1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মনোনয়ন যাচাইয়ে বড় ঝাঁকুনি: কুমিল্লার ৩ আসনে জামায়াতসহ ১১ প্রার্থী বাতিল, বৈধ ২০ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে সংগীত মেলা ও পৌষ মেলার সমাপ্তি ভোটাধিকার রক্ষায় জনগণই মুখ্য শক্তি, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতের দায়িত্ব সবার— সালাহউদ্দিন আহমদ দোয়া আর নফল ইবাদতে হোক নববর্ষের সূচনা।হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকীর শোক শহীদ শাহী ও শিহাবের কবর জিয়ারত করলেন এবি পার্টির মঞ্জু গুলশান আজাদ মসজিদে দোয়া ও মিলাদ: দেশনেত্রীর আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের ঐক্যবদ্ধ উপস্থিতি কুমিল্লা-০১ আসনে ৫ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল, খন্দকার মোশারফ–মারুফের মনোনয়ন বৈধ ঠাকুরগাঁওয়ে সাড়ে ৩’শ কৃষক বিনামূল্যে পেলেন বিনাধান-২৪ বীজ ও প্রশিক্ষণ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিএনপির চেয়ারম্যান পদ শূন্য, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দায়িত্বে তারেক রহমান

জামায়াত ‘কখনও ভারতবিরোধী ছিল না’: শফিকুর রহমান

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১২০ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গ নিউজ বিডি ডেস্ক: বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী দল কখনও ভারতবিরোধী ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। সম্প্রতি ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। ওই সাক্ষাৎকারে জামায়াতে ইসলামীর ভারত-বিরোধিতা সর্বজনপরিচিত বলে মন্তব্য করেন সাংবাদিক।

জবাবে এমন বক্তব্য সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন ডা. শফিকুর রহমান।

জামায়াত আমির বলেন, এ ধারণা ভিত্তিহীন। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে আমাদের নিশানা করে এই মতবাদ ছড়ানো হয়েছে যাতে জামায়াতের রাজনীতির মিথ্যা ব্যাখ্যা ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়। সমান মর্যাদা এবং সম্মানের ভিত্তিতে আমরা ভারতসহ সমস্ত প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাই। আমাদের আন্তর্জাতিক নীতি, সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়। চাই ভারতও একইরকম সাড়া দিক, পারস্পরিক বিশ্বাস এবং সহাবস্থানের ভিত্তিতে।

সাক্ষাৎকারে আরও যেসব প্রশ্নের জবাব দেন ডা. শফিকুর রহমান তা হুবহু তুলে ধরা হলো –
প্রশ্ন: কিন্তু জামায়াতে ইসলামীকে দেখা হয় কট্টর ইসলামি সংস্থা হিসাবে, অন্যান্য ইসলামি রাষ্ট্রে যে ‘ইসলামিক ব্রাদারহুড’ রয়েছে তার অংশ হিসাবে। নিজেদের সংগঠনকে কী ভাবে দেখেন?

উত্তর: আবারও আপনি ধরেই নিচ্ছেন জামায়াতে ইসলামী কট্টরপন্থী মুসলিম সংগঠন। এটা একেবারেই অসত্য। জামায়াত একটি আধুনিক, উদার এবং গণতান্ত্রিক দল, যার ভিত্তি ইসলামিক আদর্শ। আরো একটি কথা মনে করিয়ে দিই, আমরা একটি স্বাধীন রাজনৈতিক দল। বিশ্বের অন্য কোনো রাজনৈতিক সংস্থায় আমাদের প্রতিনিধিত্ব নেই।

প্রশ্ন: কিন্তু বিএনপির একটি অংশ আপনাদের কট্টরপন্থী মনোভাব নিয়ে অস্বস্তিতে। কী বলবেন?

উত্তর: কট্টরপন্থি মনোভাব বলতে কী বোঝাতে চাইছেন, তা অস্পষ্ট। আপনাদের কাগজের মাধ্যমে জোরালো ভাবে আবারও বলতে চাই, জামায়াত একটি আধুনিক, উদারপন্থি, গণতান্ত্রিক দল, যার আদর্শ ইসলামের। আমরা সর্বদাই যুক্তিগ্রাহ্য, বাস্তবসম্মত এবং মধ্যপন্থা নিয়ে রাজনৈতিক নীতি নির্ধারণ করি। বিএনপি দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সঙ্গী, তারা আমাদের আধুনিক মনোভঙ্গি সম্পর্কে সচেতন।

প্রশ্ন: অন্তর্বর্তী সরকার আসার পর থেকেই সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায় তাদের বিরুদ্ধে হিংসার প্রতিবাদে সরব। কী ভরসা দেবেন?

উত্তর: জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের অসামান্য সম্পর্ক এবং বোঝাপড়া রয়েছে। প্রতিটি নাগরিককে সমদৃষ্টিতে দেখা হয় এবং রাষ্ট্রের সমস্ত নাগরিককে সমান অধিকার এবং মর্যাদার ভিত্তিতে সম্মান করা হয়। জামায়াত সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরুর তত্ত্বে বিশ্বাসী নয়। আমরা মনে করি ধর্মের ভিত্তিতে দেশবাসীর বিভাজন অপরাধ। হিন্দু বা অন্য কোনো সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে হিংসার ইতিহাস জামায়াতের নেই। বরং বিভিন্ন সময়ে জামায়াতে ইসলামী বিভিন্ন বিষয় নিয়ে হিন্দু নেতাদের সঙ্গে আলোচনাও করেছে।

প্রশ্ন: শেখ হাসিনা সরকারের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। আপনারা সরকারে এলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক কোন দিকে যাবে?

উত্তর: আমার মনে হয় না পুরোনো আওয়ামী লীগ জমানার সঙ্গে ভারতের নিছকই ঘনিষ্ঠ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ছিল। আমরা সবাই জানি, ওই সম্পর্কে কার কী স্বার্থ ছিল। তবে নিজেদের কথা বলতে পারি, আমরা চাই ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করতে, তবে তা হতে হবে পারস্পরিক সম্মান এবং সমতার মাধ্যমে। পড়শিদের সঙ্গে কার্যকরী এবং বাস্তবোচিত সম্পর্ক উভয় রাষ্ট্রের পক্ষেই সুবিধাজনক। সরকারে এলে সেটাই করতে চাইব।

প্রশ্ন: একটা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার এবং জামায়াত মিলেমিশে আওয়ামী লীগের পর এবার বিএনপিকেও সরিয়ে দিতে চাইছে। দুই বড় রাজনৈতিক দলকে বাইরে রেখে নতুন শক্তির উত্থান হবে। কতটা ঠিক?

উত্তর: সবিনয়ে বলতে চাই এই তত্ত্বের কোনো ভিত্তি নেই। আওয়ামী লীগের প্রতি জনতার সম্মিলিত ঘৃণা তৈরি হয়েছিল দুর্নীতি এবং ফ্যাসিবাদী নীতির কারণে। তারা নিজেরাই নিজেদের পতন ডেকে এনেছে। কোনো সংগঠন বা দলকে সরানোর জন্য আমাদের কোনো ভূমিকা পালনের প্রয়োজন নেই। মানুষ সব জানেন। তাদের সম্মিলিত প্রজ্ঞাকে আমরা সম্মান করি। এইটুকু বলতে পারি, কোনো রাজনৈতিক দলকে খারিজ করা বা সরিয়ে দেওয়ার কোনো ইচ্ছা আমাদের নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com