1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৬:০২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মামলা মাথায় নিয়েও বহাল তবিয়তে! বদলি বাণিজ্যের অভিযোগে অভিযুক্তদের বিএনপিতে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ৯ এপ্রিল, কোটা আন্দোলনের প্রথম শহীদের বিচার ঘিরে দেশজুড়ে নজর নেপালে আজ সাধারণ নির্বাচন: জেন–জি আন্দোলনের পর প্রথম ভোটে নজর ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে পদ্মা সেতুর সামনে থেকে ২৫০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে উদাহরণ স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান: দাউদকান্দিতে মতবিনিময় সভায় ড. খন্দকার মোশাররফ তেহরানে আবারও ইসরায়েলের হামলা, ব্যালিস্টিক মিসাইল অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু দাবি খুলনায় লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলিতে রিকশাচালক গুলিবিদ্ধ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কুয়েতে ভিজিট ভিসা এক মাস ও প্রবাসীদের অনুপস্থিতির অনুমতি তিন মাস বাড়ল ইরানের হামলায় চাপে যুক্তরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা মিসাইলের মজুত কমে আসছে: ওয়াশিংটন পোস্ট

‘অক্সিজেনের অভাবে কত কষ্টে মানুষ মারা যেতে পারে, সামনে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন’

রানা রহমান
  • আপডেট : রবিবার, ২৫ জুলাই, ২০২১
  • ৩৪৬ বার দেখা হয়েছে

ডা. কৃষ্ণা বলেন, ‘এবার ঈদে হাসপাতালে ডিউটি করেছি। এর আগেও ঈদে ডিউটি করেছি, কিন্তু রোগীদের অবস্থা এত শোচনীয় ছিল না। সবাই মৃত্যুর যন্ত্রণায় ভুগছেন। অক্সিজেনের অভাবে কত কষ্টে একজন মানুষ মারা যেতে পারে, সামনে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। অক্সিজেন সাপ্লাই থাকার পরও নিতে পারছে না। কারণ, তাদের ফুসফুস অক্সিজেন নেওয়ার সক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে।’

ডা. কৃষ্ণা বলেন, ‘পিপিই পরে আমরা ডিউটি করি। দম বন্ধ অবস্থায় এই পোশাক পরে ডিউটি করতে হয়। যেখানে ডিউটি করি সেখানে এসি নেই। না থাকাটাই স্বাভাবিক। এই পোশাকে অক্সিজেন পাওয়া যায় না, চোখ ঝাপসা হয়ে আসে, অনেক কষ্ট, জীবনটা মনে হয় বের হয়ে যাচ্ছে। করোনার প্রথম থেকে আমরা যে সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছি, কোনো কিছুতেই সমাধান পাওয়া যাচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, ঈদের পরে করোনার ভয়াবহতা হয়তো এমন করুণ পর্যায়ে পৌঁছাবে যে রোগীকে বিছানা দেওয়া সম্ভব হবে না। প্রত্যেককে অক্সিজেন দেওয়া আছে। কারো স্যাচুরেশন ৬৫, কারো ৭৫। গর্ভবতী মায়েদের কষ্ট দেখেছি। করজোড়ে অনুরোধ, এটাকে কেবল সরকার বা ফ্রন্টলাইনারদের যুদ্ধ ভাববেন না, এটা সবার যুদ্ধ। করোনাযুদ্ধ কবে শেষ হবে জানি না। এই আমি এতগুলো পজিটিভ রোগীর চিকিত্সা দিয়ে বাসায় যাব, তখন আমি কী করে পরিবারের সদস্যদের কাছে যাব? এই বাস্তবতা নিয়েই প্রত্যেক চিকিৎসক যার যার দায়িত্ব পালন করছেন। এর শেষ কোথায়? শেষ তখনই হবে যখন আপনারা সচেতন হবেন। অনুরোধ, যুদ্ধটাকে শুধু সম্মুখ সারির যোদ্ধাদের ওপর চাপিয়ে না দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। আপনারা হাসপাতালে ভর্তি না হলেই আমরা খুশি। যে অবস্থা দেখছি, হাসপাতালে এসেও রোগী আগামীতে আর ভর্তি হতে পারবে কি না, বলা যাচ্ছে না।’

ডা. কৃষ্ণা আরও বলেন, আমাদেরও তো পরিবার আছে, স্বজন হারানোর ভয় আছে। অনুরোধ আপনাদের কাছে, যুদ্ধটাকে শুধু সম্মুখসারির ঘাড়ে না চাপিয়ে দিয়ে, সচেতন থেকে, ঘরে থেকে, মাস্ক পরে এ যুদ্ধে সামিল হন। করোনা রোগীর সাথে হাত মেলাতে হবে না। সে অবস্থা দেখছি হাসপাতালে এসে রোগী ভর্তি হতে পারবে কী না সেটা বলা যায় না। কোনো জায়গাই হয়তো থাকবে না। মনটা খারাপ, এত কষ্ট দেখা যায় না। আপনারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে আমাদের সাহায্য করুন। দেশকে বাঁচান, নিজেদের বাঁচান। যুদ্ধে কখনো একা জয়ী হওয়া যায় না। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধে জয়ী হতে হয়। আমরা আপনাদের পাশে সবসময় আছি। আপনারাও আমাদের সহযোগিতা করুন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com