1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
পাঁচলাইশে গাড়ি চুরি,চোরসহ গাড়ি উদ্ধার। ইউরোপের সুরক্ষায় বড় দায়িত্ব পেল পর্তুগাল: ১০৭ কোটি ইউরোর বিশাল প্রতিরক্ষা প্রজেক্টে যোগদান রুকাইয়া জাহান চমকের রাজনীতিতে আনুষ্ঠানিক যাত্রা, বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে আশাবাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, শ্রেষ্ঠদের হাতে পুরস্কার প্রদান দীর্ঘ বিরতির পর সাক্ষাৎ: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে উচ্ছ্বসিত বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী প্রবীণ সাংবাদিকদের জন্য অবসর ভাতা চালুর উদ্যোগ সরকারের: তথ্যমন্ত্রী গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন রুমিন ফারহানা — এনসিপিতে যোগ দেওয়ার খবর ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ ইসলামাবাদে ফের মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র–ইরান, যুদ্ধবিরতির আগে চুক্তির আশায় বিশ্ব দুই মাস পূর্তি আজ: বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন হরমুজ প্রণালি খুলল ইরান, তবুও অবরোধ বহাল রাখার ঘোষণা ট্রাম্পের

শিশুর দাঁতের যত্ন কীভাবে করবেন?

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩৫৭ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক : অনেকে জিজ্ঞেস করেন, শিশুদের দাঁত কখন থেকে ব্রাশ করব? একটি নাকি কয়েকটি ওঠার পর ব্রাশ করাব? আসলে মায়ের গর্ভে থাকা অবস্থাতেই শিশুর দাঁতের যত্ন শুরু করা উচিত।

গর্ভকালীন মায়েরা অনেক ধরনের ওষুধ খেয়ে থাকেন। এর মধ্যে কিছু ওষুধ গাইনি চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া উচিত নয়। কারণ এসব ওষুধের কিছু রয়েছে, যা শিশুদের দাঁতের সমস্যা করে থাকে। এসব ওষুধ দাঁতের সাথে মুখেরও ক্ষতি করে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত পরামর্শ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমইউ) অর্থোডন্টিস্ট বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. ফারিয়া তাবাসসুম তন্বী।

অনেক সময় দেখা যায়, গর্ভকালীন সময় ঘনঘন এক্স-রে করা হয়। এক্স-রের প্রভাব গর্ভের সন্তানের ওপর পড়ে। মায়ের ওষুধ সেবনের প্রভাবে এমন শিশু আমাদের কাছে আসে, যখন তাদের দাঁতে অস্ত্রোপচার পর্যন্ত করতে হয়।

শিশু জন্মের পর ছয় মাস বয়সে প্রথম দাঁত আসে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এ সময় কম-বেশি হতে পারে। সন্তানের প্রথম দাঁত ওঠা প্রত্যেক মা-বাবার জন্য অনেক আনন্দের। শিশুকে ফিডারে দুধ খাওয়ালে ফিল্ডারের নিপলের চাপে তার মাড়ি উঁচু হয়ে যায়। অনেক সময় শিশুরা মুখে আঙুল দিয়ে থাকে। এতে দাঁত উঁচু-নিচু হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মুখে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন হতে পারে আঙুল ও ফিডার ব্যবহারে।

এজন্য দুধ খাওয়ানোর পরপরই বাচ্চার মুখটা পরিষ্কার করে দিতে হবে। একটি আঙুলে পরিষ্কার সুতি কাপড় নিয়ে মুখ পরিষ্কার করে দিতে হবে। ফিডারের পরিবর্তে শিশুদের চামচ দিয়ে দুধ খাওয়ানো বেশি ভালো। এখন ভালো মানের ফিঙ্গার ব্রাশ পাওয়া যায়। এগুলো দিয়েও শিশুর মুখ ও দাঁত পরিষ্কার করা যেতে পারে।

শিশুরা ব্রাশ করার ক্ষেত্রে পেস্ট ব্যবহার করতে পারবে। তবে তা কম নিতে হবে। শিশুদের জন্য আলাদা টুথপেস্ট বাজারে রয়েছে। কখনো বড়দের টুথপেস্ট দিয়ে শিশুদের দাঁত ব্রাশ করানো যাবে না।

শিশুদের দুধ দাঁত পড়ে স্থায়ী দাঁত ওঠে। অনেক ক্ষেত্রে শিশুদের দুধ দাঁত কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত (ক্ষয়) হলে ফেলে দিতে বলেন অভিভাবকরা। এটি করা যাবে না। প্রত্যেকটি দাঁত ওঠার এবং পড়ে যাওয়ার নির্দিষ্ট সময় রয়েছে। তার আগে দুধ দাঁত ফেলা হলে, স্থায়ী দাঁত উঠলে আঁকাবাঁকা হবে। বরং দাঁত ক্ষয় হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং ফিলিং করে দিতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com