1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ফুলতলায় ঘরে ঢুকে গৃহবধূর শ্লীলতাহানির অভিযোগ। ফরিদপুরে শিশু বিক্রি ও মা নিখোঁজ: ৯ বছরেও মেলেনি দেবী বিশ্বাসের সন্ধান সাবেক সচিব আবুল কাশেমের মৃত্যুতে শোকের ছায়া, দুই দফায় জানাজার সময়সূচি ঘোষণা কোরবানির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও শিক্ষা: হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর ত্যাগের মহিমা! দুধরচকী ছাহেব ডিজিটাল সেবায় বড় অগ্রগতি: ই-ফায়ার লাইসেন্স চালু, বন্ধ হলো ম্যানুয়াল পদ্ধতি ইরানের সংশোধিত নতুন প্রস্তাব পাকিস্তানের হাতে, যুদ্ধ বন্ধে নতুন উদ্যোগ ফ্লোরিডায় উদ্ধার দ্বিতীয় মরদেহ নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির, দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু শ্রমিকদের কল্যাণে বন্ধ কারখানা চালুর ঘোষণা দিলেন তারেক রহমান রেমিট্যান্সের ভিত্তি গড়েছিলেন Ziaur Rahman: রাষ্ট্রপতি Mohammed Shahabuddin অসুস্থ হজযাত্রীর খোঁজ নিতে রাতে কুর্মিটোলা হাসপাতালে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ

এস কে সুর চৌধুরী ও তার স্ত্রীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৭ জুলাই, ২০২১
  • ৪৭৯ বার দেখা হয়েছে

বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল থেকে সব ব্যাংকে এ নির্দেশনা পাঠানো হয়। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ উত্তোলন ও স্থানান্তর বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান দখল করে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতে অভিযুক্ত প্রশান্ত কুমার হালদারকে (পি কে হালদার) সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে সুর চৌধুরীর বিরুদ্ধে।

এনবিআরের চিঠি পাওয়ার সঙ্গে-সঙ্গে নির্দেশনা কার্যকর করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি পরিপালন প্রতিবেদন পাঠাতে হবে এনবিআরে।

পি কে হালদারের অনিয়মের সহযোগী হিসেবে আটক ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের সাবেক এমডি রাশেদুল হক ও পিপলস লিজিংয়ের সাবেক চেয়ারম্যান উজ্জল কুমার নন্দি আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ করেন।

রাশেদুল হক জবানবন্দিতে বলেন, পি কে হালদারের ক্ষমতার অন্যতম উৎস ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী। তার মাধ্যমেই পি কে হালদার বিভিন্ন অনিয়ম চাপা দিতেন। আর আর্থিক প্রতিষ্ঠান দেখভালের দায়িত্বপ্রাপ্ত তৎকালীন মহাব্যবস্থাপক ও বর্তমানে নির্বাহী পরিচালক মো. শাহ আলমকে প্রতি মাসে দেয়া হতো দুই লাখ টাকা। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন বিভাগের সহকারী পরিচালক থেকে যুগ্ম পরিচালক পর্যায়ের কর্মকর্তারা বছরে দু’বার পরিদর্শনে আসতেন। অনিয়ম না ধরার জন্য প্রতিবার তাদের ৫ থেকে সাত লাখ টাকা দেয়া হতো। এরপর গত ফেব্রুয়ারিতে তাদের ও পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্ট তলব করে এনবিআর।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com