1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৬:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ভাইরাল মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’-কে লাল গালিচায় রাজকীয় বিদায় মিরপুরের কালশী বাউনিয়াবাদ বস্তিতে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৫ ইউনিট মিনায় সমবেত লাখো হাজি, শুরু হলো পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা বিদ্রোহের অগ্নিশিখা ও মানবতার কবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম : জীবন, সাহিত্য ও আদর্শ। এনসিপির দুই নেতা তারেক রেজা ও অয়ন কারাগারে, ‘গুমের অভিযোগ ভিত্তিহীন’ বলল পুলিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ রামিসা হত্যা মামলায় ১ জুন অভিযোগ গঠন শুনানি, বিচারকের ছুটি বাতিল গৃহবধুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ ভিজিডির চাল আত্মসাৎ! সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের ১৩ বছর কারাদণ্ড। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারকে যুদ্ধবিরতি আরও ২ মাস বাড়ানোর প্রস্তাব, চলছে শান্তি চুক্তির আলোচনা

করোনা ঠেকানোর দুর্লভ গাছ মিলল হিমালয়ে!

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৩৮৬ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি এবং ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজির গবেষকরা হিমালয় অঞ্চলে পাওয়া একটি গাছের পাতায় ফাইটোকেমিক্যাল শনাক্ত করেছেন। বলা হচ্ছে, এই ফাইটোকেমিক্যাল দিয়েই হতে পারে প্রাণঘাতী করোনার চিকিৎসা।

গবেষণায় দেখা গেছে, হিমালয় অঞ্চলে পাওয়া ওই গাছে রডোডেনড্রন আর্বোরিয়াম ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে এমন অ্যান্টিভাইরাল উপাদান পাওয়া গেছে।

সম্প্রতি ‘বায়োমলিকুলার স্ট্রাকচার অ্যান্ড ডায়নামিক্স’ জার্নালে এই গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে। যখন এই গাছের পাতা গরম পানিতে মেশানো হয়, তখন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কুইনিক অ্যাসিড এবং এর ডেরিভেটিভ পাওয়া গিয়েছিলো। গতিবিদ্যার গবেষণা থেকে জানা যায়, এই ফাইটোকেমিক্যাল দু’টি উপায়ে ভাইরাসকে প্রভাবিত করে।

গবেষকদের মতে, কোনো বিরূপ প্রভাব ছাড়াই ওই পাতার নির্যাসের একটি উপাদান মানবদেহের কোষে করোনা সংক্রমণকে বাধা দিতে পারে। স্বাস্থ্য উপকারিতার কারণে হিমালয় অঞ্চলে রডোডেনড্রন গাছের পাতা স্থানীয় লোকেরা বিভিন্ন উপায়ে ব্যবহার করে।

আইআইটি মান্ডির স্কুল অব বেসিক সায়েন্সের সহযোগী অধ্যাপক শ্যাম কুমার মাসকাপল্লী বলেন, যখন করোনা টিকা মানবদেহকে ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের শক্তি দিচ্ছে, তখন সারাবিশ্বে ভ্যাকসিন বহির্ভূত ওষুধও আবিষ্কৃত হচ্ছে। এই ওষুধগুলো রাসায়নিক রূপে ব্যবহার করা হয়, যা শরীরের কোষে উপস্থিত রিসেপ্টরগুলোর সঙ্গে আবদ্ধ হয় এবং ভাইরাসের প্রবেশে বাধা দেয় বা নিজেই ভাইরাসের ওপর কাজ করে।

অধ্যাপক শ্যাম কুমার মাসকাপল্লী আরো বলেন, এ পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের থেরাপিউটিক এজেন্ট নিয়ে গবেষণা করা হয়েছে। এসব গবেষণায় ফাইটোকেমিক্যাল অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে। এটি প্রাকৃতিক এবং কম বিষাক্ত। আমরা হিমালয়ের এই গাছ থেকে প্রয়োজনীয় অণুর সন্ধান করছি। এ বিষয়ে বিজ্ঞানীরা আরো গবেষণা করার পরিকল্পনা করছেন।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com