স্টাফ রিপোর্টার : আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে আদায় করবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধান বিচারপতিসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাও উপস্থিত থাকবেন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম জানান, জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায়।
ঈদের নামাজ শেষে সকাল ১০টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কূটনীতিক, শিক্ষাবিদসহ সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট নাগরিক, আলেম-ওলামা, শিল্পী-সাহিত্যিক ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি কুশল বিনিময় করবেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পরে প্রধানমন্ত্রী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শেরেবাংলা নগরে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর কবর জিয়ারত করবেন।
জামায়াতে ইসলামীর কর্মসূচি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর আমির ডা. শফিকুর রহমান তার নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৫ আসনে ঈদের নামাজ আদায় করবেন এবং স্থানীয় জনগণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
ঈদের দিন বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ঢাকায় অবস্থানরত কূটনীতিকদের সঙ্গে এবং বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি।
দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের অনেকে ঢাকায় এবং অনেকে নিজ নিজ এলাকায় ঈদের নামাজ আদায় করবেন বলে জানা গেছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কর্মসূচি
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) বরিশালের ঐতিহ্যবাহী চরমোনাই মাদ্রাসা মসজিদে সকাল ৮টায় ঈদের জামাতে ইমামতি করবেন।
দলের সিনিয়র নেতারাও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ঈদের নামাজ আদায় করবেন। দলের একজন শীর্ষ নেতা বর্তমানে ওমরাহ পালনে মক্কায় অবস্থান করছেন এবং সেখানেই ঈদের নামাজ আদায় করবেন।
খেলাফত মজলিসের কর্মসূচি
খেলাফত মজলিস-এর আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ হবিগঞ্জের বানিয়াচং এড়ালিয়া ঈদগাহ মাঠে ঈদের জামাতে ইমামতি করবেন।
এ ছাড়া দলের শীর্ষ নেতারা রাজধানীসহ খুলনা, সিলেট, পাবনা, কুষ্টিয়া ও জয়পুরহাটসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঈদের জামাতে অংশ নেবেন।
সার্বিক চিত্র
এবারের ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাষ্ট্রীয়, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অঙ্গনে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। জাতীয় ঈদগাহকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা যেমন থাকছে, তেমনি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকেও জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়াতে নেওয়া হয়েছে পৃথক কর্মসূচি।
ঈদকে ঘিরে রাজধানীসহ সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।