বঙ্গ নিউজ বিডি প্রতিবেদক : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফেরদৌস আরার অকালপ্রয়াণে প্রশাসনিক অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোক। রাজধানী ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে বুধবার সকাল সাতটায় তিনি ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
সোমবার কর্মস্থলে অসুস্থবোধ করলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয় এবং একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রবিউল হাসান ভূঁইয়া জানান, মাইগ্রেনজনিত তীব্র ব্যথা নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ বুধবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
ফেরদৌস আরা ছিলেন ৩৬তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের একজন মেধাবী কর্মকর্তা। চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি তিনি বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর কর্মদক্ষতা ও মানবিক আচরণে জনপ্রশাসনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে সক্ষম হন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
ব্যক্তিজীবনে তাঁর বাবার বাড়ি ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার শেখদী এলাকায় এবং শ্বশুরবাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার খানে বাড়িতে। পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁকে দাউদকান্দিতেই দাফন করা হবে।
ফেরদৌস আরার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. খন্দকার মারুফ হোসেন। তাঁরা মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
এছাড়া দাউদকান্দি ডিজিটাল প্রেস ক্লাব মরহুমার ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছে।
একজন প্রতিশ্রুতিশীল প্রশাসনিক কর্মকর্তার এমন অকালপ্রয়াণ শুধু পরিবার বা একটি উপজেলাই নয়—সমগ্র প্রশাসন ও সমাজের জন্যই অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর স্মৃতি ও কর্মনিষ্ঠা দীর্ঘদিন সহকর্মী ও এলাকাবাসীর মনে অম্লান হয়ে।