1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
দাউদকান্দির ঈদগাহ ময়দানে জামায়াত আমীরের বক্তব্য, কুমিল্লা–১ এ নির্বাচনী উত্তাপ মৃতদেহ দেখে প্রচারণা থামালেন আমিনুল হক: অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করার লক্ষ্যে বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেইনের স্বদেশ আগমন গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর ডাক, ঐক্যের বার্তা ও উন্নয়নের রূপরেখা দিলেন তারেক রহমান ঢাকায় এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের তৃতীয় আন্তর্জাতিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ গোয়ালমারী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের পক্ষে জোরালো নির্বাচনী প্রচারণা ভোটের দিনে বয়োবৃদ্ধদের জন্য রিকশার ব্যবস্থা থাকবে: আমিনুল হক জুলাই আন্দোলনে নিহত আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক জিয়া মোহাম্মদপুরে স্কুল অ্যান্ড কলেজ স্থাপনের প্রতিশ্রুতি ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের

চিকিৎসকদের সম্পর্কে বাজে ধারণা বদলে দিতে চান মীম

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল, ২০২২
  • ২৫০ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক : মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার জাতীয় মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার মেয়ে সুমাইয়া মোসলেম মীম। লিখিত পরীক্ষায় সুমাইয়া মোসলেম মীম ৯২ দশমিক ৫ নম্বর পেয়েছেন। তার মোট নম্বর ২৯২ দশমিক ৫।

মীমের বাবা খুলনার ডুমুরিয়া কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোসলেম উদ্দিন সরদার। মা কেশবপুর উপজেলার পাঁজিয়া উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ফার্মাসিস্ট খাদিজা খাতুন।

খুলনার ডুমুরিয়া বালিকা বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও খুলনা সরকারি মজিদ মেমোরিয়াল সিটি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন তিনি। দুটি পরীক্ষাতেই জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন।

গ্রামের মেয়ে দেশের সেরা হওয়ায় অভিনন্দনের বন্যায় ভাসছে পুরো পরিবার।

ফলাফল ঘোষণার পর বাবা-মাসহ মীম তার কোচিং সেন্টার ডিএমসি স্কলার মেডিকেলে হাজির হন। সেখানে মীমের সহপাঠী ও কোচিংয়ের শিক্ষকসহ অন্যরা তাদের অভিনন্দন জানান।

সুমাইয়া মোসলেম মীম বলেন, ‘এত বেশি প্রত্যাশা ছিলো না। তারপরও দেশসেরা হওয়ায় আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানাই। আমার ফলাফলের পেছনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে আমার বাবা-মা। বিশেষ করে প্রতিদিন কেশবপুরে যাওয়া-আসা করা মায়ের জন্য ছিলো খুবই কষ্টের। আমার জন্য এই কষ্ট তিনি হাসিমুখে মেনে নিয়েছেন। ফলাফল পেয়ে তাদের মুখের হাসিই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।’

মীম বলেন, ‘ছোটবেলায় চিকিৎসক হওয়ার কোনো ইচ্ছা আমার ছিলো না। শুধু আম্মুর ইচ্ছার জন্যই মেডিকেলের পড়াশোনা করেছি। এখানে ভর্তির সুযোগ পেয়েছি এটাই সবচেয়ে ভালো লাগার জায়গা।’

আগামী দিনের পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মীম বলেন, ‘বুঝে পড়াশোনা করতে হবে। সবাই ভাবে মুখস্থ করতে হবে। কিন্তু না, যা পড়ছো সেই বিষয়টা পরিষ্কার বুঝতে হবে। মুখস্ত করলে পরদিন ভুলে যেতে পারো। কিন্তু বুঝে পড়লে সেটা কাটিয়ে ওঠা যায়। কোচিংয়ের অনেক পরীক্ষায় ঠিকমতো প্রস্তুতি নিতে পারতাম না। তারপরও বুঝে পড়ার কারণে ফলাফল ভালো হতো।’

ভবিষ্যত পরিকল্পনার বিষয়ে মীম বলেন, ‘সবার আগে ভালো মানুষ হতে চাই। এরপর একজন ভালো চিকিৎসক হতে চাই। আমাদের সমাজের মানুষের একটা খারাপ ধারণা রয়েছে, চিকিৎসক মানেই কসাই। এই ধারণা থেকে মানুষকে ফিরিয়ে আনতে চাই।’

মীমের মা বলেন, ‘আমার জীবনে একটাই চাওয়া ছিলো আমার মেয়ে বড় হয়ে চিকিৎসক হবে। সেই চাওয়া এখন পূরণ হতে চলেছে। ভাবতে পারিনি এতো ভালো ফলাফল করবে।’

মীমের বাবা মোসলেম উদ্দিন সরদার বলেন, ‘গ্রাম থেকে লেখাপড়া করে এতো ভালো করবে এটা ভাবতেই পারিনি। অনেক আনন্দ লাগছে, আল্লাহর কাছে অনেক শুকরিয়া। মীমের মা সারাদিন চাকরি করে প্রায় সাররাত ওর পাশে জেগে বসে থাকতো। এতোদিনের কষ্টের শেষে ওদের আনন্দেই আমার বুক ভরে যাচ্ছে।’

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com