1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১২:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
স্বাধীনতা দিবসে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন, আজই মন্ত্রিসভার বৈঠক এগিয়ে আনলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এআইয়ের দায়িত্বশীল ব্যবহারে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন সম্ভব: জুবাইদা রহমান বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ২৬৪ কর্মকর্তা সিনিয়র সহকারী সচিব পদে পদোন্নতি মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিরসনে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ দফা প্রস্তাব, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার ২৫ মার্চের গণহত্যা ছিল সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শর্বরী মুখার্জির এলাকায় ভোট প্রচার। ইরান ইস্যুতে উত্তেজনা তুঙ্গে: ট্রাম্পের ওপর চাপ বাড়াচ্ছেন সৌদি যুবরাজ মানবপাচার মামলায় ৫ দিনের রিমান্ডে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, আদালত প্রাঙ্গণে ময়লা পানি ও পচা ডিম নিক্ষেপ বীরগঞ্জে জমি দখলের পায়তারা, হামলায় নারী-শিশুসহ আহত ৪ : এলাকায় চরম উত্তেজনা। ১৩৩ অধ্যাদেশ পর্যালোচনায় জুলাইয়ের জন-আকাঙ্ক্ষা পাবে অগ্রাধিকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জুড়ীতে মেয়ে হত্যার বিচার চেয়ে মায়ের সংবাদ সম্মেলন

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০২৪
  • ২৪৭ বার দেখা হয়েছে

জালালুর রহমান, মৌলভীবাজার : জেলার জুড়ীতে উপজেলার পূর্ব জুড়ী ইউনিয়নের বড়ধামাই গ্রামের ২সন্তানের জননী গৃহবধু এমি আক্তার (২১) কে গত (৭/মার্চ) বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মৃত অবস্থায় জুড়ী থানা পুলিশ উদ্ধার করে। ওই ঘঠনায় জুড়ী উপজেলায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উক্ত ঘঠনায় মেয়ে হত্যার বিচার চেয়ে এমির মা রুলি বেগম (৪৬) গত শনিবার (১৬/মার্চ) জুড়ীতে কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়ে একটি “সংবাদ সম্মেলন” এর আয়োজন করেন। সংবাদ সম্মেলনে এমি হত্যার বিচার চেয়ে নিহত এমির মায়ের স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগ পাঠ করেন (নিহত এমির ভাই) ইমন আহমদ। সংবাদ সম্মেলনের লিখিত অভিযোগটি হুবহু তুলে ধরা হলো।

আমি রুলি বেগম, স্বামী মৃত, মির্জান আলী, স্থান-ভবানীপুর, থানা: জুড়ী, মৌলভীবাজার। আমার মেয়ে এমি আক্তার কে ২০১৯ সালে বড়ধামাইয়ের মোক্তার আলীর ছেলে জাবেদ উদ্দিনের নিকট বিবাহ দেই। এমির ২টি মেয়ে রয়েছে। তাদেরও বয়স যথাক্রমে জান্নাত ৪ বছর, জামিয়া আক্তার বয়স ১৭ মাস। বিয়ের কিছুদিন ভালো চললেও বিয়ের ৬ মাস পর থেকে এমির স্বামী এমিকে নানাভাবে নির্যাতন করা শুরু করে। প্রায় নিয়মিতই জাবেদ আমার মেয়েকে আমাদের নিকট থেকে অর্থ নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করত। টাকা দিতে না পারলে আমার মেয়েকে মারধর করত এবং কোনো কোনো সময়ে প্রানে মারার হুমকিও দিত।

