এস এম শাহ্ জালাল সাইফুল : দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় কুমিল্লার দাউদকান্দিতে দোয়া মিলাদ মাহফিল ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দাউদকান্দি বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার ড. খন্দকার মারুফ হোসেন। তিনি বলেন, “দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে শুধু প্রশংসা করলেই তার অবদান শেষ হয় না। তিনি বহুবার দাউদকান্দিতে এসেছেন এবং এই জনপদের উন্নয়নে গোমতী-মেঘনা সেতুর মতো ঐতিহাসিক স্থাপনা উপহার দিয়েছেন।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ কে এম শামসুল হক (সাবেক সভাপতি, দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপি), শওগাত চৌধুরী পিটার, মো. মোস্তাক সরকার, এম এ সাত্তার, ভিপি সাহাবুদ্দিন ভূঁইয়া, শরিফ হোসেন চৌধুরী, রোমান খন্দকার (সদস্য সচিব, দাউদকান্দি উপজেলা যুবদল), কামাল হোসেন, মো. ফিরোজ মিয়া, জিয়াউল হক জিয়া, মো. রাসেল মিয়া প্রমুখ।
সভায় সভাপতিত্ব করেন দাউদকান্দি পৌর বিএনপির আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ সরকার এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন পৌর বিএনপির সদস্য সচিব কাউছার আহমেদ সরকার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, “এক-এগারোর সময় ফখরুদ্দীন-মইন উদ্দিনের তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেশত্যাগে বাধ্য করতে চেয়েছিল। কিন্তু তিনি স্থায়ী কমিটির সদস্যদের ডেকে স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন—‘আমি দেশ ছাড়বো না। এই দেশই আমার ঠিকানা, মরে হলেও এ দেশেই মরবো।’ তিনি কথা রেখেছেন। গণতন্ত্রের এই আপোষহীন মা নিজের দেশেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।”
তিনি আরও বলেন, “বিশ্বের ইতিহাসে এত বিপুল সংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণে কোনো নারীর জানাজা আমি আমার ৮৫ বছরের জীবনে দেখিনি।” বক্তব্য শেষে তিনি মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
পরিশেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে সভার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।