বঙ্গ নিউজ বিডি ডেস্ক রিপোর্ট : শহীদ প্রেসিডেন্ট Ziaur Rahman-এর ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে রাষ্ট্রপতি Mohammed Shahabuddin বলেছেন, জিয়াউর রহমানের সাদাসিধে ও নির্মোহ জীবন, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব, প্রশ্নাতীত সততা এবং একজন বাস্তববাদী রাষ্ট্রনায়কের পরিচয় দেশের মানুষের হৃদয়ে চিরজাগরূক হয়ে থাকবে।
শনিবার (৩০ মে) দেওয়া এ বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার কর্মময় জীবন, গভীর দেশপ্রেম, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অটলতা এবং স্বনির্ভর উন্নয়নের দর্শন নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
রাষ্ট্রপতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন যে, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে জিয়াউর রহমান নিহত হন। তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের এই বীর সেনানায়ক, স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তাঁর অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
বাণীতে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা ও সশস্ত্র প্রতিরোধের আহ্বান জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে উদ্বুদ্ধ করেছিল। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত হন।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, বাক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার উদ্যোগ নেন। একই সঙ্গে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, রপ্তানি সম্প্রসারণ ও আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনে বিভিন্ন যুগান্তকারী কর্মসূচি গ্রহণ করেন।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের ঘোষিত ১৯ দফা কর্মসূচি ছিল একটি উৎপাদনমুখী ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখা। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় তিনি ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করেন এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বল্প সময় রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলেও গভীর দেশপ্রেম, ন্যায়পরায়ণতা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে জিয়াউর রহমান দেশ পরিচালনায় যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা আজও উজ্জ্বল হয়ে রয়েছে।