1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১১:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ইরানের ‘তেলের প্রাণ’ খার্গ দ্বীপ দখলের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র—বিতর্কিত মন্তব্য ট্রাম্পের কুয়েতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: সেনা ক্যাম্পে আঘাত, আহত অন্তত ১০ গণভোট অধ্যাদেশের কার্যকারিতা শেষ, বিল আকারে পাসের প্রয়োজন নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী দিলারা হাফিজের মরদেহ ঢাকায়, আজ জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণে জানাজা এনসিপির ৫ সিটি নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা, ঢাকার দুই সিটিতে নতুন মুখ ইরান-হিজবুল্লাহর যৌথ হামলায় কেঁপে উঠল ইসরায়েল, শতাধিক শহরে সাইরেন পুলিশের সংস্কার ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ফ্রান্সের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনপ্রত্যাশা ও ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খুলনা আফিল গেট রেলক্রসিংয়ে সুন্দরবন এক্সপ্রেসের সাথে প্রাইভেট কারের ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জে জ্বালানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশাসনের একাধিক নির্দেশনা জারি

এখন সবাই কোটিপতি: তথ্যমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১২৯ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: ৭৭ শতাংশ কোটিপতির কথা বলা হয়েছে, এক কাঠা জমির দাম গ্রামেও ২০ লাখ টাকা। পাঁচ কাঠা জমির দাম এক কোটি টাকা। ঢাকা শহরে এক কোটি টাকার নিচে কোথাও জমি নেই, চট্টগ্রামেও নেই। কারও তিন কাঠা জমি থাকলেই তো সে কোটিপতি। এখন সবাই কোটিপতি। কাজেই এই হিসাব দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার কোনো সুযোগ নেই। কাজেই এই হিসাব উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ নিয়ে টিআইবির গবেষণা প্রসঙ্গে বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। এদিন সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন তিনি। মঙ্গলবার টিআইবি জানায়, আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের ১৮ জনের ১০০ কোটি টাকার বেশি সম্পদ আছে। এছাড়া ৭৭ শতাংশ প্রার্থী কোটিপতি।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের এ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, গবেষণা করে তারা পদ্মা সেতুর দুর্নীতি নিয়ে বলেছিল। তাদের অনেক বড় গলা ছিল। পরে দেখা গেল, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতি হয়নি, দুর্নীতির কোনো সুযোগও সৃষ্টি হয়নি। নানা সময়ের নানা গবেষণায় দেখা যায়, আসলে এগুলো গবেষণা নয়, কতগুলো প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে সেই প্রতিবেদন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রকাশ করা হয়।

সরকার ১৫ বছর ক্ষমতায় থেকেও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেন অনেকেই। নতুন করে তারা সরকার গঠন করলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে কিনা- জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, গত ১৫ বছরে সরকার পরিচালনার সময় দ্রব্যমূল্য সব সময় মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে ছিল। কোনো কোনো সময় কোনো কোনো পণ্যের মূল্য বেড়েছে। মানুষের ক্রয়ক্ষমতাও বেড়েছে। ১৫ বছর আগে একজন দিনমজুর সারা দিন পরিশ্রম করে যে টাকা পেতেন, সেই টাকা দিয়ে চার-পাঁচ কেজি চাল কিনতে পারতেন। এখন একজন দিনমজুর সারা দিন কাজ করে যে চাল কিনতে পারেন, সেটা ১২ থেকে ১৫ কেজি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সেটা আরও বেশি। চট্টগ্রামে এক হাজার টাকার নিচে দিনমজুর পাওয়া যায় না। পৃথিবীতে দ্রব্যমূল্য সব সময় বেড়েছে।

হাছান মাহমুদ বলেন, ১৯৪৩ সালে কলকাতা, বাংলায় যখন দুর্ভিক্ষ হয়, তখন ছয় টাকায় ৪০ কেজি চাল পাওয়া যেত। কিন্তু সেই চাল কিনতে না পেরে মানুষ মারা গেছে। তখন তো দ্রব্যমূল্য অনেক কম ছিল। খেয়াল রাখতে হবে, মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে কিনা। আমাদের দেশে যত না মূল্য বেড়েছে, তার চেয়ে বেশি মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে। এই কথা সত্য, মাঝে মধ্যে ব্যবসায়িক চক্র, মুনাফালোভী সিন্ডিকেট কোনো কোনো পণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সেই পণ্যমূল্য বাড়িয়ে দেয়। এভাবে তারা ফায়দা লোটে। ভারতের একটি পত্রিকায় প্রকাশিত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের খবর যখন ঢাকার অনলাইনেও প্রকাশিত হয়, তখন কাওরান বাজারে পেঁয়াজের মূল্য বেড়ে যাওয়ার কোনো কারণ নেই।

মন্ত্রী আরও বলেন, এটা হলো মুনাফালোভীদের কারসাজি। আমরা সেটি নিয়ন্ত্রণের কথা বলেছি। আবার সরকার গঠন করতে পারলে এই মুনাফালোভী চক্র, অসাধু চক্র, যারা দেশে মাঝে মধ্যে পণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে মুনাফা লাভের চেষ্টা করে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেটা আমরা করতে পারব বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com