1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ০৪:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নিষেধাজ্ঞা মামলার মধ্যেই বাউন্ডারি নির্মাণ শ্যামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইন লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ 🔴 শাওয়ালের ছয় রোজা: রমাদানের পর ইবাদতের ধারাবাহিকতা ও ফরজ-নফলের ভারসাম্যের আহ্বান শ্রী শ্রী রামনবমী উৎসব ২০২৬ ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা তেল সরবরাহে বড় সংকটের শঙ্কা, ইরান সংঘাত দ্রুত সমাধানের আহ্বান সৌদি অর্থমন্ত্রীর ইসরায়েলের সামরিক কমান্ড সেন্টার ও পরমাণু স্থাপনায় হামলার দাবি ইরানের, যুদ্ধ ২৭তম দিনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, স্বাধীনতা দিবসে প্রীতি ফুটবল ম্যাচের উদ্বোধন পঞ্চগড়ে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, ৪০ যাত্রী নিয়ে উল্টে গেল বাস ফিলিং স্টেশনে লাইনে দাঁড়িয়েই মৃত্যু, হিটস্ট্রোকে প্রাণ গেল বাইক আরোহীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবির ঘটনায় নিহত বেড়ে ২৩ রাঙামাটিতে মাদক সম্রাট সজল দাশ সহ ৬জন আটক

চাঞ্চল্যকর ধর্ষণ ঘটনায় ধর্ষিত মাগুরার শিশুটি মারা গেছে

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ৭ মার্চ, ২০২৫
  • ১৭৭ বার দেখা হয়েছে

কক্সবাজার থেকে,কামরুন তানিয়া : প্রতিবাদী মানুষেরা বলছে- কোনো তওহীদী জনতা বা নারীবাদী সংগঠনের সহযোগিতা পায়নি শিশুটি এবং শিশুটির বড়ো বোন।

বোনের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে দুলাভাই ও বোনের শ্বশুর কর্তৃক ধর্ষিত হয়েছিলো শিশুটি। মাগুরা হাস্পাতালের ভর্তি অবস্থায় শিশুটি মারা গেছে। নির্যাতিতার মায়ের ভাষ্যমতে- ১৪ বছর বয়সে বিয়ে হয় বড়ো মেয়ের। বিয়ের শ্বশুর কর্তৃক শ্লীলতাহানির শিকার হয় মেয়েটি- যার পরিনাম এই পর্যন্ত গড়ালো। শিশুটিকে পাঠানো হয়েছিলো বড়ো বোন কে সঙ্গ দেয়ার জন্য। বোনকে সঙ্গ দিতে এসে জীবন দিলো শিশুটি। ফিরতে রাত হয়ে যাবে বিধায় বড় বোন বলেছিল পরদিন বাড়িতে যেতে। বড় বোন কিছুক্ষণের জন্যে বাইরে গিয়েছিল।
শিশুটি বোনের রুমে গুটিসুটি হয়ে শুয়ে ছিল এক কোনায়। দুলাভাইও ছিল রুমে। বড়বোন ভেবেছিল তার স্বামী যেহেতু আছে তাহলে আর কোন সমস্যা হবে না।
তারপর দুপুরের দিকে বড় বোন বাসায় এসে দেখে রুমে লাইট নিভানো, ঘুটঘুটে অন্ধকার। তড়িঘরি করে লাইট জ্বালিয়ে দেখে তার আদরের ছোট বোনটা এলোমেলোভাবে পড়ে আছে, চেহারাটা ফ্যাকাশে।

বড় বোন বুঝতে পারেনি কি হয়েছে তার আদরের বোনটার সাথে! যখন বুঝতে পারে তখন অনেকটাই দেরি হয়ে গিয়েছে।
বড় বোন শাশুড়িকে হাতজোড় করে তার বোনটাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্যে। কিন্তু শাশুড়ি নিষেধ করছিল ঘটনাটা যাতে জানাজানি না হয়, হলে নাকি মানসম্মানে কমতি পড়বে তাদের। তারপর বহু কষ্টে শাশুড়িকে রাজি করিয়ে বড় বোন শিশু বোনটাকে নিয়ে আসে মাগুড়া হাসপাতালে। কোনো রকম দায়সারা ভাবে হাসপাতালে দিয়েই শাশুড়ি পালিয়ে যায় সেখান থেকে। হাসপাতালে আনার পর বাচ্চা মেয়েটার অবস্থা আরও বেশি গুরুতর হয়ে পড়ে।
শিশুটির মা এবং বোনের সন্দেহ দুলাভাই সজীব এবং শ্বশুর হিটুর প্রতি। জোরালো সন্দেহ দুলাভাই সজীবের প্রতিও। যেহেতু তার রুমেই ছিলো শিশুটি।
তৌহিদী জনতা এখন এই বাচ্চা মেয়েটার কি দোষ দিবে? তার তো ওড়না পড়ার বয়সও হয়নি।
ওড়না পড়ার বয়স হলে নাহয় ওড়নার দোহাই দিয়ে দায়সারা যেতো। মা এবং বোন মিলেই এখনও অসহায়ের মত পড়ে আছে হাসপাতালে। তাদেরকে সাহায্য করতে কোনো তৌহিদী জনতা আসেনি, আসেনি কোন নারীবাদী সংগঠন। মৃত্যুর সাথে লড়াই করতে করতে অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মেনে নিলো শিশুটি। পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে শিশুটি। কিন্তু বিচার হবে কিনা তা আমরা জানি না। কারণ বিচারক ও পুলিশের কাছে এটি ধারাবাহিক সাধারণ ঘটনা মাত্র।
উক্ত ঘটনায় সময়ের বহুলাচিত মানবাধিকার নেতা সেহলী পারভীন বলেন- তদন্তের বেড়াজালে মামলাটি যেনো হারিয়ে না যায়! কালক্ষ্যাপন না করে প্রথম শোনেনিতেই ফাঁসির রায়সহ কার্যকর সময় দিবস ঘোষণা করা আদালতের দায়িত্ব।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com