1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কুমিল্লা–১ (দাউদকান্দি–মেঘনা) আসনে বিএনপির প্রার্থী পক্ষে টানা ৫ম দিনের গণসংযোগ এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে ধানের শীষে ভোট দিন গনসংযোগে মিন্টু মিরপুরে গণসংযোগে নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ আমিনুল হকের সাবেক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সোহেল প্রধানের শতাধিক কর্মীসহ বিএনপিতে যোগদান দাউদকান্দিতে তারেক রহমানের নির্বাচনী সমাবেশে জনসমুদ্র “ভোট দেবো কিসে—ধানের শীষে” স্লোগানে মুখর কুমিল্লা গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ফ্যাসিবাদের অন্যতম দোসর মহা দুর্নীতিবাজ, টিপু মুন্সির ভায়রা আবু নাসের চৌধুরী ঢাকায় পোষ্টিং বাগিয়ে বহাল তবিয়তে। এদেশের উন্নয়নে বিএনপি ছাড়া কো বিকল্প নেই “আবদুল আউয়াল মিন্টু “ সাধারণ মানুষের সরব উপস্থিতিই বিএনপির শক্তির প্রমাণ: আমিনুল হক *কুমিল্লায় সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল পার্টনারস সামিট অনুষ্ঠিত*

সোনা ও হীরা চোরাচালানে বছরে ৯১ হাজার কোটি টাকা পাচার: বাজুস

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৩ জুন, ২০২৪
  • ১৬৫ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: সােনা ও হীরা চোরাচালানের মাধ্যমে বছরে ৯১ হাজার ২৫০ কোটি টাকার বেশি বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি (বাজুস)। চোরাকারবারিরা হুন্ডির মাধ্যমে এ টাকা বিদেশে পাচার করে থাকে।

সোমবার বাজুস কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় সংগঠনটি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাজুসের উপদেষ্টা রুহুল আমিন রাসেল, বাজুস কার্যনির্বাহী কামিটির সহ-সভাপতি ও বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন অ্যান-স্মাগলিং অ্যান্ড ল এনফোর্সমেন্টের চেয়ারম্যান মাে. রিপনুল হাসান, সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমান, কার্যানির্বাহী কমিটির সদস্য ও বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

মো. রিপনুল হাসান বলেন, প্রতিদিন দেশের জল, স্থল ও আকাশপথে কমপক্ষে প্রায় ২৫০ কোটি টাকার অবৈধ সোনার অলংকার, সোনার বার, ব্যবহৃত পুরোনাে জুয়েলারি (যা ভাঙারি হিসাবে বিবেচিত হয়) ও হীরার অলংকার (ডায়মন্ড জুয়েলারি) চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশে আসছে। ৩৬৫ দিন বা একবছর শেষে যার পরিমাণ প্রায় ৯১ হাজার ২৫০ কোাটি টাকার বেশি। প্রতিবেশি দেশ ভারতর সঙ্গে বাংলাদেশের ৩০টি জেলার সীমান্ত অবস্থিত। এর মধ্যে খুলনা বিভাগের ৬ জেলা মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াড়াঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর ও সাতক্ষীরা জেলা সোনা চোরাচালানের নিরাপদ রুট হয়ে উঠেছে। ভারতে পাচার হওয়া সােনার বড় একটি অংশ এসব জেলার সীমান্ত দিয়ে হয়ে থাকে।

বাজুসের প্রাথমিক ধারণা, প্রবাসী শ্রমিকদের রক্ত-ঘামে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার অপব্যবহার করে প্রতিদিন সারাদেশের জল, স্থল ও আকাশপথে কমপক্ষে প্রায় ২৫০ কোটি টাকার অবৈধ সোনার অলংকার, সোনার বার, ব্যবহৃত পুরোনা জুয়েলারি ও হীরার অলংকার চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশে আসছে। যা একবছর শেষে দাঁড়ায় প্রায় ৯১ হাজার ২৫০ কোাটি টাকা বা তার চেয়ে বেশি।

এর মধ্যে প্রতিদিন গড়ে ২২০ কোটি টাকার সোনা ও সোনার অলংকার এবং ৩০ কোটি টাকার হিরা ও হিরার অলংকার আসে। সে হিসাবে এক বছরে ৮০ হাজার ৩০০ কোটি টাকার সোনা ও ১০ হাজার ৯৫০ কোটি টাকার হীরা অবৈধভাবে আসছে। পুরো এই টাকা হুন্ডির মাধ্যমে সোনা ও হীরা চোরাকারবারিরা বিদেশে পাচার করে থাকে।

যার ফলে সরকার রেমিট্যান্স হারাচ্ছে এবং সোনা ও হীরা চোরাকারবারিরা বিদেশে পাচার করেন। চলমান ডলার সংকটে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার ও চোরাচালান বন্ধে সরকারকে উদ্যোগ নেয়ার দাবি জানায় বাজুস।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com