1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ঈদকে সামনে রেখে মানবিক সহায়তা: অসহায়দের পাশে সাবেক এমপি সালাউদ্দিন আহমেদ জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর ঈদের নামাজ, যমুনায় শুভেচ্ছা বিনিময়—রাজনৈতিক নেতাদের ব্যস্ত কর্মসূচি বগুড়ার সান্তাহারে ট্রেন দুর্ঘটনা: উদ্ধার ও যাত্রী সেবায় দ্রুত ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ তারুণ্যের আলো-র পক্ষে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ঈদের দিনে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সৌদি আরবে চাঁদ দেখা যায়নি, শুক্রবার ঈদুল ফিতর—৩০ রোজা পূর্ণ হচ্ছে রমজান রূপগঞ্জে ঈদকে ঘিরে ৩শ’ মাদকের স্পট সক্রিয় ॥ বিপুল মাদকদ্রব্য মজুদ *ঈদকে আরও আনন্দময় করতে এ৬এস প্রোসহ ক্যাশব্যাক ক্যাম্পেইন ঘোষণা অপোর* রাজধানীতে ফোর্টিস হসপিটালের ইফতার মাহফিল: মিলনমেলায় রূপ নিল কর্পোরেট ও মেডিকেল ট্যুরিজম সংশ্লিষ্টদের সমাগম ঈদকে ঘিরে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা নিয়ে চাপ, বৈশ্বিক সংকটে বিপর্যস্ত পোশাক শিল্প—সমাধানে রাজনৈতিক সদিচ্ছার আহ্বান

বাল্যবিয়ের পরও স্কুল ছাড়েনি লোপা

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩২৭ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: করোনা মহামারির দেড় বছর বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় লোপার। এর ফলে বালিকাকেই বধূ সেজে যেতে হয় স্বামীর সংসারে। তবে এরপরও স্কুল ছাড়েনি লোপা। ইচ্ছা তার এসএসসি পাশ করে নাসিং পড়ে মানবসেবায় নিয়োজিত করার। সেই ইচ্ছে পূরণের আশায় স্কুলের ক্লাস শুরু হওয়ার পর থেকেই নিয়মিত স্কুলে যাচ্ছে লোপা।

লোপা আক্তার টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার শেখ ফজিলাতুন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী ও পার্শ্ববর্তী সংগ্রামপুর গ্রামের সেলিম মিয়ার মেয়ে। বাবা সেলিম মিয়া রাজমিস্ত্রি আর মা শাহিনা আক্তার গৃহিণী।

স্থানীয়রা জানান, দুই বোনের মধ্যে লোপা বড়। ছোট বোন সোনালীও স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির ছাত্রী। তবে পারিবারিক অসচ্ছলতা আর দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধের কারণে বিয়ে পিঁড়িতে বসতে হয়েছে লোপাকে। বাল্য বিয়ের শিকার শুধু লোপা আক্তারই নয়, ওই বিদ্যালয়েই রয়েছে এসএসসি পরীক্ষার্থী মাফিয়া, রেমি খানম, সুমি আক্তার মৌটুসি, মোহনা আক্তার, মিতু আক্তার, রিয়া আক্তার ও দশম শ্রেণির ছাত্রী মোর্শেদা খাতুন, সানিয়া আক্তারও। তবে বাল্যবিয়ের ঝাপটায় স্বপ্ন নিভে যেতে দেবে না এমনটাই প্রত্যাশা তাদের।

লোপা আক্তার বলেন, তার অমতেই বাবা-মা একই উপজেলার চৈথট্ট গ্রামে বিয়ে দেয়। প্রতিবাদ করলেও শুনেননি তার বাবা-মা। তার পক্ষে দাদা ও কাকা প্রতিবাদ করলেও কোনো কাজ হয়নি। বাল্য বিয়ে প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হয়ে শেষ মুহূর্তে তার স্বপ্ন বাস্তবায়নের শর্তে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয়েছে।

লোপা বলেন, পারিবারিক চাপের মুখে আমি বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছি। তবে বাল্যবিয়ের ঝাপটায় আমার স্বপ্ন ভেঙে যেতে দেব না। স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমি অটুট। প্রত্যেকটি বিদ্যালয় ও গ্রামে বাল্য বিয়ের কুফল সম্পর্কে আলোচনার ব্যবস্থা করা হলে অনেকেই বাল্য বিয়ের হাত থেকে রক্ষা পাবে বলেও জানায় সে।

বাল্যবিয়ের শিকার ওই বিদ্যালয়ের ছাত্রী মৌটুসি আক্তার বলেন, সামাজিক প্রেক্ষাপট ও বাবা-মার কারণেই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয়েছে। আমি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চাই স্বামীর সংসার থেকে এখনো বাধা আসেনি। প্রত্যাশা পূরণ হবে কি না তা নিয়ে সংশয়ে আছি।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বোরহান উদ্দিন জানান, বিয়ের পর অনেক মেয়েরই লেখাপড়া বন্ধ করে দেন তাদের পরিবার। নানা বাধার কারণে তাদের বিদ্যালয়ে ফেরানো সম্ভব হয় না। বিয়ের পরও যারা বিদ্যালয়ে এসেছে আমরা তাদের উৎসাহিত করবো।

এ বিষয়ে শেখ ফজিলাতুন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিউটি বেগম জানান, করোনাকালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বিদ্যালয়ের ২০ জন ছাত্রী বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে। তবে এর মধ্যেও অন্তত ১৫ জন ছাত্রী নিয়মিত ক্লাস করছে। বিয়ের পরও তারা লেখাপড়া চালিয়ে যেতে বিদ্যালয়ে এসেছে এটাই খুশির সংবাদ। যা নারী শিক্ষা বিস্তারে ভূমিকা রাখবে। বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাদের মনোবল অটুট রাখতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। বাল্যবিয়ে একটি সামাজিক ব্যাধি এটি দূর করতে সামাজিক আন্দোলন প্রয়োজন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com