✍️ নিজস্ব ডেস্ক রিপোর্ট : দেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ‘জুলাই চেতনা’কে ঘিরে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন নুরুল হক নুর। গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী এই তরুণ রাজনীতিক স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন—“জুলাই আমরা জন্ম দিয়েছি, তাই এটি অন্য কারও কাছ থেকে শেখার প্রয়োজন নেই।”
সোমবার (৩০ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘জুলাই আমাদের সুদৃঢ় সংগ্রাম, ত্যাগ ও রাজনৈতিক অঙ্গীকারের ফসল। এটি শুধু একটি সময় নয়, বরং আমাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বের প্রতীক।’ তার এই বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, ‘জুলাই’ ইস্যুটি এখন কেবল অতীতের একটি অধ্যায় নয়, বরং বর্তমান রাজনীতির একটি শক্তিশালী পরিচয়বাহী প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নুরের এই বক্তব্য মূলত ক্ষমতাসীন ও বিরোধী বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে ‘জুলাই চেতনা’ দখলের প্রতিযোগিতার প্রতিফলন। একাধিক রাজনৈতিক দল ও গোষ্ঠী যখন নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে ইতিহাস ও আন্দোলনের ব্যাখ্যা পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে, তখন নুরের এই মন্তব্য একটি স্পষ্ট বার্তা—এই বর্ণনায় তারাও অন্যতম দাবিদার।
সমসাময়িক রাজনীতিতে এমন বক্তব্য নতুন কোনো ঘটনা নয়। বরং ইতিহাস, আন্দোলন এবং চেতনার মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্ব বাংলাদেশের রাজনীতিতে বহুবারই দেখা গেছে। তবে নুরের বক্তব্যে যে দৃঢ়তা ও সরাসরি অবস্থান প্রকাশ পেয়েছে, তা ভবিষ্যতে রাজনৈতিক মেরুকরণ আরও বাড়াতে পারে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
সব মিলিয়ে, ‘জুলাই’ এখন কেবল একটি সময়সূচক শব্দ নয়—এটি হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক পরিচয়, বৈধতা ও নেতৃত্বের প্রতীক। আর সেই প্রতীকের নিয়ন্ত্রণ নিয়েই শুরু হয়েছে নতুন এক