1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
জনতার মাঠে ধানের শীষ: পাঁচগাছিয়ায় মোশাররফ–মারুফের বার্তায় ভোটের হাওয়া কৃষি, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি : তারেক রহমানের কুমিল্লা-১ এ ধানের শীষের গণজোয়ার, উন্নত বাংলাদেশের ডাক অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারের নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা- প্রশাসন নিরব খুলনায় ১১ দলীয় জোটের নিবাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত। স্থায়ী পুনর্বাসন ও সম্প্রীতির সমাজ গড়ার প্রতিশ্রুতি আমিনুল হকের সচিবের ইচ্ছায় এবার বিটিভির প্রধান প্রকৌশলী হচ্ছেন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতা ইঞ্জিনিয়ার মো: মনিরুল ইসলাম দাউদকান্দিতে ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার, মারুকা–বিটেশ্বরে ড. মোশাররফ হোসেনের জনসভায় জনসমর্থনের বিস্ফোরণ মানিকছড়িতে যুবককে গলা কেটে হত্যা চেষ্টা: পুলিশের বিশেষ অভিযানে প্রধান দুই আসামি গ্রেফতার ২২ বছর পর ময়মনসিংহে তারেক রহমান: জনসমুদ্রে রূপ নিল সার্কিট হাউজ মাঠ

রাজধানীকে সুন্দর করতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা জরুরি: আইইবি

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৪
  • ১৬৩ বার দেখা হয়েছে

‘রাজধানীকে নিয়ে গবেষণা জরুরি। মেগা প্রকল্প গুলোতে জনসম্পৃক্ততা থাকতে হবে। রাজধানীকে সুন্দর করতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা জরুরি। সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের মধ্যে সহযোগিতা ও সমন্বয় দরকার। ঢাকাকে পুনরায় কাঠামোবদ্ধ করার লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য সমন্বয় জরুরি। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকার আশপাশের সিটি কর্পোরেশন, এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ, ও সেবা দাতা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় দরকার। একটি মন্ত্রণালয় প্রয়োজন এই কাজে সমন্বয় সাধন করার জন্য।’

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের পুরকৌশল বিভাগের উদ্যোগে “রাজধানী ঢাকার পুনঃ উন্নয়ন: ভূমি ও সেবার সর্বোত্তম ব্যবহার” শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এইসব কথা বলেন।

পুরকৌশল বিভাগের সম্পাদক প্রকৌশলী সৈয়দ শিহাবুর রহমানের সঞ্চালনায় ও আইইবির সম্মানী সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী এস এম মঞ্জুরুল হক মঞ্জুর স্বাগত বক্তব্যে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ও আইইবির প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী মো. নুরুল হুদা।

গোলটেবিলে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আইইবির ভাইস প্রেসিডেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রকৌশলী মো. নুরুজ্জামান, প্রকৌশলী কাজী খায়রুল বাশার, বোর্ড অব এক্রিডিটেশন ফর ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনিক্যাল এডুকেশনের চেয়ারম্যান ড. প্রকৌশলী এ. এফ. এম. সাইফুল আমিন, পুর কৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী সৌমিত্র কুমার মুৎসুদ্দি, অধ্যাপক ড. মোঃ মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব প্ল্যানার্সের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. আদিল মোহাম্মদ খান, রিহ্যাবের প্রাক্তন প্রসিডেন্ট প্রকৌশলী মো. আব্দুল আউয়াল, মেজর (অবঃ) প্রকৌশলী সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী,স্থপতি কাজী গোলাম নাসির, স্থাপত্য অধিদপ্তর; মো. আশরাফুল ইসলাম,ড. মো. মিজানুর রহমান,ড. প্রকৌশলী মো. আবদুল আল মামুন,প্রকৌশলী আব্দুল মালেক সিকদার,খন্দকার মাহবুব আলম,সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা,মাসুদ করিম, মো. শামসুল আলমসহ নগর উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ও আইইবির প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী মো. নুরুল হুদা বলেন, সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের মধ্যে সহযোগিতা ও সমন্বয় দরকার। ঢাকাকে পুনরায় কাঠামোবদ্ধ করার লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য সমন্বয় জরুরি। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকার আশপাশের সিটি কর্পোরেশন, এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ, ও সেবা দাতা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় দরকার। একটি মন্ত্রণালয় প্রয়োজন এই কাজে সমন্বয় সাধন করার জন্য।

