈঠক উভয় দেশকে অনেক ইতিবাচক দিকে নিয়ে গেছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশে গত নির্বাচনের পর থেকেই আমাদের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন ছিল। কিন্তু এবার আমাদের অফিসে (ভারতের) হাইকমিশনার আসায় অবশ্যই পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। বরফ গলতে শুরু করেছে।

২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করেছিল বিএনপি। তিনি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সবসময়ই খুব ভালো সম্পর্ক রয়েছে এবং সম্পর্ক উন্নত হয়েছে। অবশ্যই এটি টার্নিং পয়েন্ট।

মির্জা ফখরুল বলেন, তার দল ভারতকে আশ্বস্ত করেছে যে— ক্ষমতায় এলে তারা বাংলাদেশের ভূখণ্ড বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনকে ব্যবহার করতে দেবে না। যদিও অতীতে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলোকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ করা হয়ে থাকে।

তিনি আরও বলেন, আমরা দুই দেশের মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেছি। আমরা পানি ভাগাভাগি সমস্যা, সীমান্ত হত্যা, বিদ্যমান বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতার কথা উল্লেখ করেছি। একই সময়ে, ভারতের প্রধান ইস্যু ছিল নিরাপত্তা সমস্যা। আমরা আশ্বস্ত করেছি, আমরা ক্ষমতায় থাকলে, আমরা নিশ্চিত করব— এই ভূখণ্ডটি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা ব্যবহার করবে না।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি ও ভারতের সম্পর্ক নিয়ে কিছু ভুল বোঝাবুঝি ছিল। আমি মনে করি— বরফ গলতে শুরু করেছে। আশা করি এই সম্পর্ক আরও ভালো হবে। এইবার তারা (ভারত) আমাদের অবস্থা বোঝার চেষ্টা করবে, বিশেষ করে ভারতকে এই দেশের মানুষের পালস বোঝার চেষ্টা করা উচিত। তাদের সব ডিম এক ঝুড়িতে রাখা উচিত নয়। তাদের উচিত (উভয় দেশের) জনগণের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে তোলা।

এদিকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনের ফাঁকে অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বৈঠক করেছেন। বৈঠকে ঢাকা ও দি‌ল্লির পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

এ বিষয়ে ফখরুল বলেন, পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে জয়শঙ্করের সাক্ষাৎ অবশ্যই খুবই তাৎপর্যপূর্ণ এবং খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং আমরা বিশ্বাস করি, এই বৈঠকের পর সম্পর্ক আরও মজবুত হবে।

তিনি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হওয়া উচিত। জনগণের মধ্যে সম্পর্কই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে শক্তিশালী করার মূল চাবিকাঠি।

শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর বিষয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমি জানি না, সরকার তাকে (শেখ হাসিনা) বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করেছে কিনা। তবে আমি মনে করি, তার বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগের মুখোমুখি হওয়ার জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ফিরে আসা উচিত এবং তার জবাবদিহি করা উচিত।

ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণআন্দোলন ৫ আগস্ট ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা। এরপর নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com