1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মামলা মাথায় নিয়েও বহাল তবিয়তে! বদলি বাণিজ্যের অভিযোগে অভিযুক্তদের বিএনপিতে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ৯ এপ্রিল, কোটা আন্দোলনের প্রথম শহীদের বিচার ঘিরে দেশজুড়ে নজর নেপালে আজ সাধারণ নির্বাচন: জেন–জি আন্দোলনের পর প্রথম ভোটে নজর ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে পদ্মা সেতুর সামনে থেকে ২৫০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে উদাহরণ স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান: দাউদকান্দিতে মতবিনিময় সভায় ড. খন্দকার মোশাররফ তেহরানে আবারও ইসরায়েলের হামলা, ব্যালিস্টিক মিসাইল অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু দাবি খুলনায় লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলিতে রিকশাচালক গুলিবিদ্ধ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কুয়েতে ভিজিট ভিসা এক মাস ও প্রবাসীদের অনুপস্থিতির অনুমতি তিন মাস বাড়ল ইরানের হামলায় চাপে যুক্তরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা মিসাইলের মজুত কমে আসছে: ওয়াশিংটন পোস্ট

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে যেসব পরামর্শ দিলেন তাবিথ আউয়াল

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২২ আগস্ট, ২০২১
  • ২৬০ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক : দ্রুত শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরাতে সরকারকে একগুচ্ছ পরামর্শ দিয়েছেন বিএনপি নেতা তাবিথ আউয়াল। তিনি বলেছেন, দেশের সব প্রতিষ্ঠান খোলা রেখে শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক। শুধু করোনার অজুহাতে অনির্দিষ্টকালের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকতে পারে না।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের গত নির্বাচনে বিএনপি দলীয় মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজেএ সব কথা বলেন।

তার পরমার্শগুলো হল- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত খুলে দিতে সরকার ও বেসরারি শিক্ষক এবং এর সঙ্গে জড়িত সবাইকে টিকা দিতে হবে। এক্ষেত্রে বয়সের কোনো আওতা রাখা যাবে না। সরকারের তালিকার বাইরেও অনেক বেরসকারি এনজিও-ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে স্কুল পরিচালনা করে তাদের টিকার আওতায় আনতে হবে।
শিশুদের সংক্রমণের হার কম থাকায় ৫০ শতাংশের কম শিক্ষার্থীকে নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে সপ্তাহে ৩ দিন ক্লাস নেওয়া যেতে পারে। সব প্রতিষ্ঠানে মাস্ক, স্যানিটাইজার ও শরীরের তাপমাত্রা মাপার মেশিন থাকার বিষয়টি সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন অ্যান্টিজেন পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে।

এর ফলে কেউ করোনা আক্রান্ত হলে তাকে দ্রুত চিকিৎসা করানো যাবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পর শিক্ষার্থীদের মানসিক বিষণ্নতায় ভুগছে, পড়ালেখায় অনেক পিছিয়ে পড়েছে। এ সমস্যা কাটিয়ে উঠতে শিক্ষকদের দ্রুত প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

তাবিথ আউয়াল শিক্ষার মানোন্নয়নে সংস্কার চান। তিনি বলেন, জিডিপির আরও এক শতাংশ শিক্ষায় বিনিয়োগ করতে হবে। কিন্তু এর কোনো অর্থ অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যয় করা যাবে না।

তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনন্তকাল বন্ধ থাকতে পারে না। আমাদের সন্তানদের আমরা ক্লাসে ফিরিয়ে দিতে চায়। কারণ, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে তারাই আগামীর ভবিষ্যৎ। তাদের প্রস্তুত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কোনো বিকল্প নেই।

তাবিথ বলেন, টানা ১৭ মাস বন্ধ থাকার পরও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলেতে আগ্রহী নয় সরকার। এ জন্য সংক্রমণের উচ্চহারকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন তারা। অথচ গত বছরের নভেম্বর থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি জন্য সংক্রমণ ছিল নিয়ন্ত্রণে। তখনও পাবলিক পরীক্ষা নেওয়া কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কোনো উদ্যোগ নেয়নি। কিন্তু ওই সময় অফিস-আদালত, শপিংমলসহ সকল প্রতিষ্ঠান খোলা ছিল। চলেছে গণপরিবহনও।

তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় একমাত্র বাংলাদেশে এতো দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ রয়েছে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম। এতে আমাদের শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর তীব্র নেতিবাচক আঘাত পড়ছে। অনেক শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। গ্রামাঞ্চলে বাল্য বিবাহ বেড়ে গেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com