1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কবি ,লেখিকা ও অনুবাদিকা- গায়ত্রী চক্রবর্তীর লেখা একটি কবিতা সত্যজিৎ রায় কে উৎসর্গ করে। মেয়ে-জামাইয়ের বাড়ি যেতে গিয়ে শেষযাত্রা, কুমিল্লার ট্রেন-বাস দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল চৌগাছার দম্পতির ইরানের হামলায় আরাদ-দিমোনায় তীব্র আতঙ্ক, ঘর ছাড়লেন প্রায় ৩ হাজার ইসরায়েলি হাদিকে কে গুলি করেছে জানেন না ফয়সাল নেপালে বিকেএসপি জুডো দলের সাফল্যে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। ঈদের পরদিন কমলাপুরে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ, তবে নেই আগের ভোগান্তি ট্রাম্পের ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটামের পর ইরানের ঘোষণা—‘শত্রু-সংশ্লিষ্ট’ জাহাজ ছাড়া হরমুজ উন্মুক্ত প্রহরীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, পাশে SLUS Radio/88.88FM “গল্পের শহর” ও সাংবাদিক হাসনাত তুহিন নির্বাচনী প্রচার ও পোস্টার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে- তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে ঝামেলা ঈদের দিনে কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশের জুডোকারদের দারুণ সাফল্য, জোড়া স্বর্ণসহ ৩ পদক

১৯ বছর পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২২
  • ১৬৪ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক : ফেনীর সোনাগাজীতে ২০০৩ সালে মাকে বেঁধে রেখে মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় ১৯ বছর ধরে পলাতক ছিলেন এক আসামি। গত রাতে ঢাকার মেরুল বাড্ডা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। গত জুলাই মাসে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত এই আসামির নাম আলি নবী ওরফে লাতু মিয়া (৫৫)। তার বাড়ি ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার নাজিরপুর গ্রামে। আদালত ফাঁসির রায় দেওয়ার পর ঢাকায় একটি মাজারে আত্মগোপন করেছিলেন তিনি।

গ্রেপ্তারের পর লতু মিয়াকে নিয়ে আজ ঢাকার কারওয়ান বাজারে মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে র‍্যাব। সেখানে র‌্যাব-৩-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ২০০৩ সালের ১৩ মে রাতে সোনাগাজীর নবাবপুর ইউনিয়নের একটি বাড়িতে ওই সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ঘরের দরজা ভেঙে বিধবা মাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ১৩ বছরের মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়। ওই ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে পরদিন সোনাগাজী থানায় মো. ফারুক, জাহাঙ্গীর আলম, আবুল কাশেম ও মো. লাতু মিয়াসহ চার জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ১৯ বছর পর গত ১৪ জুলাই আদালত জাহাঙ্গীর আলম, আবুল কাশেম ও মো. লাতু মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

তিনি জানান, লাতু মিয়ার কোনো পেশা নেই। তিনি নিরক্ষর। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, চুরি, ডাকাতিসহ নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন তিনি। তার নামে ফুলগাজী থানায় একটি ডাকাতি ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগসহ তিনটি মামলা আছে।

র‍্যাব জানায়, ২০০৩ সালে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার পর লতু মিয়ার পলাতক জীবন শুরু হয়। এর পর তিনি চট্টগ্রামে গিয়ে রিকশা চালাতে শুরু করেন। এরপর তিনি চুরি ডাকাতিতে জড়িয়ে পড়েন। একটি ডাকাতির ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়ে জেলও খাটেন। জামিনে বের হয়ে তিনি গোপনে তার বিভিন্ন আত্মীয় স্বজনের বাসায় অতিথি হিসেবে জীবন যাপন করতেন। তিনি মাঝে মাঝে তার বাড়িতে এসে গোপনে তার স্ত্রী সন্তানের সঙ্গে দেখা করে অর্থ নিয়ে যেতেন। এরপর তিনি কিছুদিন সিলেটে মাজার এলাকায় ঘুরে বেড়ায়। একপর্যায়ে ঢাকায় এসে ফুটপাতে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির ব্যবসা করেন। পরে তিনি দারোয়ানের চাকরি নেন। পলাতক জীবনে তিনি নিজেকে অলি নবী হিসেবে পরিচয় দিতেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com