1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০৭:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
জুলাই অভ্যুত্থানের যোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিতে সংসদে আইন আসছে: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে নিরাপত্তা জোরদার ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল নিয়োগ বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা জোরদার: শিশু, শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে গুরুত্ব দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান ১১ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট, প্রথমবার উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু স্বাধীনতা দিবসে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন, আজই মন্ত্রিসভার বৈঠক এগিয়ে আনলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এআইয়ের দায়িত্বশীল ব্যবহারে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন সম্ভব: জুবাইদা রহমান বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ২৬৪ কর্মকর্তা সিনিয়র সহকারী সচিব পদে পদোন্নতি মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিরসনে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ দফা প্রস্তাব, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার ২৫ মার্চের গণহত্যা ছিল সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অ্যাপে অশ্লীলতা ছড়িয়ে kiyo. বাংলার পকেটে ১০৮ কোটি টাকা, পাচার ৮৮ কোটি

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৩৬৫ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গ নিউজ বিডি প্রতিনিধি : মামলার বাদী সিআইডির উপপরিদর্শক (এসআই) সোহেল রানা প্রথম আলোকে বলেন, তিনি কিউ লাইভের বিরুদ্ধে এক বছরের বেশি সময় ধরে অর্থ পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধান করেন। পরে অর্থ পাচারের কাগজপত্র জোগাড় সাপেক্ষে গত ২৯ অক্টোবর মামলা করেন। মামলায় কিউ বাংলা লিমিটেড, কিউ বাংলার কর্মী এস এম এডমিন হিটলার ( আরিয়ান ), ইরশাদ সুপার এডমিন, কৃষক, পুতুল, এবং মনসন হোল্ডিং নামের প্রতিষ্ঠানটিকে আসামি করা হয়

Name of bank : Dutch Bangla Bank.
Name of Account : Zain Aceessories & Suppliers
A/c No : 1731100019305
Brance Name : bhairob Br.
Type of account : CD
Routing No: 090480193

সিআইডির সাইবার ইউনিটের অতিরিক্ত ডিআইজি কামরুল আহসান জানান, বিদেশি নাগরিক ‘কিউ লাইভ’ ও ‘লাইকি’র সঙ্গে সরাসরি জড়িত।হিটলার গুলো গুলো কিউ লসিগের বাংলাদেশি অ্যাডমিন। হিটলার ও পুতুল ইরশাদ বাংলাদেশে বিভিন্ন মেয়েদের মাসিক বেতনে চাকরি দিয়ে কিউ লাইভের সঙ্গে যুক্ত করতেন। এস এম কৃষক, ও সুপার এডমিন ভার্চুয়াল মুদ্রা কয়েন বিক্রির অন্যতম প্রধান বাংলাদেশি এজেন্ট এবং গুলো গুলো উল আরিয়ান , পুতুল কিউ লাইভের প্রধান অ্যাডমিন হিটলার । অ্যাডমিনরা মাসে এক লাখ কয়েন করে বেতন পেতেন।
বিদেশি নাগরিকের ব্যাপারে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তার সঠিক নাম নিয়ে কিছুটা সংশয় রয়েছে। নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত নাম বলা যাচ্ছে না।

কামরুল আহসান আরও বলেন, কিউ লাইভ ও লাইকিতে সাধারণত দেশের উঠতি বয়সী তরুণ-তরুণী ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা ভিডিও স্ট্রিমিং করে। কিউ লাইভ অ্যাপে দুই ধরনের আইডি রয়েছে। একটি ব্রডকাস্টার আইডি ও অপরটি সাপোর্টার আইডি বা সেন্ডার আইডি। ব্রডকাস্টার আইডি ব্যবহার করে উঠতি বয়সী তরুণ-তরুণীরা ভিডিও লাইভ স্ট্রিম করে। এই ভিডিও লাইভ স্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে কথিত বিনোদনের আড়ালে বিভিন্ন ধরনের অশ্লীলতা ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
এছাড়াও সাপোর্টার আইডি বা সেন্ডার আইডির মাধ্যমে যারা ভিডিও স্ট্রিমিং করতো, বিনিময়ে তাদেরকে ডিজিটাল কয়েন গিফট করা হতো। পরবর্তীতে এই কয়েন টাকায় রূপান্তরের মাধ্যমে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতো। তাদের টার্গেট মূলত দেশের যুব সমাজ এবং বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। লাইভ স্ট্রিমিংয়ে তাদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়ার প্রলোভন অ্যাপে ঢোকেন সাধারণ ব্যবহারকারীরা। তার জন্য কয়েন নামে একটি ভার্চুয়াল মুদ্রা কিনতে হয় ব্যবহারকারীদের। সাধারণত বাংলাদেশে ব্যবহৃত মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিসসহ বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে এই কয়েন কেনা যায়। সেই মুদ্রা উপহার হিসেবে দিয়ে আড্ডায় যুক্ত হতে পারেন ব্যবহারকারীরা। যে যতবেশি কয়েন উপহার পান, লাইভে তিনি ততবেশি অশ্লীলতা করেন।

সাইবার পুলিশের ডিআইজি জামিল আহমেদ বলেন, কয়েন সাধারণ ব্যবহারকারীদের মধ্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য রয়েছে বিভিন্ন নামে বিভিন্ন এজেন্সি। এরকম একাধিক এজেন্ট বাংলাদেশে রয়েছে। এসব এজেন্সির প্রত্যেকে একাধিক পেমেন্ট গেটওয়ে রয়েছে। সাধারণত ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব এজেন্সির বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়। সাধারণ ব্যবহারকারীরা এজেন্সির পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমাণের অর্থ প্রদান করে কয়েন কেনেন।

PEOPLES TRADING AGENCY
ISLAMI BANK PLC
HEAD OFFICE COMPLEX CORPORATE BRANCH
A/C. NO. 20502130100294917
ROUTINE NO. 125272689
SWIFT code : IBBLBDDH213

তিনি বলেন, বাংলাদেশি লক্ষাধিক অ্যাপ ব্যবহারকারী ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা অনলাইন ব্যাংকিং, হুন্ডি, ভার্চুয়াল মুদ্রা ও ব্যাংকের মাধ্যমে কয়েন কিনছেন। বাংলাদেশি এজেন্সিগুলো কয়েন কিনে আনে বিদেশি অ্যাডমিনদের কাছ থেকে। এসব এজেন্সি বিভিন্ন অবৈধ মাধ্যম ব্যবহার করে বিদেশে অর্থপাচার করে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রতি মাসে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com