1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বরিশালে জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে ‘মুক্ত গণমাধ্যম দিবস’ পালিত পশ্চিমবঙ্গে ‘পদ্মফুলের উত্থান’, বিজেপির সদর দপ্তরে মোদির বিজয়বার্তা ‎যশোরে অপহৃত নাবালিকা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার, প্রসংশায় ভাসছে প্রশাসন 🔥 ইন্টারন্যাশনাল ফায়ারফাইটার্স ডে উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন: দরবার গ্রহণ ও সম্মাননা প্রদান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর অবস্থানে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজেপি কর্মীরা জয় শ্রী রাম বলায়, তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ– ঘটনাস্থলে কেন্দ্র বাহিনী। হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা: মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ইরানের মিসাইল হামলার দাবি, অস্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পথে থালাপতি বিজয়, এগিয়ে ১৪৫ আসনে বিনিয়োগ বাড়াতে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর 🗳️ ভবানীপুরে এগিয়ে মমতা, ফলাফল নিয়ে তৃণমূলের আপত্তি

নীলফামারী থেকে হারিয়ে যাচ্ছে শরতের কাশফুল

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩১৬ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: নীলফামারীর গ্রামীণ দৃশ্যপট থেকে হারিয়ে যাচ্ছে শরতের কাশফুল। এক সময় গ্রামের কোনো উঁচু জায়গায়, নদীর ধারে কিংবা চরাঞ্চলে কাশঝাড় দেখা যেত। তবে এখন আর সে দৃশ্য তেমন চোখে পড়ে না।

নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা আর কাশফুল দেখলেই আমরা সবাই বুঝি এসেছে শরৎ। কারণ কাশফুল শরতের আগমনের প্রতীক। ষড় ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। প্রত্যেকটি ঋতুরই রয়েছে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য। এক এক ঋতু আমাদের জীবনে আসে এক এক রকম ফুল, ফল আর ফসলের সম্ভার নিয়ে। বাংলার প্রকৃতিতে ষড়ঋতুর পালাবদল আলপনা আঁকে অফুরন্ত সৌন্দর্যের। ঋতুচক্রের আবর্তনে প্রকৃতির এ সাজবদল বাংলাদেশকে রূপের রানীতে পরিণত করেছে।

বর্ষপঞ্জি হিসেবে বছরের প্রতি দুই মাসে ঋতু পরিবর্তন হয়। তেমনি ভাদ্র-আশ্বিন মিলে শরৎকাল। শরৎ বাংলাদেশের এক ঝলমলে ঋতু। শিমুল তুলোর মত সাদা মেঘ ভেসে বেড়ায় আকাশে। এ সময় নদীর ধারে ফোটে সাদা কাশফুল। এমনি এক দৃশ্য চোখে পড়ে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাহাগিলি ইউনিয়নের চারাল কাটা নদীর ধারে। যেখানে দেখা যায় অসংখ্য কাশফুলের।

নীলফামারী মশিউর রহমান ডিগ্রী কলেজের সিনিয়র প্রভাষক মৃণাল কান্তি রায় বলেন, কাশফুল একধরনের বহুবর্ষজীবী ঘাসজাতীয় উদ্ভিদ। কাশফুল পালকের মতো নরম ও চিরল পাতার দুইপাশ খুবই ধারালো এবং রং ধবধবে সাদা। কাশগাছ ৩ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। নদীর তীরেই এদের বেশি জন্মাতে দেখা যায়। এর কারণ হল নদীর তীরে পলিমাটির আস্তরণ থাকে এবং এই মাটিতে কাশের মূল সহজে সম্প্রসারিত হতে পারে।

নীলফামারী জলঢাকা উপজেলার রশিদপুর বালিকা স্কুল এন্ড কলেজের প্রভাষক মো. মন্জুর মোর্শেদ বলেন, শরৎকালে কাশের সাদা ফুল ফোটে। শরতের হালকা বাতাসে যখন সাদা কাশফুল ঢেউয়ের তালে দুলতে থাকে তখন সবুজ ঘাসফড়িং টিং করে লাফ দিয়ে পড়ে কাশফুলের ডগায়। কাশবনের ব্যবহার বহুবিধ। কাশ দিয়ে গ্রামের নারীরা ঝাঁটা, ডালি ও দোন তৈরি করেন। এছাড়া ঘরের ছাউনি হিসেবেও ব্যবহার হয়ে থাকে। চারাগাছ একটু বড় হলেই এর কিছু অংশ কেটে গরু-মহিষের খাদ্য হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com