নিজস্ব প্রতিবেদক : “ধমক দিয়ে রাজনীতি চলবে না, ধমকের রাজনীতি ৫ আগস্টেই শেষ হয়ে গেছে”—এমন কঠোর উচ্চারণে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার বার্তা দিলেন ড. খন্দকার মারুফ হোসেন। তিনি বলেন, এদেশের মানুষ স্পষ্টভাবে পরিবর্তনের পক্ষে, গণতন্ত্রের পক্ষে এবং নাগরিক অধিকারের পক্ষে রায় দিয়েছে। জনগণের এই রায় শুধু সরকার পরিবর্তনের নয়; এটি রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তনেরও রায়।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা, দমন-পীড়ন ও এককেন্দ্রিক ক্ষমতার রাজনীতিকে জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে। ভোটের মাধ্যমে মানুষ জানিয়ে দিয়েছে—ভয়ভীতি বা ধমকের রাজনীতি নয়, তারা চায় জবাবদিহিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক শাসনব্যবস্থা।
ড. মারুফের ভাষ্য অনুযায়ী, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। জনগণ বিশ্বাস করে, সেই সনদ বাস্তবায়নের দায়িত্ব ও সক্ষমতা রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র হাতেই। তাই জনগণ তাদের পক্ষে রায় দিয়েছে—বিজয়ী করেছে দলকে, আর বিজয়ী করেছে “হ্যাঁ” ভোটকেও।
তিনি বলেন, “এখন জনতার প্রত্যাশা একটাই—প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা এবং একটি শক্তিশালী, গণমানুষের সরকার প্রতিষ্ঠা।” তাঁর মতে, এই বিজয় কোনো ব্যক্তি বা দলের একার নয়; এটি জনগণের আকাঙ্ক্ষার বিজয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বক্তব্য বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি সুস্পষ্ট বার্তা বহন করে—জনগণের রায়ই চূড়ান্ত শক্তি। রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে হবে মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও ভবিষ্যৎ।
ড. মারুফের বক্তব্যের সারমর্ম স্পষ্ট:
জনগণের রায়ই চূড়ান্ত শক্তি,
জনগণের অধিকারই রাজনীতির ভিত্তি,
আর জনগণের ভবিষ্যৎই আমাদের অঙ্গীকার।