বিগত প্রায় ১০ মাস পূর্বে জাবেদ আমার মেয়েকে যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দেয়। এ সময় আমার মেয়ে আমাকে ফোনে বলে কাল রবিবার বিকালে আমার স্বামীকে ১ লাখ টাকা দিতে হবে। না দিলে আমাকে মেরে হাত-পা ভেঙ্গে দিবে বলে হুমকি দেয়। এসময় আমাদের কাছে টাকা না থাকায় আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে আপরগতা স্বীকার করি। এরপর আমার মেয়ে এমি আমাকে বলে আম্মা টাকা না দিলে আমাকে প্রানে হত্যা করবে বলে হুমকি দেয়। ২ দিন পর আমার মেয়ে ফোন করে বলে তাকে জীবিত নিতে হলে যে কোনো ভাবে হোক তাকে জাবেদের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে নেওয়ার জন্য। পরদিন সোমবার সন্ধ্যায় আমি জুড়ী থানার পুলিশ নিয়ে এবং আমার আত্মীয় আরো ২/৩ জন জনকে সাথে করে সি.এন.জি গাড়ি নিয়ে ডাক্তার দেখানোর কথা বলে আমার মেয়েকে উদ্ধার করে নিয়ে আসি। মুমুর্ষ অবস্থায় নির্যাতনে ক্ষত-বিক্ষত, হাত-মুখ ফুলা অবস্থায় আমার মেয়েকে নিয়ে এসে জুড়ীতে প্রাথমিক চিকিৎসা করে বাড়িতে নিয়ে আসি।

প্রায় ২ মাস আমাদের বাড়িতে রেখে চিকিৎসা করিয়ে আমার মেয়েকে পুরোপুরি সুস্থ করে তুলি। আমার মেয়ে সুস্থ হওয়ার পর বলে আমাকে বাঁচাতে চাইলে তাদের বাড়িতে আর দিও না। ২ মাস পর বড়ধামাইয়ের পূর্বজুড়ী ইউপি চেয়ারম্যানের সুপারিশের ভিত্তিতে বড়ধামাইয়ের বর্তমান ইউপি সদস্য হাজী মাসুক আহমদ, ভবানীপুর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কামরুল ইসলাম, চাটেরা ওয়ার্ডের মেম্বার জাকির হোসেন মনিরসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সুপারিশের ভিত্তিতে আমি আমার মেয়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে আমার মেয়েকে বড়ধামাইয়ে পুনরায় জাবেদ এর ঘরে দেই। জাবেদের ঘরে যাওয়ার পর থেকেই আমাদের সাথে আমাদের মেয়ের ফোনে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় জাবেদ।

এভাবে বিগত ৮ মাস চলার পর গত ৭ মার্চ রোজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৭ ঘটিকার সময় এমির স্বামী জাবেদ মিয়া ফোন করে বলে আমার মেয়ে খুবই অসুস্থ। জুড়ী সরকারি হাসপাতালে নিয়ে এসেছি আপনি এসে দেখে যান। ফোন পাওয়ার সাথে সাথে আমি আমার ছেলে ইমনকে সাথে করে নিয়ে হাসপাতালে গিয়ে দেখি হাসপাতালের সিটে মৃত আবস্থায় আমার মেয়ে পড়ে আছে। কর্তব্যরত চিকিৎসকগন তাৎক্ষনিক ভাবে এমিকে মৃত ঘোষনা করেন। এসময় হাসপাতালে গিয়ে দেখি জাবেদ পালিয়ে যায়। পাশে শুধু জাবেদের এক ছোটবোন ছিল। এসময় কর্তব্যরত চিকিৎসক থানায় ফোন করে বিষয়টি জানালে পুলিশ হাসপাতাল থেকে আমার মেয়ে এমিকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সরকারী হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করে। এ ঘটনা জুড়ী থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা নং-০৬, জিডি নং-৩১৩, তারিখ ০৭/০৩/২০২৪ইং করা হয়। ঘটনার পর থেকেই এমির স্বামী জাবেদ পলাতক রয়েছে। আমার মেয়ের জানাজার নামাজেও সে থাকে নি। জাবেদের নির্যাতনে আমার মেয়ে মারা গেছে। মৃত অবস্থায় আমার মেয়ের আমি আপনাদের মাধ্যমে আমার মেযে ২ সন্তানের জননীর হত্যার বিচার চাই। আমার মেয়ে হত্যার সাথে সংশ্লিষ্ঠ সকল অপরাধীদের গ্রেফতার করিয়ে আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠ বিচার কামনা করছি।

 

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com