1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
*ঈদ উপলক্ষ্যে সব মডেলে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক দিচ্ছে রিভো* রামিসা হত্যা মামলায় ডিএনএ, ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট হাতে; রোববার চার্জশিট দাখিলের প্রস্তুতি পশ্চিম ইরানের আকাশসীমা সাময়িক বন্ধ, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার খবরে বাড়ছে উত্তেজনা সচিবের স্বাক্ষর ছাড়াই ফাইল পাসের অভিযোগ আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে, তদন্তে ৭ সদস্যের কমিটি অরাজকতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর, রামিসা হত্যার বিচার হবে আইনের পথেই: তারেক রহমান চাটখিলে এসএসসি পরীক্ষার্থী রাশেদার সন্ধান মিলেনি বাশি বিক্রি করেই চলে তার জীবন জীবিকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রামে শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের ২ সহযোগী গ্রেফতার, বিদেশি পিস্তল ও ৩০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার। ত্রিশালে ধরার খাল পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, নজরুলজয়ন্তী উৎসবেরও সূচনা

বাশি বিক্রি করেই চলে তার জীবন জীবিকা

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬
  • ৩৭ বার দেখা হয়েছে

মো: গোলাম কিবরিয়া, রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি :  নাম গণেশ চন্দ্র সেন ।বাড়ী রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলায় । রাজশাহী শহরে এসে ঘুরে , ঘুরে , বাশি বিক্রি করেই চলে তার জীবন, জিবিকা ।হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার মতো কাঁধে ঝোলা ব্যাগ আর মুখে বিভিন্ন গানের সুরেলা সুরে বাঁশি বাজিয়ে ৩৫ বছর পার করেছেন তিনি। কীভাবে বাঁশি বাজাতে হয় তা আবার ক্রেতাকে শিখিয়ে দেন। পল্লিগীতি, ভাওয়াইয়া, লালনগীতি, বিচ্ছেদ ও পুরোনো বাংলা সিনেমার গানের সুরও তুলতে পারেন। আবার নিজেও তৈরি করেন গান, সুর-তালও দেন। বাঁশির প্রতি প্রবল আকর্ষণ তাকে এই পেশা থেকে কখনোই আলাদা করতে পারেনি। তাই ব্যক্তি জীবনের উত্থান পতনে বাঁশি বিক্রিকেই পেশা হিসেবে বেছে নেন তিনি।

কখন ও রাজশাহী শহরে , কখনও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে , বাঁশি বিক্রির জন্য ঘুরে বেড়ান গনেশ চন্দ্র দাস । ৩৫ বছর যাবৎ এই রাজশাহী শহরে বাঁশি বিক্রি করেন তিনি। যা দিয়েই কোনো রকম চলছে তার সংসার। ইচ্ছে ছিল কোনো একটা চ্যানেলে গান করার। আমৃত্যু সুর ধরে রাখতে চেয়েছিলেন সুর সঙ্গীতের ঐতিহ্য। তবে মূল্যায়িত হয়নি তার প্রতিভা। কেউ তার প্রতিভার মূল্যায়নে এগিয়ে আসেনি। তাইতো অভিমানে বারবার ছেড়ে দিতে চেয়েছেন এই পেশা। কিন্তু ভালো লাগা ও আবেগের কাছে হার মানে সকল অভিমান।

গনেশ চন্দ্র দাস রাজশাহী নগরীর পুঠিয়া উপজেলার কান্দ্রা গ্রামের বাসিন্দা। তিন ছেলে ও এক মেয়ের জনক তিনি। তিন ছেলেই বিবাহিত। তবে ১৫ বছর আগে চিকিৎসার অভাবে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যায় তার একমাত্র মেয়ে। পারিবারিক অস্বচ্ছলতার কারণে লেখাপড়া করার সুযোগ হয়নি তার। তারপরও নিজের তীব্র আকাঙ্ক্ষায় পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন তিনি। দারিদ্র্যের কষাঘাতে জীবিকার খোঁজে লেখাপড়া চালিয়ে যেতে পারেননি গনেশ চন্দ্র।

তার সাদামাটা জীবনে নেই কোনো বিলাসিতা। দু’বেলা দুমুঠো ভাতই ছিল তার জীবন যুদ্ধ। আবার কখনো অর্ধাহারে কাটিয়ে দেন তিনি। জীবিকার তাগিদে অন্য ১০ জনের মতোই ছুটতে হয় তাকেও। সকল দুঃখ কষ্ট হাসি মুখে বরণ করার এক বিষ্ময়কর শক্তি নিয়েই যেন পৃথিবীতে নিরন্তর ছুটে চলা পরিশ্রমী এই মানুষটির।

জীবন যুদ্ধে লড়াকু এই মানুষটির সাথে কথা হয়, আলাপকালে নিজের একান্ত সুখ দুঃখের অব্যক্ত গল্পগুলো শোনালেন হাসিমুখেই। সকাল থেকে সন্ধ্যা বাঁশি ভর্তি একটা ব্যাগ কাঁধে নিয়ে ছুটে চলেন । সকালের পাখি ডাকা ভোর আর সূর্য গড়িয়ে সন্ধ্যা, সারাদিনই বিচরণ ঘটে রাজশাহী শহরে ।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com