আইইবির মুখ্যপাত্র ও সম্মানী সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী এস. এম. মনজুরুল হক মঞ্জু বলেন, ঢাকা শহরের অবকাঠামো উন্নয়নে আইইবির অবদান অনস্বীকার্য। আমরা এ সিটিকে পুনরায় কাঠামোবদ্ধ করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা করছি। সকল দপ্তরের সমন্বয় ও সহযোগিতা একান্তভাবেই দরকার।

ড. প্রকৌশলী এ. এফ. এম. সাইফুল আমিন বলেন, রাজধানীর উন্নয়নে চ্যালেঞ্জ সমূহ মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা রয়েছে ঢাকাকে সত্যিকারের সুন্দর নগর করার জন্য।

অধ্যাপক ড. আদিল মোহাম্মদ খান বলেন, ঢাকাকে পুনরায় সাজিয়ে নিতে ভিন্ন কৌশল হাতে নিতে হবে। সেই কৌশল গুলো বাস্তবায়ন করতে হবে দ্রুত সময়ের মধ্যে।

প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, আগুন লাগার ঘটনাগুলো স্মরণ করে দেয়, আমাদের রিডেভেলপ করা জরুরি হয়ে পড়েছে। সেজন্য রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নীতিমালা প্রণয়ন করার ক্ষেত্রে আরো উদ্যোগী হবেন বলে আমার বিশ্বাস। আমরা একটি খসড়া নীতিমালা প্রণয়ন করেছি। আমরা জনগণের সহযোগিতা কামনা করছি। উচ্ছেদ নিয়ে ভয় নয়, পুনঃস্থাপনের সুযোগ রয়েছে।

অধ্যাপক ড. মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, রিডেভেলপমেন্ট এবং রিসেটেলমেন্ট এর জন্য সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বয় দরকার। এবং একটি অধিগ্রহণ আইন এর জন্য আমরা অপেক্ষা করছি। তিনি আরো বলেন, কোন শহর ভেঙে পড়ে যদি পরিবহন খাত সঠিকভাবে পরিচালিত না হয়।
ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার জনগণের জন্য মেট্রোরেল সুবিধা দিতে হবে।

মেজর (অবঃ) প্রকৌশলী সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী বলেন, জলমগ্নতার বিষয়টি উপেক্ষিত থাকছে শহরের অবকাঠামো উন্নয়নে। এটা একটা বড় সমস্যা। এছাড়া উচ্ছেদ কোন সমস্যার সমাধান করতে পারে না। প্লট বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে তাদেরকে যাদের দরকার নেই।

মো. আব্দুল আউয়াল বলেন, জনসংখ্যার চাপ বাড়ছে ঢাকায়। শহরমুখী চাপ কমাতে বিকেন্দ্রীকরণের বিকল্প নেই। বিষয়টি জটিল কিন্তু এটি আমাদের চাইতে হবে। প্লট বরাদ্দে অনিয়ম দূর করতে হবে।

খন্দকার মাহবুব আলম বলেন, উত্তর সিটি বর্ধিত অংশ নিয়ে লোকাল এরিয়া প্লান করছে। ঢাকার সুয়ারেজ সিস্টেম বলে কিছু নেই। ঢাকার খাল পুনরুদ্ধার না করলে এই সিটি টিকবে না। কিন্তু এখন প্রশ্ন হলো এই কাজে কে নেতৃত্ব দেবে।

মাসুদ করিম বলেন, গণমাধ্যমকে সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে। বিরাট অব্যবস্থাপনার মধ্যে রয়েছে ঢাকার মানুষ। এ থেকে মুক্তি পাওয়ার আশায় আছি আমরা। উন্নয়নের জন্য নাগরিক আন্দোলন প্রয়োজন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com